ওয়াজেদ আলী: জীবনের শিল্প (১৯৪১)— ২৬টি প্রবন্ধের সংকলন। গল্প: গুলদাস্তা (১৯২৭), মাশুকের দরবার (১৯৩০), বাদশাহী গল্প (১৯৪৪), গল্পের মজলিশ (১৯৪৪)। ঐতিহাসিক উপন্যাস: গ্রানাডার শেষ বীর (১৯৪০)। প্রবন্ধ: প্রাচ্য ও প্রতীচ্য (১৯৪৩), ভবিষ্যতের বাঙালী (১৯৪৩), আকবরের রাষ্ট্র সাধনা (১৯৪৯), মুসলিম সংস্কৃতির আদর্শ। ভ্রমণকাহিনী: পশ্চিম ভারত (১৯৪৮), মোটরযোগে রাঁচী সফর (১৯৪৯)।
বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
নীলদর্পণ: দীনবন্ধু মিত্রের সামাজিক নাটক; প্রকাশ— ১৮৬০ সালে। পটভূমি: নীল চাষকে কেন্দ্র করে কৃষকদের ওপর ইংরেজদের অত্যাচার ও নিপীড়ন। ইংরেজি অনুবাদ: Nil Durpan, or The Indigo Planting Mirror— অনুবাদ করেন রেভারেন্ড জেমস লঙ। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় নাটকটির সঙ্গে হ্যারিয়েট স্টোর আঙ্কল টমস কেবিন-এর তুলনা করেছিলেন।
কায়কোবাদ: আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি। প্রকৃত নাম: মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী; কায়কোবাদ সাহিত্যিক নাম। কাব্য: অশ্রুমালা (গীতিকাব্য), মহাশ্মশান (মহাকাব্য)। ১৯২৫ সালে ‘কাব্যভূষণ’, ‘বিদ্যাভূষণ’ ও ‘সাহিত্যরত্ন’ উপাধিতে ভূষিত হন।
হরচন্দ্র ঘোষ: নাট্যকার ও অনুবাদক; বাংলা নাট্যসাহিত্যের আদিপর্বের নাট্যকার এবং শেক্সপিয়রের নাটকের প্রথম অনুবাদক। নাটক: ভানুমতী-চিত্তবিলাস (১৮৫৩), চারুমুখ-চিত্তহরা (১৮৬৪), রজতগিরিনন্দিনী (১৮৭৪)। কৌরববিয়োগ (১৮৫৮): পুরাণভিত্তিক উল্লেখযোগ্য মৌলিক নাটক। মোট রচনা ৭টি; প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য রীতির সমন্বয়ে আধুনিক নাট্যরীতি প্রবর্তনের চেষ্টা করেন।
সোনার তরী: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ; প্রকাশ— ১৮৯৪। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক কাব্য। উল্লেখযোগ্য কবিতা: সোনার তরী, বিম্ববতী, সুপ্তোত্থিতা, বর্ষাযাপন, হিং টিং ছট, বৈষ্ণবকবিতা, দুই পাখি, যেতে নাহি দিব, বসুন্ধরা, নিরুদ্দেশ যাত্রা।
রাবেয়া খাতুন: বাংলাদেশি সাহিত্যিক। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ: নীল নিশীথ, বায়ান্ন বাজার এক গলি, পাখি সব করে রব, নয়না লেকে রূপবান দুপুর, মিড সামারে ই ভরা বাদর মাহ ভাদর, সে এবং যাবতীয়, হানিফের ঘোড়া, হিরণ দাহ।
আবদুল হাকিমের ৫টি কাব্য: ইউসুফ-জোলেখা, নূরনামা, দুররে মজলিশ, লালমোতি সয়ফুলমুলুক, হানিফার লড়াই।
নীল ময়ূরের যৌবন: সেলিনা হোসেন রচিত উপন্যাস; নায়ক— চর্যাপদের কবি কাহ্নপা।
মাহমুদুল হক রচিত ‘খেলাঘর’ উপন্যাসটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
কপালকুণ্ডলা: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় ও বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস; প্রকাশ— ১৮৬৬। প্রধান চরিত্র: নবকুমার ও কপালকুণ্ডলা। বিখ্যাত উক্তি: ‘পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ’, ‘তুমি অধম, তাই বলিয়া আমি উত্তম না হইব কেন?’, ‘প্রদীপ নিবিয়া গেল।’
নেত্রকোনার বিরিশিরি- দূর্গাপুরের বিস্তীর্ন অঞ্চল ও সোমেশ্বরী নদী এ নাটকের পটভূমি।
