বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
২০২৬ সালের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশে এলপিজি (LPG) আমদানিতে শীর্ষে রয়েছে মেঘনা ফ্রেশ এলপিজি লিমিটেড (Meghna Fresh LPG Ltd) মেঘনা গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজের এই প্রতিষ্ঠানটি এলপিজি আমদানির পরিমাণ বৃদ্ধি করে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে ।
অন্যান্য উল্লেখযোগ্য আমদানিকারক: ওমেরা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড (Omera Petroleum): একসময়ের শীর্ষস্থানীয় ও বর্তমানে অন্যতম শীর্ষ আমদানিকারক । যমুনা স্পেকটেক জয়েন্ট ভেঞ্চার লিমিটেড (Jamuna Spacetech): শীর্ষ আমদানিকারকদের অন্যতম । পেট্রোম্যাক্স এলপিজি (Petromax LPG): তালিকার অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশে ব্যবহৃত এলপিজির প্রায় ৯৫ শতাংশই আমদানি করতে হয়, যা মূলত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণ করে ।
‘Wolf Warrior’ (নেকড়ে যোদ্ধা) কূটনীতি চীনের (গণপ্রজাতন্ত্রী চীন) সঙ্গে সম্পর্কিত । এটি চীনের কূটনীতিকদের একটি আক্রমণাত্মক ও দ্বন্দ্বমূলক বৈদেশিক নীতি, যা ২০১০-এর দশকের শেষের দিকে এবং ২০২০-এর দশকের শুরুতে দৃশ্যমান হয়। ‘Wolf Warrior’ কূটনীতি সম্পর্কে মূল তথ্য: সংজ্ঞা: চীনের স্বার্থের বিরুদ্ধে কোনো সমালোচনা বা মন্তব্য আসলে চীনের কূটনীতিকরা আগের রক্ষণাত্মক অবস্থান ছেড়ে সরাসরি ও আক্রমণাত্মকভাবে তার প্রতিবাদ বা নিন্দা জানান । নামকরণ: এটি চীনা অ্যাকশন চলচ্চিত্র 'উলফ ওয়ারিয়র' (২০১৫) এবং এর সিক্যুয়েল (২০১৭) থেকে এসেছে। উদ্দেশ্য: বিশ্বমঞ্চে চীনের উত্থান এবং পশ্চিমা সমালোচনার জবাব দিতে এই আগ্রাসী শৈলী গ্রহণ করা হয়, যা শি জিনপিংয়ের সময়ে বৃদ্ধি পায় । উদাহরণ: যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং জাপানের মতো দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কে এই ধরণের কূটনীতির প্রভাব দেখা গেছে । দ্রষ্টব্য: এই শৈলীটি প্রথাগত 'পান্ডা কূটনীতি' বা বন্ধুত্বের সম্পর্কের বিপরীত ।
ইরানের ‘Energy Capital’ বা জ্বালানি রাজধানী হিসেবে পরিচিত শহরটি হলো আসালুইয়েহ কারণ: আসালুইয়েহ পারস্য উপসাগরের উপকূলে অবস্থিত এবং এটি বিশাল সাউথ পার্স (South Pars) গ্যাস ক্ষেত্রের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। ইরানের তেল ও গ্যাস শিল্পের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে একে গণ্য করা হয়। এটি বুশেহর প্রদেশে অবস্থিত।
এছাড়াও, বুশেহর শহরকেও অনেক সময় ইরানের ‘Energy Capital’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়ে থাকে, কারণ এখানে ইরানের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি অবস্থিত। তবে খনিজ গ্যাস ও তেল উৎপাদনের দিক থেকে আসালুইয়েহ প্রধান।
ম্যাগেলান প্রণালি আটলান্টিক মহাসাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে । এটি দক্ষিণ আমেরিকার মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণ প্রান্ত এবং তিয়ের্রা দেল ফুয়েগো দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত একটি নাব্য প্রাকৃতিক জলপথ ।
চিলির আঞ্চলিক জলসীমার অন্তর্গত এই প্রণালিটি পানামা খাল নির্মাণের পূর্বে দুই মহাসাগরের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং বিপজ্জনক রুট হিসেবে পরিচিত ছিল
সিলভার ইকোনমি (Silver Economy) ধারণাটি মূলত ৫০ বা ৬০ বছরোর্ধ্ব বয়স্ক জনগোষ্ঠীর চাহিদা, পণ্য ও সেবাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত ।
এটি বার্ধক্যজনিত চাহিদার ওপর ভিত্তি করে স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন, পর্যটন, প্রযুক্তি এবং আর্থিক সেবার মতো বিভিন্ন শিল্পে সৃষ্ট নতুন বাজার ও কর্মসংস্থানের সুযোগকে বোঝায় । মূল বিষয়গুলো নিচে দেওয়া হলো: লক্ষ্য: প্রবীণ বা বয়স্ক জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এবং তাদের অভিজ্ঞতাকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে কাজে লাগানো ।
পরিধি: স্বাস্থ্যসেবা (Gerontotechnology), অবসরকালীন ভ্রমণ, উপযোগী আবাসন, এবং প্রবীণদের জন্য বিশেষায়িত প্রযুক্তি বা ডিজিটাল সেবা এর অন্তর্ভুক্ত [৯]। প্রাসঙ্গিকতা: বিশ্বের জনসংখ্যা দ্রুত বয়স্ক হচ্ছে, তাই প্রবীণদের কেনাকাটার ক্ষমতা বা ক্রয়ক্ষমতাকে পুঁজি করে এই অর্থনৈতিক খাতটি (Silver Economy) দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে [১০]। সহজ কথায়, প্রবীণ নাগরিকদের চাহিদা মেটাতে এবং তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে সক্রিয় রাখতে যে বাজার বা অর্থনীতি গড়ে ওঠে, তাই সিলভার ইকোনমি
