বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক

বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান

মোট ৮৮৬১৯+ প্রশ্ন
বিষয় ও অধ্যায়সমূহ লোড হচ্ছে...
কোন বিষয় বা অধ্যায় খুঁজে পাওয়া যায়নি
কোন পরীক্ষা বা ট্যাগ পাওয়া যায়নি
সক্রিয় ফিল্টার:
সঠিক উত্তর 1 (ইসরায়েল)
ব্যাখ্যা:

সম্প্রতি সোমালিয়া থেকে পৃথক হতে চাওয়া সোমালিল্যান্ডে (Somaliland) দূত বা কূটনৈতিক প্রতিনিধি নিয়োগ দিয়েছে ইসরায়েল। মূল তথ্য: দূত নিয়োগকারী দেশ: ইসরায়েল ১৫ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে সোমালিল্যান্ডে তাদের প্রথম অনাবাসিক রাষ্ট্রদূত (Non-resident Ambassador) হিসেবে মাইকেল লোটেমকে (Michael Lotem) নিয়োগ দেয়।

প্রেক্ষাপট: এই পদক্ষেপটি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ইসরায়েল কর্তৃক সোমালিল্যান্ডকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর নেওয়া হয়েছে। বিরোধিতা: সোমালিয়া এই পদক্ষেপকে তাদের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং বাংলাদেশ, পাকিস্তান, সৌদি আরব, মিশর, তুরস্কসহ বেশ কয়েকটি মুসলিম দেশ ও ওআইসি (OIC) এই নিয়োগের নিন্দা জানিয়েছে। সোমালিল্যান্ড ১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে নিজেদের স্বাধীন ঘোষণা করলেও, ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত নয়। ইসরায়েলই প্রথম দেশ হিসেবে এই অঞ্চলটিকে স্বীকৃতি দিয়েছে।

সঠিক উত্তর 2 (যুক্তরাষ্ট্র)
ব্যাখ্যা:

বর্তমানে শীর্ষ কয়লা রপ্তানিরকারক দেশ-অস্ট্রেলিয়া

২০২৪-২০২৫ সালের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সম্মিলিতভাবে জীবাশ্ম জ্বালানি (তেল, গ্যাস ও কয়লা) উৎপাদনকারী বিশ্বের শীর্ষ দেশ হলো যুক্তরাষ্ট্র। মূল তথ্য: তেল ও গ্যাস: যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের বৃহত্তম তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনকারী। ২০২৪ সালে দেশটি বৈশ্বিক গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-চতুর্থাংশ উৎপাদন করেছে। কয়লা: কয়লা উৎপাদনে চীন বিশ্বে প্রথম স্থানে থাকলেও, সামগ্রিক জীবাশ্ম জ্বালানি (তেল+গ্যাস+কয়লা) উৎপাদনের হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। সার্বিক অবস্থান: বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে তেল ও গ্যাসের রেকর্ডের কারণে যুক্তরাষ্ট্রকে বর্তমানে শীর্ষ জীবাশ্ম জ্বালানি উৎপাদক হিসেবে ধরা হয়, যার পেছনে রাশিয়া ও চীনও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সংক্ষেপে, জীবাশ্ম জ্বালানির সমন্বিত উৎপাদনে যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে এক নম্বরে অবস্থান করছে।

সঠিক উত্তর ক (সান্তা মার্তা, কলম্বিয়া)
ব্যাখ্যা:

জীবাশ্ম জ্বালানি পর্যায়ক্রমে বন্ধে বিশ্বের প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলন-২০২৬ কলম্বিয়ার সান্তা মার্তা (Santa Marta) শহরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সম্মেলন সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: স্থান: সান্তা মার্তা, কলম্বিয়া। তারিখ: ২৪ থেকে ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ (মূল বৈঠক ২৮-২৯ এপ্রিল)।

