মাহমুদুল হক রচিত ‘খেলাঘর’ উপন্যাসটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
কপালকুণ্ডলা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় ও বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস; প্রকাশ— ১৮৬৬। প্রধান চরিত্র: নবকুমার ও কপালকুণ্ডলা। বিখ্যাত উক্তি: ‘পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ’, ‘তুমি অধম, তাই বলিয়া আমি উত্তম না হইব কেন?’, ‘প্রদীপ নিবিয়া গেল।’
নেত্রকোনার বিরিশিরি- দূর্গাপুরের বিস্তীর্ন অঞ্চল ও সোমেশ্বরী নদী এ নাটকের পটভূমি।
অগ্নি: বনফুলের রাজনৈতিক উপন্যাস; ১৯৪২ সালের আগস্ট আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত। নায়ক— অংশুমান।
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, কাব্যনাট্য ‘পাষাণী’ ১৯০০ সালে লিখেন।
আহমদ ছফা রচিত উপন্যাস ‘ওঙ্কার’। আবু নসর এ উপন্যাসের চরিত্র।
তিতাস একটি নদীর নাম: অদ্বৈত মল্লবর্মণের ৪ খণ্ডের উপন্যাস; প্রকাশ— বাংলা ১৩৫২, ‘মোহাম্মদী’ পত্রিকায়। ধীবর সমাজের জীবনসংগ্রাম নিয়ে রচিত। প্রধান চরিত্র— বাসন্তী ও কিশোর। ঋত্বিক ঘটকের পরিচালনায় ১৯৭৩ সালে চলচ্চিত্রায়িত।
আব্দুল কাদের: মূলত কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক, ছান্দসিক ও সম্পাদক। কাব্যগ্রন্থ: দিলরুবা, উত্তর বসন্ত। প্রবন্ধগ্রন্থ: বাংলা কাব্যের ইতিহাস, কাজী আবদুল ওদুদ, কবি নজরুল, লোকায়ত সাহিত্য। উপন্যাস: নাম না জানা ভোর (১৯৬২)— ভাগ্যান্বেষী এক গ্রাম্য যুবকের শহুরে উচ্চবিত্ত শ্রেণিতে উত্তরণের কাহিনি।
আলাউদ্দিন আল আজাদ: শিক্ষাবিদ, কবি, কথাশিল্পী, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক ও গবেষক। কাব্যগ্রন্থ: মানচিত্র (১৯৬১), ভোরের নদীর মোহনায় জাগরণ (১৯৬২), লেলিহান পাণ্ডুলিপি (১৯৭৫), শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৮৭), সাজঘর (১৯৯০)।
কাজী ইমদাদুল হক: আবদুল্লাহ— উপন্যাস; ধারাবাহিকভাবে মোসলেম ভারত পত্রিকায় প্রকাশিত (১৯১৮ থেকে)। প্রধান চরিত্র: আবদুল্লাহ ও হালিমা। বিষয়: তৎকালীন বাঙালি মুসলমান সমাজের কুসংস্কার, গোঁড়ামি ও অজ্ঞতার চিত্র। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর উপন্যাসটির প্রশংসা করেন।
মীর মোশাররফ হোসেন: টালা অভিনয়— প্রহসন নাটক; ১৮৫৭ সালে ‘হাফেজ’ পত্রিকার মার্চ–এপ্রিল সংখ্যায় প্রকাশিত। অন্যান্য রচনা: তহমিনা, বেহুলা গীতাভিনয়, জমিদার দর্পণ, গাজী মিয়াঁর বস্তানী।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: ললিতা তথা মানস— আখ্যানকাব্য; প্রকাশিত ১৮৫৬ সালে। অন্যান্য রচনা: দীনবন্ধু মিত্রের জীবনী, বাঙ্গলা সাহিত্যে প্যারীচাঁদ মিত্রের স্থান, সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জীবনী।
