বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক

বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান

মোট ৮৮৬৮৮+ প্রশ্ন
বিষয় ও অধ্যায়সমূহ লোড হচ্ছে...
কোন বিষয় বা অধ্যায় খুঁজে পাওয়া যায়নি
কোন পরীক্ষা বা ট্যাগ পাওয়া যায়নি
সক্রিয় ফিল্টার:
সঠিক উত্তর 1 (গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অবস্থান)
ব্যাখ্যা:

"Strategic location" বা কৌশলগত অবস্থান বলতে এমন একটি বিশেষ ভৌগোলিক স্থান বা এলাকাকে বোঝায়, যা তার অবস্থানগত সুবিধার কারণে বাণিজ্য, সামরিক নিয়ন্ত্রণ, রাজনীতি বা ব্যবসার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ধরনের স্থান কোনো লক্ষ্য অর্জনে, প্রতিপক্ষের ওপর আধিপত্য বিস্তারে বা বিশেষ সুবিধা আদায়ে সাহায্য করে।

"Strategic location"-এর মূল বৈশিষ্ট্য ও অর্থ নিচে দেওয়া হলো: ভৌগোলিক সুবিধা: এটি এমন একটি স্থান যা যাতায়াত, যোগাযোগ বা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সহজতর করে। যেমন—বন্দর, নদী, পাহাড়ি পাস বা দুই অঞ্চলের সংযোগস্থল। সামরিক গুরুত্ব: সামরিক পরিভাষায়, একটি উঁচু স্থান, সরু পথ বা সীমান্ত এলাকা, যা প্রতিরক্ষাকে সহজ করে এবং আক্রমণকারীকে প্রতিহত করতে সাহায্য করে। ব্যবসায়িক গুরুত্ব: ব্যবসার ক্ষেত্রে এমন স্থান বোঝায় যেখানে গ্রাহকদের আনাগোনা বেশি, যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো, এবং কাঁচামাল বা পণ্য পরিবহন সহজ ও সাশ্রয়ী হয়। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব: রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক সুবিধা আদায়ের জন্য কোনো নির্দিষ্ট ভূখণ্ড (যেমন- ট্রানজিট সুবিধা)।

সহজ কথায়, কোনো ব্যক্তি, ব্যবসায় বা রাষ্ট্রের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য সবচেয়ে উপযোগী বা সুবিধাজনক ভৌগোলিক স্থানই হলো 'Strategic location'।

সঠিক উত্তর 3 (কার্ল মার্কস ও ফ্রেডরিখ এঙ্গেলস)
সঠিক উত্তর 1 (International Council on Monuments and Sites)
ব্যাখ্যা:

ICOMOS-এর পূর্ণরূপ হলো International Council on Monuments and Sites। বাংলায় একে "স্মৃতিস্তম্ভ এবং সাইট সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক কাউন্সিল" বলা হয়। মূল তথ্য: প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৫ সালে ভেনিস চার্টার (১৯৬৪) গ্রহণের পর এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

মূল লক্ষ্য: বিশ্বজুড়ে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য স্থান, স্মৃতিস্তম্ভ এবং সাইটগুলোর সংরক্ষণ ও সুরক্ষা নিয়ে কাজ করা। ভূমিকা: এটি ইউনেস্কো (UNESCO)-র বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির একটি উপদেষ্টা সংস্থা হিসেবে কাজ করে।

সঠিক উত্তর 1 (নরম্যান বোরলাগ)
ব্যাখ্যা:

বিশ্বে 'সবুজ বিপ্লবের' (Green Revolution) জনক বলা হয় আমেরিকান কৃষিবিজ্ঞানী নরম্যান বোরলাগকে (Norman Borlaug) ।

উচ্চফলনশীল গমের জাত উদ্ভাবন এবং তা মেক্সিকো, পাকিস্তান ও ভারতে ছড়িয়ে দিয়ে বিশ্বজুড়ে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও কোটি কোটি মানুষের প্রাণ বাঁচানোর জন্য তাকে ১৯৭০ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয় সবুজ বিপ্লবের জনকের সম্পর্কে মূল তথ্য: পুরো নাম: নরম্যান আর্নেস্ট বোরলাগ । অবদান: রোগ-প্রতিরোধী ও উচ্চফলনশীল বামন গমের জাত উদ্ভাবন। পুরস্কার: ১৯৭০ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী । বিশেষত্ব: তাকে আধুনিক কৃষির অন্যতম স্থপতি হিসেবে গণ্য করা হয় । দ্রষ্টব্য: ভারতে সবুজ বিপ্লবের জনক বলা হয় ড. এম. এস. স্বামীনাথনকে ।