আয়োজক: কলম্বিয়া এবং নেদারল্যান্ডস যৌথভাবে এই সম্মেলনের আয়োজন করছে। উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার ধাপে ধাপে বন্ধ করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক জোট গঠন এবং টেকসই জ্বালানি রূপান্তর নিশ্চিত করা। অংশগ্রহণকারী: ৫০টিরও বেশি দেশ এই সম্মেলনে অংশ নিতে যাচ্ছে। এই সম্মেলনটি জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে আসার বৈশ্বিক প্রচেষ্টায় একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।

সঠিক উত্তর 1 (১৮৭৬ সালে)
ব্যাখ্যা:

বগুড়া পৌরসভা ১৮৭৬ সালের ১ জুলাই কার্যক্রম শুরু করেছিল ।

এটি ব্রিটিশ শাসনামলে প্রতিষ্ঠিত উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রাচীন একটি স্থানীয় সরকার সংস্থা । পরবর্তীতে ২০২৪-২০২৫ সালে এটি সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

সঠিক উত্তর 2 (জিরো গ্রাভিটি ইন্ডিকেটর হিসেবে)
ব্যাখ্যা:

নাসার 'আর্টেমিস-২' (Artemis II) মিশনে নভোচারীদের সাথে থাকা পুতুলটির নাম ছিল 'রাইজ' (Rise)। এটি ৮ বছর বয়সী লুকাস ইয়ে (Lucas Ye)-এর ডিজাইন করা একটি পুতুল।

মিশনে পুতুলটির মূল কাজ ও তাৎপর্য নিচে দেওয়া হলো: জিরো-গ্রাভিটি ইন্ডিকেটর (Zero-Gravity Indicator): এটি ছিল মিশনের প্রধান কাজ। মহাকাশযানটি যখন পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ বলের বাইরে গিয়ে ভরশূন্য বা জিরো-গ্রাভিটি জোনে প্রবেশ করে, তখন এই পুতুলটি ভেসে ওঠে। এটি দেখে নভোচারীরা নিশ্চিত হন যে তারা জিরো-গ্রাভিটিতে পৌঁছে গেছেন। ভিসুয়াল সিগন্যাল: এটি নভোচারীদের জন্য একটি দৃশ্যমান সংকেত হিসেবে কাজ করেছে। মহাকাশ অভিযানের প্রতীক: এটি ৮ বছর বয়সী এক শিশুর তৈরি, যা নতুন প্রজন্মের কাছে মহাকাশ গবেষণার স্বপ্নের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া, এই পুতুলটি 'আর্টেমিস' মিশন এবং চাঁদের মাটির প্রথম পায়ের ছাপের (অ্যাপোলো মিশন) কথা মনে করিয়ে দেয়।

সঠিক উত্তর 2 (গভীর মহাকাশের বিকিরণ)
ব্যাখ্যা:

নাসার (NASA) 'আর্টেমিস-২' (Artemis II) মিশনের অন্যতম প্রধান বৈজ্ঞানিক ও কৌশলগত লক্ষ্য ছিল ওরিয়ন মহাকাশযানের (Orion spacecraft) লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম বা জীবন রক্ষা ব্যবস্থা পরীক্ষা করা এবং গভীর মহাকাশে মানুষের টিকে থাকার সক্ষমতা যাচাই করা।