ইমাম খোমেনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ইরানে অবস্থিত । এটি ইরানের রাজধানী তেহরানের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, যা শহরটির কেন্দ্র থেকে প্রায় ৩০-৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত ।
এই বিমানবন্দরটি মূলত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করে । প্রধান তথ্যাবলী: দেশ: ইরান শহর: তেহরান আইএটিএ (IATA) কোড: IKA পরিচালনা: ইমাম খোমেনি বিমানবন্দর সিটি কোম্পানি (IKAC)
কফি উৎপাদনে ভারত বিশ্বের সপ্তম (৭ম) বৃহত্তম দেশ [। ভারত বৈশ্বিক কফি উৎপাদনের প্রায় ৩.৫% থেকে ৪.৫% উৎপাদন করে । ভারতে উৎপাদিত কফির প্রায় ৭০% বা তার বেশি বিদেশে রপ্তানি করা হয় । মূল তথ্য: অবস্থান: বিশ্বে ৭ম ।
প্রধান রাজ্য: কর্ণাটক (ভারতে মোট কফির প্রায় ৭১%), কেরালা এবং তামিলনাড়ু । ধরণ: ভারতে মূলত রোবাস্টা (Robusta) কফি বেশি উৎপাদিত হয়, যা মোট উৎপাদনের প্রায় ৭২% রপ্তানি: ভারত মূলত ইতালি, জার্মানি, রাশিয়া এবং বেলজিয়ামের মতো দেশে কফি রপ্তানি করে । ভারতে কফির
"Strategic location" বা কৌশলগত অবস্থান বলতে এমন একটি বিশেষ ভৌগোলিক স্থান বা এলাকাকে বোঝায়, যা তার অবস্থানগত সুবিধার কারণে বাণিজ্য, সামরিক নিয়ন্ত্রণ, রাজনীতি বা ব্যবসার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ধরনের স্থান কোনো লক্ষ্য অর্জনে, প্রতিপক্ষের ওপর আধিপত্য বিস্তারে বা বিশেষ সুবিধা আদায়ে সাহায্য করে।
"Strategic location"-এর মূল বৈশিষ্ট্য ও অর্থ নিচে দেওয়া হলো: ভৌগোলিক সুবিধা: এটি এমন একটি স্থান যা যাতায়াত, যোগাযোগ বা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সহজতর করে। যেমন—বন্দর, নদী, পাহাড়ি পাস বা দুই অঞ্চলের সংযোগস্থল। সামরিক গুরুত্ব: সামরিক পরিভাষায়, একটি উঁচু স্থান, সরু পথ বা সীমান্ত এলাকা, যা প্রতিরক্ষাকে সহজ করে এবং আক্রমণকারীকে প্রতিহত করতে সাহায্য করে। ব্যবসায়িক গুরুত্ব: ব্যবসার ক্ষেত্রে এমন স্থান বোঝায় যেখানে গ্রাহকদের আনাগোনা বেশি, যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো, এবং কাঁচামাল বা পণ্য পরিবহন সহজ ও সাশ্রয়ী হয়। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব: রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক সুবিধা আদায়ের জন্য কোনো নির্দিষ্ট ভূখণ্ড (যেমন- ট্রানজিট সুবিধা)।
সহজ কথায়, কোনো ব্যক্তি, ব্যবসায় বা রাষ্ট্রের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য সবচেয়ে উপযোগী বা সুবিধাজনক ভৌগোলিক স্থানই হলো 'Strategic location'।
ICOMOS-এর পূর্ণরূপ হলো International Council on Monuments and Sites। বাংলায় একে "স্মৃতিস্তম্ভ এবং সাইট সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক কাউন্সিল" বলা হয়। মূল তথ্য: প্রতিষ্ঠা: ১৯৬৫ সালে ভেনিস চার্টার (১৯৬৪) গ্রহণের পর এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
মূল লক্ষ্য: বিশ্বজুড়ে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য স্থান, স্মৃতিস্তম্ভ এবং সাইটগুলোর সংরক্ষণ ও সুরক্ষা নিয়ে কাজ করা। ভূমিকা: এটি ইউনেস্কো (UNESCO)-র বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির একটি উপদেষ্টা সংস্থা হিসেবে কাজ করে।
বিশ্বে 'সবুজ বিপ্লবের' (Green Revolution) জনক বলা হয় আমেরিকান কৃষিবিজ্ঞানী নরম্যান বোরলাগকে (Norman Borlaug) ।
উচ্চফলনশীল গমের জাত উদ্ভাবন এবং তা মেক্সিকো, পাকিস্তান ও ভারতে ছড়িয়ে দিয়ে বিশ্বজুড়ে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও কোটি কোটি মানুষের প্রাণ বাঁচানোর জন্য তাকে ১৯৭০ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয় সবুজ বিপ্লবের জনকের সম্পর্কে মূল তথ্য: পুরো নাম: নরম্যান আর্নেস্ট বোরলাগ । অবদান: রোগ-প্রতিরোধী ও উচ্চফলনশীল বামন গমের জাত উদ্ভাবন। পুরস্কার: ১৯৭০ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী । বিশেষত্ব: তাকে আধুনিক কৃষির অন্যতম স্থপতি হিসেবে গণ্য করা হয় । দ্রষ্টব্য: ভারতে সবুজ বিপ্লবের জনক বলা হয় ড. এম. এস. স্বামীনাথনকে ।