সঠিক উত্তর 1 (যুক্তরাষ্ট্র)
ব্যাখ্যা:

'টু বিগ টু ফেইল' (Too Big to Fail) নীতিটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের (USA) সাথে সম্পৃক্ত।

প্রেক্ষাপট: এই নীতি অনুযায়ী, কোনো বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা ব্যাংক যদি দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়, তবে দেউলিয়া হওয়ার ঝুঁকিতে থাকলেও সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক (যেমন- যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ) সেটিকে ব্যর্থ হতে দেয় না বা বেলআউট (অর্থনৈতিক সহায়তা) দেয়।

উৎস: এটি ২০০৮ সালের বিশ্বব্যাপী আর্থিক সংকটের সময় ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছিল, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে রক্ষায়। মূল পয়েন্ট: দেশ: যুক্তরাষ্ট্র। অর্থ: "ব্যর্থ হওয়ার জন্য খুব বড়" বা "ধসে পড়ার জন্য বড় বেশি বড়"।

সঠিক উত্তর 2 (সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল)
ব্যাখ্যা:

ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নীতিনির্ধারণী সংস্থার নাম সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ (Supreme National Security Council - SNSC)। এই সংস্থা সম্পর্কে কিছু তথ্য: ফার্সি নাম: شورای عالی امنیت ملی (শোরায়ে আলিয়া আমনিয়াতে মেলি)।

মূল কাজ: জাতীয় স্বার্থ, ইসলামী বিপ্লব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং দেশের জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও সমর্থন করা। গঠন: এটি ১৯৮৯ সালের সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। প্রধান: এই পরিষদের প্রধান হলেন রাষ্ট্রপতির দ্বারা নিযুক্ত একজন সচিব। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী (মার্চ ২০২৬), রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (IRGC) সাবেক কমান্ডার বাকের জোলকাদর (Bagher Zolqadr) এই পরিষদের নতুন প্রধান বা সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।

সঠিক উত্তর 1 (তুরস্ক)
ব্যাখ্যা:

'ডিপ স্টেট' (Deep State) বা 'গুপ্তরাষ্ট্র' ধারণাটি সর্বপ্রথম তুরস্কের (Turkey) রাজনৈতিক ব্যবস্থায় উদ্ভূত হয়েছিল। মূল তথ্যসমূহ: তুর্কি উৎপত্তি: ধারণাটি তুর্কি শব্দবন্ধ "derin devlet" (ডেরিন ডেভলেট) থেকে এসেছে, যার অর্থ "গভীর রাষ্ট্র" বা "অন্তঃরাষ্ট্র"।

সময়কাল: ১৯৯০-এর দশকে তুরস্কের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং কূর্দি বিদ্রোহ দমনের প্রেক্ষাপটে এই ধারণাটি প্রথম প্রকাশ্যে আসে। সংজ্ঞা: তুরস্কে এটি মূলত নির্বাচিত সরকারের সমান্তরালে পরিচালিত সামরিক, গোয়েন্দা, আমলাতন্ত্র এবং কিছু ক্ষেত্রে সংগঠিত অপরাধী চক্রের একটি গোপন নেটওয়ার্ককে বোঝাতে ব্যবহৃত হতো, যা রাষ্ট্রের নীতি নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রণে প্রভাব বিস্তার করত। মূল লক্ষ্য: এই অদৃশ্য শক্তির মূল লক্ষ্য ছিল তুর্কি রাষ্ট্রের ধর্মনিরপেক্ষতা বা রাষ্ট্রীয় আদর্শ রক্ষা করা। যদিও বর্তমান সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের প্রেক্ষাপটে 'ডিপ স্টেট' শব্দটি ব্যবহার করা হয়, কিন্তু এর ঐতিহাসিক ও আভিধানিক উৎপত্তি তুরস্কেই।

সঠিক উত্তর 1 (এক-তৃতীয়াংশ)
ব্যাখ্যা:

বিশ্বের সার তৈরির কাঁচামাল এবং উৎপাদিত সারের একটি বড় অংশ হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী এই তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো: সামগ্রিক সার ও কাঁচামাল: বিশ্বের মোট সামুদ্রিক সার বাণিজ্যের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ (প্রায় ৩০-৩৪%) হরমুজ প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়।