এই মিশনের প্রধান বৈজ্ঞানিক ও অপারেশনাল দিকগুলো নিচে দেওয়া হলো: মানববাহী সক্ষমতা পরীক্ষা: ১৯৭২ সালের পর প্রথমবার মানুষের সরাসরি তত্ত্বাবধানে চাঁদের কক্ষপথে ভ্রমণ এবং ফিরে আসার প্রযুক্তি (SLS রকেট ও ওরিয়ন ক্যাপসুল) নিখুঁতভাবে পরীক্ষা করা। চাঁদের দূরবর্তী অংশের পর্যবেক্ষণ: নভোচারীরা চাঁদের দূরবর্তী অংশ (Far side of the Moon) প্রত্যক্ষভাবে পর্যবেক্ষণ, ছবি ও ভিডিও ধারণ করেছেন, যা আগের মিশনগুলোতে মানুষ সরাসরি দেখেনি। ভবিষ্যতের প্রস্ততি: চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে স্থায়ী ঘাঁটি গড়া এবং ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানব অভিযানের পথ প্রশস্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা। মহাকাশে মানবদেহের উপর প্রভাব: গভীর মহাকাশে রেডিয়েশন বা বিকিরণের প্রভাব এবং নভোচারীদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার উপর গবেষণার জন্য তথ্য সংগ্রহ করা। সংক্ষেপে, এটি ছিল একটি পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন, যার লক্ষ্য ছিল চাঁদে অবতরণের (আর্টেমিস-৩) আগে মহাকাশচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

সঠিক উত্তর 2 (বাংলাদেশ)
ব্যাখ্যা:

দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সাথে রাজনৈতিক অংশীদারত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি (Partnership and Cooperation Agreement - PCA) সই করবে।

চুক্তি সম্পর্কিত মূল তথ্য: প্রাথমিক স্বাক্ষর (Initialling): ২০ এপ্রিল ২০২৬-এ ব্রাসেলসে বাংলাদেশ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে এই ঐতিহাসিক চুক্তির প্রাথমিক সংস্করণ স্বাক্ষরিত হয় । প্রথম দক্ষিণ এশীয় দেশ: দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম ইইউ-এর সাথে পিসিএ (PCA) সই করলো, যা দুই পক্ষের সম্পর্ককে উন্নয়ন সহায়তা থেকে রাজনৈতিক অংশীদারত্বে উন্নীত করবে ।

স্বাক্ষরকারী: বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব ও পশ্চিম) নজরুল ইসলাম এবং ইইউর পক্ষে ইউরোপীয় এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক পাওলা প্যাম্পালোনি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন । চুক্তির পরিধি: এই চুক্তির মাধ্যমে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, গণতন্ত্র, সুশাসন এবং মানবাধিকারের মতো ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতার নতুন রূপরেখা তৈরি হবে । এই চুক্তিটি বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তির পর একটি নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে ।

সঠিক উত্তর 1 (ডাক অধিদপ্তর)
ব্যাখ্যা:

সুপ্রিম কোর্টে বিদ্যমান সাব-পোস্ট অফিসের পাশাপাশি নৈশকালীন ডাকঘর (দ্বিতীয় শিফট) স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডাক অধিদপ্তর । ১২ এপ্রিল ২০২৬-এ জারি করা এক নির্দেশনায় এই বিশেষ উদ্যোগের কথা জানানো হয়, যার মাধ্যমে প্রতিদিন রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ডাকসেবা (জামিন আদেশ ও জরুরি নথি প্রেরণ) পাওয়া যাবে ।

উদ্যোগের মূল দিকগুলো: কেন এই সিদ্ধান্ত: বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীদের জরুরি দাপ্তরিক নথি, বিশেষ করে ফৌজদারি মামলার জামিন আদেশ দ্রুততম সময়ে জেলা জজ আদালতে পৌঁছানোর জন্য । কার্যকাল: বর্তমান ২টা পর্যন্ত খোলা থাকা সাব-পোস্ট অফিসের পর, নতুন শিফটে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত কাজ চলবে । নির্দেশনা: মেট্রোপলিটন সার্কেল ঢাকা বরাবর এই নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে এবং চালুর পরবর্তী তিন মাসের কাজের প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে । আবেদনকারী: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অ্যাডভোকেট-অন-রেকর্ড এস এম আরিফ মণ্ডল এই বিষয়ে ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে আবেদন করেছিলেন

সঠিক উত্তর 2 (সম্পদ কর)
ব্যাখ্যা:

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সারচার্জের পরিবর্তে 'সম্পদ কর' (Wealth Tax) চালু করার পরিকল্পনা করছে সরকার। এই নতুন কর ব্যবস্থার মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো: সারচার্জ বাতিল: বর্তমানে নিট সম্পদের ওপর যে সারচার্জ (Surcharge) নেওয়া হয়, তা তুলে দেওয়া হবে।

সম্পদ কর চালু: আয়করের ওপর সারচার্জের বদলে নির্দিষ্ট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের ওপর সরাসরি কর আরোপ করা হবে। বাজারমূল্য ভিত্তিক কর: দলিলের মূল্যের পরিবর্তে জমির বাজারমূল্য বা মৌজামূল্যের ভিত্তিতে এই কর নির্ধারণ করা হবে। উচ্চসম্পদশালীদের ওপর নজর: ৪ কোটি টাকার বেশি নিট সম্পদধারী (বাড়ি, গাড়ি, ফ্ল্যাট, প্লট) ব্যক্তিরা এই করের আওতায় আসবেন। প্রাথমিক খসড়া অনুযায়ী, ৪ থেকে ১০ কোটি টাকার সম্পদে ০.৫০%, ১০ থেকে ২০ কোটিতে ১%, ২০ থেকে ৫০ কোটিতে ১.৫০% এবং ৫০ কোটির বেশি সম্পদে ২% হারে সম্পদ কর ধার্য করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

সঠিক উত্তর 1 (২০ এপ্রিল, ২০২৬)
ব্যাখ্যা:

বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি (PCA) ২০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অনুস্বাক্ষরিত (Initialled) হয়েছে ।

দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এ ধরনের চুক্তিতে সই করলো, যা দুই পক্ষের দীর্ঘমেয়াদী কৌশলগত ও রাজনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে । চুক্তিটির মূল বিষয়বস্তু: স্থান: ইউরোপীয় এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের সদর দপ্তর, ব্রাসেলস । স্বাক্ষরকারী: বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব ও পশ্চিম) ড. মো. নজরুল ইসলাম এবং ইইউর পক্ষে পাওলা পাম্পালনি । ক্ষেত্রসমূহ: বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সুশাসন, মানবাধিকার, শ্রম অধিকার, জলবায়ু পরিবর্তন, নিরাপত্তা ও উন্নয়নসহ প্রায় ৩৫টি খাত । লক্ষ্য: বর্তমান সহযোগিতা চুক্তি (২০০১) প্রতিস্থাপন করে সম্পর্ককে উন্নয়ন সহযোগী থেকে রাজনৈতিক অংশীদারিত্বে রূপান্তর করা । এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্কে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো।

সঠিক উত্তর 1 (জোবায়ের আহমেদ অর্ণব)
ব্যাখ্যা:

প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ ‘স্টুডেন্ট ফটোগ্রাফার অব দ্য ইয়ার’ নির্বাচিত হয়েছেন তরুণ আলোকচিত্রী জোবায়ের আহমেদ অর্ণব । তিনি ২০২৬ সালের সনি ওয়ার্ল্ড ফটোগ্রাফি অ্যাওয়ার্ডস-এর ১৯তম আসরে এই সম্মান অর্জন করেন ।

প্রতিষ্ঠান: তিনি বর্তমানে ‘কাউন্টার ফটো– এ সেন্টার ফর ভিজ্যুয়াল আর্টস-এর শিক্ষার্থী । পুরস্কারের বিষয়: ‘টুগেদারনেস’ (Togetherness) থিমের ওপর ভিত্তি করে ঢাকা শহরের নগরায়ন ও পরিবেশের পরিবর্তনের গল্প তুলে ধরে তিনি এই পুরস্কার জেতেন । বিজয়ী আলোকচিত্র: তার আলোকচিত্র সিরিজের নাম "The Place Where I Used To Play" । স্থান: লন্ডনের সমারসেট হাউসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয় । বিশ্বের ২০০টিরও বেশি দেশ থেকে আসা ৪ লাখ ৩০ হাজারের বেশি ছবির মধ্যে তার কাজ সেরা হিসেবে নির্বাচিত হয় ।