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ: লালসালু— প্রথম ও বিখ্যাত উপন্যাস; প্রকাশিত ১৯৪৮ সালে। ধর্মব্যবসা ও শোষক শ্রেণির ভণ্ডামি তুলে ধরা হয়েছে। লালসালু: মজিদ মহব্বত নগরে এসে অজ্ঞাত ব্যক্তির কবরকে ‘মোদাচ্ছের পীরের মাজার’ হিসেবে প্রচার করে। ফরাসি অনুবাদ— L'Arbre sans racines (শিকড়বিহীন গাছ); ইংরেজি— Tree Without Roots। উপন্যাস: লালসালু (১৯৪৮), চাঁদের অমাবস্যা (১৯৬৪), কাঁদো নদী কাঁদো (১৯৬৮)। নাটক: বহিপীর (১৯৬০), উজানে মৃত্যু (১৯৬৩), সুড়ঙ্গ (১৯৬৪), তরঙ্গভঙ্গ (১৯৭১)।
সেলিম আল দীন: কেরামত মঙ্গল— নাটক; রচিত ১৯৮৬ সালে। অন্যান্য নাটক: জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন (১৯৭২), সংবাদ কার্টুন (১৯৭২), মুনতাসির ফ্যান্টাসী (১৯৭৬), শকুন্তলা (১৯৭৮), কীর্তনখোলা (১৯৮০), বাসন (১৯৮৫), চাকা (১৯৯১), যৈবতী কন্যার মন (১৯৯৩)।
শওকত ওসমান: রাজা উপাখ্যান— উপন্যাস; প্রকাশিত ১৯৭১ সালে। অন্যান্য উপন্যাস: জননী (১৯৫৮), ক্রীতদাসের হাসি (১৯৬২), সমাগম (১৯৬৭), চৌরসন্ধি (১৯৬৮), জাহান্নম হইতে বিদায় (১৯৭১), দুই সৈনিক (১৯৭৩)।
সেলিনা হোসেন: নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি— ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত উপন্যাস। উল্লেখযোগ্য উপন্যাস: হাঙ্গর নদী গ্রেনেড, কালকেতু ও ফুল্লরা, পোকা-মাকড়ের ঘরবসতি, অপেক্ষা, গেরিলা ও বীরাঙ্গনা, ঘুমকাতুরে ঈশ্বর, ভালোবাসা প্রীতিলতা, জলোচ্ছ্বাস, নীল ময়ূরের যৌবন, আগস্টের একরাত, খুন ও ভালোবাসা, কাঁটাতারের প্রজাপতি, গায়ত্রী সন্ধ্যা।
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়: পুতুলনাচের ইতিকথা— তৃতীয় উপন্যাস (১৯৩৬); কেন্দ্রীয় চরিত্র ডাক্তার শশী। প্রকৃত নাম: প্রবোধকুমার; মানিক ডাকনাম। গল্প: ছোট বকুলপুরের যাত্রী, প্রাগৈতিহাসিক, পরিস্থিতি, মিহি ও মোটা কাহিনী, সরীসৃপ। উপন্যাস: পদ্মা নদীর মাঝি, জননী, চিহ্ন, পুতুলনাচের ইতিকথা, দিবারাত্রির কাব্য, শহরবাসের ইতিকথা।
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়: আঞ্চলিক উপন্যাস— গণদেবতা, পঞ্চগ্রাম, হাঁসুলী বাঁকের উপকথা, নাগিনী কন্যার কাহিনী।
কৃষ্ণকুমারী (১৮৬১): মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক। রাজপুতের উপাখ্যান অবলম্বনে রচিত। উল্লেখযোগ্য চরিত্র— কৃষ্ণকুমারী, মদনিকা, বিলাসবতী, ভীমসিংহ, জগৎসিংহ, মানসিংহ, ধনদাস।
‘কবি’ উপন্যাসের ‘জীবন এত ছোট ক্যানে’ সংলাপটি ক্ল্যাসিক মর্যাদা পেয়েছে।
মুনীর চৌধুরী রচিত ‘দন্ডকারণ্য’ গ্রন্থে ৩টি নাটক আছে। যথাঃ দন্ড, দন্ডকাব্য, দন্ডকারণ্য।
তিতাস একটি নদীর নাম: কিশোরের গ্রামের নাম গোকর্ণঘাট; এটি তিতাস নদীর তীরে অবস্থিত।
মামুনুর রশীদ: প্রকাশিত নাটক— ওরা কদম আলী (১৯৭৮), ওরা আছে বলেই (১৯৮০), মে দিবস (১৯৮১), ইবলিস (১৯৮২), গিনিপিগ (১৯৮৫), সমতট (১৯৯০), পাথর (১৯৯৩), লেবেদফ (১৯৯৭)।
প্রেমেন্দ্র মিত্র: গল্পগ্রন্থ— বেনামী বন্দর, পুতুল ও প্রতিমা, অফুরন্ত, পঞ্চাশর, মহানগর, ধুলিধূসর, কুড়িয়ে কুড়িয়ে, সামনে চড়াই।