সুনির্দিষ্ট উপাদান: পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে বিশ্বের মোট সামুদ্রিক ইউরিয়া রপ্তানির প্রায় ৩৫%-৪৩%, অ্যামোনিয়া রপ্তানির ২৫%-৩০% এবং সালফারের প্রায় ৪৫%-৫০% এই রুট দিয়ে যায়। সার তৈরির গ্যাস: সার তৈরির মূল উপাদান—প্রাকৃতিক গ্যাস ও এলএনজি (LNG) এর প্রায় ২০% এই প্রণালী দিয়ে পরিবহণ করা হয়। সংক্ষেপে, সার ও সারের কাঁচামাল বাণিজ্যের ১/৩ অংশ হরমুজ প্রণালীর ওপর নির্ভরশীল। এটি বন্ধ থাকলে বিশ্বজুড়ে সারের সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে এবং খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

সঠিক উত্তর ক (আরসেনিও ডোমিঙ্গেজ)
ব্যাখ্যা:

আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (IMO) বর্তমান মহাসচিব হলেন পানামার আর্সেনিও ডোমিঙ্গেজ (Arsenio Dominguez) । তিনি ১ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং চার বছরের মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন ।

এর আগে কিটাক লিম (Kitack Lim) এই পদে দায়িত্ব পালন করেছেন । মহাসচিব: আর্সেনিও অ্যান্টোনিও ডোমিঙ্গেজ ভেলাসকো । মেয়াদ: ১ জানুয়ারি ২০২৪ - ২০২৭ (৪ বছরের জন্য) । সদর দপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য ।

সঠিক উত্তর 1 (আব্বাস আরাগচি)
সঠিক উত্তর ক (২১.২%)
ব্যাখ্যা:

বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ (২০২৫-২৬ সালের প্রক্ষেপণ) তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার বেড়ে ২১.৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে । উচ্চ মূল্যস্ফীতি এবং অর্থনৈতিক ধীরগতির কারণে দারিদ্র্যের এই হার বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা ২০২২ সালে ছিল ১৮.৭ শতাংশ । এর ফলে দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখে উন্নীত হয়েছে । দারিদ্র্য পরিস্থিতির মূল দিকগুলো: দারিদ্র্যের হার (২০২৫-২৬): ২১.৪% ।

দারিদ্র্যের হার (২০২৪): ২০.৫% । দরিদ্র মানুষের সংখ্যা: প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ । উন্নয়ন প্রবণতা: ২০২২ সালের ১৮.৭% থেকে ধারাবাহিকভাবে বেড়ে এই হার ২১ শতাংশ ছাড়িয়েছে । মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ দরিদ্র হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে ।

- বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে (২০২৫ ... Apr 8, 2026 — বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে (২০২৫) দারিদ্র্যের হার ২১ দশমিক ৪ শতাংশ। ২০২২ সালে এ হার ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে এ বছর বাংলাদেশে দরিদ্র মানুষ বাড়বে ১২ ... Apr 8, 2026 — বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উচ্চ মূল্যস্ফীতিসহ নানা কারণে দারিদ্র্য বাড়ছে। ২০২২ সালে দারিদ্র্যের হার ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাং... দেশে দরিদ্র ৩ কোটি ৬০ লাখ - প্রথম আলো Nov 26, 2025 — বিশ্বব্যাংক বলছে, দেশে চার বছর ধরে দারিদ্র্যের হার বাড়ছে। সংস্থাটির অনুমিত হিসাব, ২০২৫ সালে দারিদ্র্যের হার হতে পারে ২১ শতাংশের ক...

সঠিক উত্তর 2 (৩৭টি)
ব্যাখ্যা:

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে অনুমোদিত বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সংখ্যা ৫৫টি, যার মধ্যে বর্তমানে ৩৭টি চ্যানেল পূর্ণাঙ্গভাবে সম্প্রচারে রয়েছে ।

তথ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এর বাইরে ১৪-১৬টি চ্যানেল সম্প্রচারের প্রস্তুতি পর্যায়ে বা বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে । মোট অনুমোদিত বেসরকারি চ্যানেল: ৫৫টি । সক্রিয়/সম্প্রচারে থাকা চ্যানেল: ৩৭টি । সর্বশেষ সংযোজন: নেক্সট টিভি ও লাইভ টিভি । এছাড়াও, সরকারি টিভি চ্যানেল (বিটিভি, বিটিভি চট্টগ্রাম, সংসদ টিভি) ৪টি ।

সঠিক উত্তর 2 (৫৬–৫৮%)
ব্যাখ্যা:

'সানেম' (SANEM) এবং অন্যান্য সাম্প্রতিক তথ্য ও গবেষণা (যেমন ইউএনএফপিএ) অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ বা প্রায় ৬২ শতাংশ থেকে ৬৫ শতাংশ মানুষ কর্মক্ষম (১৫-৬৪ বছর বয়সী)।

এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য: জনসংখ্যা ও কর্মক্ষম হার: ২০২৫ সালের তথ্যমতে, বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি ৫৭ লাখ, যার মধ্যে প্রায় ১১ কোটি ৪২ লাখ থেকে ১১ কোটি ৫১ লাখ মানুষ কর্মক্ষম। তরুণ জনগোষ্ঠী: মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৮ শতাংশ তরুণ, যাদের বয়স ২৪ বছরের নিচে। কর্মসংস্থানের হার: কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর প্রবৃদ্ধির গড় হার ১.৫ শতাংশ হলেও, কর্মসংস্থান বৃদ্ধির হার মাত্র ০.২ শতাংশ। বিশেষজ্ঞরা একে 'ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড' বা জনমিতির লভ্যাংশ হিসেবে উল্লেখ করেন, যা কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের সুযোগ রয়েছে।

সঠিক উত্তর 2 (৫ মিলিমিটারের কম)
ব্যাখ্যা:

'মাইক্রোপ্লাস্টিক' বলতে সাধারণত ৫ মিলিমিটার (৫ মিমি) বা তার চেয়ে ছোট আকারের প্লাস্টিক কণাকে বোঝানো হয়। এই ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা সম্পর্কে মূল বিষয়গুলো নিচে দেওয়া হলো: আকার: এগুলোর দৈর্ঘ্য বা ব্যাস ৫ মিলিমিটারের কম (অনেক সময় ১ মাইক্রোমিটার থেকে ৫ মিলিমিটার পর্যন্ত) হয়ে থাকে।

প্রকারভেদ: প্রাথমিক (Primary) মাইক্রোপ্লাস্টিক: শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত ক্ষুদ্র প্লাস্টিক পেলেট (নর্ডলস), প্রসাধনীতে ব্যবহৃত মাইক্রোবিডস বা সিন্থেটিক কাপড়ের তন্তু (মাইক্রোফাইবার), যা ৫ মিমি বা তার কম আকারেই তৈরি করা হয়। মাধ্যমিক (Secondary) মাইক্রোপ্লাস্টিক: বড় প্লাস্টিক বর্জ্য (যেমন- বোতল, ব্যাগ) পরিবেশের প্রভাব (সূর্যালোক, ঢেউ) বা ভাঙনের ফলে ছোট হয়ে ৫ মিমি-এর চেয়ে কম আকারের কণা তৈরি করে। অবস্থান: এগুলো মাটি, পানি, বায়ু এবং খাদ্য শৃঙ্খলে এমনকি মানুষের রক্তেও পাওয়া গেছে। ১ মাইক্রোমিটারের চেয়ে ছোট প্লাস্টিক কণাগুলোকে ন্যানোপ্লাস্টিক বলা হয়, যা মাইক্রোপ্লাস্টিকের একটি উপবিভাগ।

সঠিক উত্তর 2 (৩২টি)
ব্যাখ্যা:

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) থেকে 'জিএসপি প্লাস' (GSP+) সুবিধা পেতে বাংলাদেশকে মানবাধিকার, শ্রম অধিকার, পরিবেশ সুরক্ষা এবং সুশাসন সংক্রান্ত মোট ৩২টি আন্তর্জাতিক কনভেনশন বা চুক্তি পরিপালন ও কার্যকর করতে হবে মূল তথ্য: মোট শর্ত: ৩২টি আন্তর্জাতিক কনভেনশন (মানবাধিকার, শ্রম, পরিবেশ ও সুশাসন সম্পর্কিত) ।

উত্তরণের পর: ২০২৯ সালের পর এলডিসি (LDC) থেকে উত্তরণের পর এই শর্তগুলো বাধ্যতামূলক হবে । প্রধান ক্ষেত্র: শ্রম আইন সংশোধন, মানবাধিকার রক্ষা এবং পরিবেশ সুরক্ষার মানদণ্ড নিশ্চিত করা । বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই বেশিরভাগ কনভেনশনে স্বাক্ষর করেছে, তবে এগুলোর পূর্ণ বাস্তবায়নই প্রধান চ্যালেঞ্জ ।

সঠিক উত্তর 2 (৫৪%)
ব্যাখ্যা:

বাংলাদেশের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৫৫ শতাংশ (বা ৫৪-৫৫%) বোরো মৌসুমে উৎপাদিত হয়, যা দেশের একক বৃহত্তম ধান উৎপাদনকারী মৌসুম ।