সঠিক উত্তর 2 (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
ব্যাখ্যা:

দেশের প্রথম 'গভীর অনুসন্ধান কূপ' (Deep Exploration Well) খনন কাজ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাস ফিল্ডে শুরু হয়েছে। ১৯ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে সদর উপজেলার বুধল এলাকায় এই কূপের (তিতাস নতুন কূপ) খনন কাজ উদ্বোধন করা হয়। এটি বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে একটি বড় উদ্যোগ। অবস্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বুধল এলাকা (তিতাস গ্যাস ফিল্ড)।

উদ্বোধন: ১৯ এপ্রিল ২০২৬। খননকারী: চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিসিডিসি (CCDC)। প্রায় ৫,৬০০ মিটার গভীরতায় এই কূপটি খনন করা হচ্ছে। লক্ষ্য: সফল হলে এখান থেকে দৈনিক প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই প্রকল্পটি বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (BGFCL) এর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে।

সঠিক উত্তর 2 (তেজগাঁও, ঢাকা)
ব্যাখ্যা:

দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ স্কাইস্ক্র্যাপার বা আকাশচুম্বী ভবন হলো 'শান্তা পিনাকল' (Shanta Pinnacle)। অবস্থান: এটি ঢাকার তেজগাঁওয়ে অবস্থিত। উচ্চতা: প্রায় ৫০০ ফুট উচ্চতার এই ভবনটি ৪০ তলা বিশিষ্ট।

বিশেষত্ব: এটি আধুনিক প্রযুক্তি, আন্তর্জাতিক মান এবং লিড (LEED) প্ল্যাটিনাম মানদণ্ডে নির্মিত। নোট: পূর্বে সিটি সেন্টারসহ অন্যান্য উঁচু ভবন থাকলেও, পূর্ণাঙ্গভাবে আকাশচুম্বী ভবনের (সাধারণত ১৫০ মিটার বা ৫০০ ফুটের বেশি উচ্চতা) সংজ্ঞা অনুযায়ী 'শান্তা পিনাকল' কে প্রথম গণ্য করা হচ্ছে।

সঠিক উত্তর 2 (২.৬৮ টন)
ব্যাখ্যা:

[ সূত্রঃ MDPI Journal]

সঠিক উত্তর 2 (BRICS)
ব্যাখ্যা:

বর্তমান বিশ্বে 'বহুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থা' (Multipolar World) বা বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থা গঠনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে ব্রিকস (BRICS) জোট। এই জোটটি পশ্চিমা আধিপত্যের বিকল্প হিসেবে একটি ন্যায়সংগত, ভারসাম্যপূর্ণ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক আন্তর্জাতিক শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে।

বহুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থায় ব্রিকসের ভূমিকা: সম্প্রসারণ ও অন্তর্ভুক্তি: ২০২৪ সালের পর ব্রিকস সম্প্রসারিত হয়ে (BRICS+) ইরান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর ও ইথিওপিয়ার মতো দেশগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করেছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে এই জোটের প্রভাব (৪০% এর বেশি তেল ও গ্যাস রিজার্ভ) বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। আর্থিক বিকল্প তৈরি: মার্কিন ডলারের ওপর নির্ভরতা কমাতে ব্রিকস দেশগুলো নিজেদের মধ্যে বাণিজ্যে স্থানীয় মুদ্রার ব্যবহার বৃদ্ধি করছে এবং নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (NDB) এর মাধ্যমে নিজস্ব আর্থিক কাঠামো তৈরি করছে।