অগ্নি: বনফুলের রাজনৈতিক উপন্যাস; ১৯৪২ সালের আগস্ট আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত। নায়ক— অংশুমান।
দ্বিজেন্দ্রলাল রায়, কাব্যনাট্য ‘পাষাণী’ ১৯০০ সালে লিখেন।
আহমদ ছফা রচিত উপন্যাস ‘ওঙ্কার’। আবু নসর এ উপন্যাসের চরিত্র।
তিতাস একটি নদীর নাম: অদ্বৈত মল্লবর্মণের ৪ খণ্ডের উপন্যাস; প্রকাশ— বাংলা ১৩৫২, ‘মোহাম্মদী’ পত্রিকায়। ধীবর সমাজের জীবনসংগ্রাম নিয়ে রচিত। প্রধান চরিত্র— বাসন্তী ও কিশোর। ঋত্বিক ঘটকের পরিচালনায় ১৯৭৩ সালে চলচ্চিত্রায়িত।
আব্দুল কাদের: মূলত কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক, ছান্দসিক ও সম্পাদক। কাব্যগ্রন্থ: দিলরুবা, উত্তর বসন্ত। প্রবন্ধগ্রন্থ: বাংলা কাব্যের ইতিহাস, কাজী আবদুল ওদুদ, কবি নজরুল, লোকায়ত সাহিত্য। উপন্যাস: নাম না জানা ভোর (১৯৬২)— ভাগ্যান্বেষী এক গ্রাম্য যুবকের শহুরে উচ্চবিত্ত শ্রেণিতে উত্তরণের কাহিনি।
আলাউদ্দিন আল আজাদ: শিক্ষাবিদ, কবি, কথাশিল্পী, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক ও গবেষক। কাব্যগ্রন্থ: মানচিত্র (১৯৬১), ভোরের নদীর মোহনায় জাগরণ (১৯৬২), লেলিহান পাণ্ডুলিপি (১৯৭৫), শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৮৭), সাজঘর (১৯৯০)।
কাজী ইমদাদুল হক: আবদুল্লাহ— উপন্যাস; ধারাবাহিকভাবে মোসলেম ভারত পত্রিকায় প্রকাশিত (১৯১৮ থেকে)। প্রধান চরিত্র: আবদুল্লাহ ও হালিমা। বিষয়: তৎকালীন বাঙালি মুসলমান সমাজের কুসংস্কার, গোঁড়ামি ও অজ্ঞতার চিত্র। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর উপন্যাসটির প্রশংসা করেন।
মীর মোশাররফ হোসেন: টালা অভিনয়— প্রহসন নাটক; ১৮৫৭ সালে ‘হাফেজ’ পত্রিকার মার্চ–এপ্রিল সংখ্যায় প্রকাশিত। অন্যান্য রচনা: তহমিনা, বেহুলা গীতাভিনয়, জমিদার দর্পণ, গাজী মিয়াঁর বস্তানী।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: ললিতা তথা মানস— আখ্যানকাব্য; প্রকাশিত ১৮৫৬ সালে। অন্যান্য রচনা: দীনবন্ধু মিত্রের জীবনী, বাঙ্গলা সাহিত্যে প্যারীচাঁদ মিত্রের স্থান, সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জীবনী।
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ: লালসালু— প্রথম ও বিখ্যাত উপন্যাস; প্রকাশিত ১৯৪৮ সালে। ধর্মব্যবসা ও শোষক শ্রেণির ভণ্ডামি তুলে ধরা হয়েছে। লালসালু: মজিদ মহব্বত নগরে এসে অজ্ঞাত ব্যক্তির কবরকে ‘মোদাচ্ছের পীরের মাজার’ হিসেবে প্রচার করে। ফরাসি অনুবাদ— L'Arbre sans racines (শিকড়বিহীন গাছ); ইংরেজি— Tree Without Roots। উপন্যাস: লালসালু (১৯৪৮), চাঁদের অমাবস্যা (১৯৬৪), কাঁদো নদী কাঁদো (১৯৬৮)। নাটক: বহিপীর (১৯৬০), উজানে মৃত্যু (১৯৬৩), সুড়ঙ্গ (১৯৬৪), তরঙ্গভঙ্গ (১৯৭১)।
সেলিম আল দীন: কেরামত মঙ্গল— নাটক; রচিত ১৯৮৬ সালে। অন্যান্য নাটক: জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন (১৯৭২), সংবাদ কার্টুন (১৯৭২), মুনতাসির ফ্যান্টাসী (১৯৭৬), শকুন্তলা (১৯৭৮), কীর্তনখোলা (১৯৮০), বাসন (১৯৮৫), চাকা (১৯৯১), যৈবতী কন্যার মন (১৯৯৩)।
শওকত ওসমান: রাজা উপাখ্যান— উপন্যাস; প্রকাশিত ১৯৭১ সালে। অন্যান্য উপন্যাস: জননী (১৯৫৮), ক্রীতদাসের হাসি (১৯৬২), সমাগম (১৯৬৭), চৌরসন্ধি (১৯৬৮), জাহান্নম হইতে বিদায় (১৯৭১), দুই সৈনিক (১৯৭৩)।