বোরো ধান: উৎপাদন ও জমির পরিমাণের দিক থেকে এটি শীর্ষস্থানীয়। আমন ধান: দ্বিতীয় প্রধান মৌসুম (প্রায় ৩৯%) । আউশ ধান: তৃতীয় ও সর্বনিম্ন উৎপাদনের মৌসুম (প্রায় ৭%) । আধুনিক সেচ ব্যবস্থা ও উচ্চফলনশীল জাতের কারণে দেশের খাদ্যনিরাপত্তায় বোরো ধান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে

সঠিক উত্তর 2 (২০০৭ সালে)
ব্যাখ্যা:

আফগানিস্তান ২০০৭ সালের ৩ এপ্রিল সার্ক (SAARC)-এর অষ্টম সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেয় । নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত সার্কের ১৪তম শীর্ষ সম্মেলনে আফগানিস্তান এই সদস্যপদ লাভ করে ।

সংযুক্তি: ২০০৭ সালের পূর্বে সার্কের সদস্য ছিল ৭টি দেশ। সম্মেলন: ১৪তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন। সদস্যপদ: এপ্রিল ২০০৭ ।

সঠিক উত্তর 2 (মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে)
ব্যাখ্যা:

চকপিউ (Kyaukphyu) এবং সিতওয়ে (Sittwe) বন্দর দুটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে অবস্থিত। এদের অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো: সিতওয়ে বন্দর (Sittwe Port): এটি বঙ্গোপসাগরের উপকূলে এবং কালাদান নদীর মোহনায় অবস্থিত মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রাজধানী।

এটি ভারতের অর্থায়নে নির্মিত একটি গুরুত্বপূর্ণ গভীর সমুদ্র বন্দর, যা ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাথে সরাসরি বাণিজ্য সংযোগ স্থাপন করে। চকপিউ বন্দর (Kyaukphyu Port): এটিও মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ গভীর সমুদ্র বন্দর। এটি বঙ্গোপসাগরের উপকূলে রামরী দ্বীপে অবস্থিত এবং চীনের 'বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ' (BRI) প্রকল্পের আওতায় নির্মিত একটি কৌশলগত বন্দর। দুটি বন্দরই বঙ্গোপসাগরের তীরে মিয়ানমারের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত এবং কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সঠিক উত্তর 1 (আন্তোনিও গুতেরেস)
ব্যাখ্যা:
এই বছর (২০২৬) জাতিসংঘের দশম মহাসচিব নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচিত মহাসচিব ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন এবং তার মেয়াদ হবে ৫ বছর। বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি। সূত্রঃ কালের কণ্ঠ
সঠিক উত্তর 2 (১৪টি)
ব্যাখ্যা:
মার্কিন অর্থ দফতরের ‘অফিস অফ ফরেন অ্যাসেটস কন্ট্রোল’ বা ওফাক জানিয়েছে, তারা ইরান, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত মোট ১৪ ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং উড়োজাহাজের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।ইরান সরকারের হয়ে অস্ত্র বা অস্ত্রের সরঞ্জাম সংগ্রহের কাজ এবং সেগুলো পরিবহনে ভূমিকা রাখার দায়ে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সূত্রঃ নয়া দিগন্ত
সঠিক উত্তর 2 (৭ হাজার ১০০ কোটি ডলারেরও বেশি)
ব্যাখ্যা:
ইসরায়েলি ধ্বংসযজ্ঞ থেকে গাজার পুনরুদ্ধার ও পুনর্গঠনের জন্য আগামী ১০ বছরে ৭ হাজার ১০০ কোটি ডলারেরও বেশি প্রয়োজন হবে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও জাতিসংঘের ‘গাজা র‌্যাপিড ড্যামেজ অ্যান্ড নিডস অ্যাসেসমেন্ট (আরডিএনএ)’ যৌথ প্রতিবেদনে এ তথ্য দেয়া হয়েছে। সূত্রঃ বণিক বার্তা
সঠিক উত্তর 2 (মধ্যপ্রাচ্য)
ব্যাখ্যা:
এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানির ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুদ্ধ থেমে গেলেও তেল-গ্যাস উৎপাদন স্বাভাবিক হতে কয়েক বছর লাগতে পারে। জাতিসংঘের মতে, সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে এ অঞ্চলে প্রায় ৮৮ লাখ মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে পড়বে। সূত্রঃ বণিক বার্তা
প্যাকেজ প্রয়োজন