গ্লোবাল সাউথ-এর কণ্ঠস্বর: ব্রিকস উন্নয়নশীল দেশগুলোর বা 'গ্লোবাল সাউথ'-এর স্বার্থ ও কণ্ঠস্বর আন্তর্জাতিক ফোরামে (যেমন- G20) জোরালোভাবে তুলে ধরছে। উন্নয়ন ও নিরাপত্তা সহযোগিতা: শুধুমাত্র অর্থনৈতিক নয়, বরং নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্রযুক্তির মতো বিষয়েও ব্রিকস একটি যৌথ অবস্থান তৈরিতে কাজ করছে, যা ক্ষমতার ভারসাম্য পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৬ সালে ভূমিকা: ২০২৬ সালে ভারত ব্রিকসের সভাপতিত্ব গ্রহণ করেছে, যা এই জোটের মাধ্যমে বৈশ্বিক শাসন ব্যবস্থা সংস্কার, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির প্রচেষ্টাকে আরও বেগবান করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়াও, সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (SCO) ও বৈশ্বিক রাজনীতিতে বহুকেন্দ্রিকতা বজায় রাখতে রাশিয়া ও চীনের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

সঠিক উত্তর 2 (UNHCR)
ব্যাখ্যা:

রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জাতিসংঘ (United Nations - UN) এবং এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন সবচেয়ে জোরালো, সমন্বিত ও প্রধান ভূমিকা পালন করছে। ২০২৪-২৬ সালের প্রেক্ষাপটে রোহিঙ্গা সংকটে জাতিসংঘের ভূমিকা নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো: UNHCR (জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার): রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সুরক্ষা, নিবন্ধন, এবং তাদের প্রত্যাবাসনের (মিয়ানমারে ফেরা) জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে এটি সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।

Joint Response Plan (JRP): জাতিসংঘের নেতৃত্বে, বাংলাদেশ সরকার ও ১১৩টি এনজিওর সহায়তায় জেইআরপি (JRP) রোহিঙ্গা সংকট ব্যবস্থাপনায় সবচেয়ে বড় যৌথ উদ্যোগ। এটি রোহিঙ্গাদের খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং নিরাপত্তার জন্য তহবিল সংগ্রহ ও ত্রাণ বিতরণের মূল কাঠামো। IOM (আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা): কক্সবাজারের ক্যাম্পগুলোতে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ আশ্রয়, স্বাস্থ্যসেবা এবং জরুরি সহায়তা প্রদানে UNHCR-এর পাশাপাশি IOM অন্যতম প্রধান সংস্থা হিসেবে কাজ করছে। UNICEF (ইউনিসেফ): রোহিঙ্গা শিশুদের সুরক্ষা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে কাজ করছে। ড. ইউনূসের ৭ দফা প্রস্তাব: ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে ৭ দফা প্রস্তাব উপস্থাপন করেন, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। সারসংক্ষেপ: যদিও USAID, EU এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এনজিও (যেমন- Save the Children) ত্রাণ ও মানবিক সহায়তায় জড়িত, কিন্তু জাতিসংঘই (UN) রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রত্যাবাসন, আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি এবং মানবিক সহায়তা সমন্বয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে জোরালো ভূমিকা পালন করছে।

সঠিক উত্তর 2 (GATT)
ব্যাখ্যা:

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) মূলত শুল্ক ও বাণিজ্য সংক্রান্ত সাধারণ চুক্তি বা GATT (General Agreement on Tariffs and Trade)-এর স্থলাভিষিক্ত হয়ে গঠিত হয়েছিল ।

মূল তথ্য: পূর্বসূরি: GATT (যা ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল) । প্রতিষ্ঠা: ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে 'মারাকেশ চুক্তি' (Marrakesh Agreement)-এর আওতায় WTO যাত্রা শুরু করে । লক্ষ্য: GATT-কে সম্প্রসারিত ও পুনর্গঠন করে পণ্য, সেবা এবং মেধা সম্পত্তির অধিকারের বাণিজ্যে একটি স্থায়ী আইনি কাঠামো তৈরি করা । ১৯৮৬-৯৪ সালের 'উরুগুয়ে রাউন্ড' আলোচনার মাধ্যমে GATT-কে প্রতিস্থাপন করে WTO-এর জন্ম হয় ।

প্যাকেজ প্রয়োজন