বাংলাদেশ বিশ্বের ৩৩তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশের ক্লাবের গর্বিত সদস্য । রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানি হস্তান্তরের মাধ্যমে বাংলাদেশ এই এলিট ক্লাবে প্রবেশ করেছে ।
মূল তথ্য:
ক্লাব সদস্যপদ: ৩৩তম দেশ ।
কেন্দ্র: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র (RNPP)।
ভিত্তি: রাশিয়ার সহায়তায় ইউরেনিয়াম জ্বালানি ব্যবহারের মাধ্যমে ।
এই অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ পরমাণু যুগে প্রবেশ করেছে এবং বিশ্বের বুকে পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলোর তালিকায় নিজের নাম লিখিয়েছে।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি করে নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত স্থায়ী সালিশি আদালত (Permanent Court of Arbitration - PCA) । ২০১৪ সালের ৭ জুলাই এই আদালত মামলার রায় প্রদান করে, যার মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরের দীর্ঘদিনের অমীমাংসিত সীমানা বিরোধের অবসান ঘটে এবং বাংলাদেশ ১৯,৪৬৭ বর্গকিলোমিটার এলাকা লাভ করে ।
মূল তথ্যসমূহ:
সংস্থা: স্থায়ী সালিশি আদালত (PCA) ।
মামলা দায়ের: ৮ অক্টোবর ২০০৯ ।
রায় প্রদান: ৭ জুলাই ২০১৪ ।
ফলাফল: বাংলাদেশ ১৯,৪৬৭ বর্গকিলোমিটার সামুদ্রিক অঞ্চল পায় ।
সমুদ্রের আয়তনের দিক থেকে ১৫১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ নিচের দিক থেকে ১৩তম স্থানে রয়েছে।
মূল তথ্যসমূহ:
২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের পর বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে ১ লক্ষ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটারের বেশি টেরিটোরিয়াল সমুদ্র, ২০০ নটিক্যাল মাইল একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপান এলাকায় অধিকার লাভ করে।
বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ৫৯ শতাংশ থেকে ৬০.৬ শতাংশ জমি আবাদযোগ্য বা কৃষিজমি হিসেবে ব্যবহৃত হয় । বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, বর্তমানে দেশের প্রায় ৮৮ লাখ হেক্টরের বেশি জমি আবাদযোগ্য যা বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ কৃষি জমির অনুপাত । তবে নগরায়ণ ও শিল্পায়নের ফলে এই জমি ক্রমাগত কমছে ।
কৃষিজমি সংক্রান্ত মূল তথ্যসমূহ:
আবাদযোগ্য জমি: ৫৯% - ৬০.৬% ।
বনভূমি: প্রায় ১৭.৪% ।
জলাভূমি: প্রায় ২০% ।
ফসলি জমির পরিমাণ: ৭.২৯ মিলিয়ন হেক্টরের বেশি ।
দ্রষ্টব্য: বিভিন্ন জরিপে এই সংখ্যার সামান্য তারতম্য হতে পারে, তবে তা ৬০ শতাংশের কাছাকাছি।