শওকত ওসমান: রাজা উপাখ্যান— উপন্যাস; প্রকাশিত ১৯৭১ সালে। অন্যান্য উপন্যাস: জননী (১৯৫৮), ক্রীতদাসের হাসি (১৯৬২), সমাগম (১৯৬৭), চৌরসন্ধি (১৯৬৮), জাহান্নম হইতে বিদায় (১৯৭১), দুই সৈনিক (১৯৭৩)।
বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
সেলিনা হোসেন: নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি— ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত উপন্যাস। উল্লেখযোগ্য উপন্যাস: হাঙ্গর নদী গ্রেনেড, কালকেতু ও ফুল্লরা, পোকা-মাকড়ের ঘরবসতি, অপেক্ষা, গেরিলা ও বীরাঙ্গনা, ঘুমকাতুরে ঈশ্বর, ভালোবাসা প্রীতিলতা, জলোচ্ছ্বাস, নীল ময়ূরের যৌবন, আগস্টের একরাত, খুন ও ভালোবাসা, কাঁটাতারের প্রজাপতি, গায়ত্রী সন্ধ্যা।
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়: পুতুলনাচের ইতিকথা— তৃতীয় উপন্যাস (১৯৩৬); কেন্দ্রীয় চরিত্র ডাক্তার শশী। প্রকৃত নাম: প্রবোধকুমার; মানিক ডাকনাম। গল্প: ছোট বকুলপুরের যাত্রী, প্রাগৈতিহাসিক, পরিস্থিতি, মিহি ও মোটা কাহিনী, সরীসৃপ। উপন্যাস: পদ্মা নদীর মাঝি, জননী, চিহ্ন, পুতুলনাচের ইতিকথা, দিবারাত্রির কাব্য, শহরবাসের ইতিকথা।
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়: আঞ্চলিক উপন্যাস— গণদেবতা, পঞ্চগ্রাম, হাঁসুলী বাঁকের উপকথা, নাগিনী কন্যার কাহিনী।
কৃষ্ণকুমারী (১৮৬১): মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক। রাজপুতের উপাখ্যান অবলম্বনে রচিত। উল্লেখযোগ্য চরিত্র— কৃষ্ণকুমারী, মদনিকা, বিলাসবতী, ভীমসিংহ, জগৎসিংহ, মানসিংহ, ধনদাস।
‘কবি’ উপন্যাসের ‘জীবন এত ছোট ক্যানে’ সংলাপটি ক্ল্যাসিক মর্যাদা পেয়েছে।
মুনীর চৌধুরী রচিত ‘দন্ডকারণ্য’ গ্রন্থে ৩টি নাটক আছে। যথাঃ দন্ড, দন্ডকাব্য, দন্ডকারণ্য।
তিতাস একটি নদীর নাম: কিশোরের গ্রামের নাম গোকর্ণঘাট; এটি তিতাস নদীর তীরে অবস্থিত।
মামুনুর রশীদ: প্রকাশিত নাটক— ওরা কদম আলী (১৯৭৮), ওরা আছে বলেই (১৯৮০), মে দিবস (১৯৮১), ইবলিস (১৯৮২), গিনিপিগ (১৯৮৫), সমতট (১৯৯০), পাথর (১৯৯৩), লেবেদফ (১৯৯৭)।
প্রেমেন্দ্র মিত্র: গল্পগ্রন্থ— বেনামী বন্দর, পুতুল ও প্রতিমা, অফুরন্ত, পঞ্চাশর, মহানগর, ধুলিধূসর, কুড়িয়ে কুড়িয়ে, সামনে চড়াই।
মোহাম্মদ নজিবর রহমান: চারটি উপন্যাস— গরিবের মেয়ে, আনোয়ারা, মেহের-উন্নিসা, পরিণাম। আনোয়ারা: প্রথম উপন্যাস গরিবের মেয়ে: আত্মজীবনীমূলক সামাজিক উপন্যাস মেহের-উন্নিসা: সামাজিক উপন্যাস পরিণাম: পারিবারিক ও সামাজিক উপন্যাস
অমীয় চক্রবর্তী: ‘বাংলাদেশ’ কবিতাটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেক্ষাপটে রচিত। তিনি রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য সচিব ছিলেন। কাব্যগ্রন্থ: খসড়া, এক মুঠো, মাটির দেয়াল, অনিঃশেষ।
নুরুল মোমেন: শ্রেষ্ঠ নাটক নেমেসিস (১৯৪৮)— বাংলাদেশের প্রথম নিরীক্ষামূলক নাটক। রচিত ১৯৪৪ সালে; কেন্দ্রীয় চরিত্র স্কুলমাস্টার সুরজিত নন্দী। অন্যান্য নাটক: যদি এমন হতো, নয়া খান্দান, আলোকছায়া, যেমন ইচ্ছা তেমন, শতকরা আশি, আইনের অন্তরালে। রম্যগ্রন্থ: বহুরূপ, হিংটিং ছট, নরসুন্দর।
অন্নদাশংকর রায়: প্রথম উপন্যাস— অসমাপিকা (১৯৩০); প্রথম প্রকাশিত লেখা— তিনটি প্রশ্ন; প্রথম কাব্যগ্রন্থ— রাখী; দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ— কালের শাসন।
তিতাস একটি নদীর নাম: বাংলা ১৩৫২ সালে ‘মোহাম্মদী’ পত্রিকায় প্রকাশিত। প্রধান নারী চরিত্র— বাসন্তী; প্রধান পুরুষ চরিত্র— কিশোর।
অনুবাদ গ্রন্থ ও রচয়িতা: The Taming of the Shrew → মুখরা রমণী বশীকরণ — মুনীর চৌধুরী (১৯৭০)। Le Médecin Malgré Lui → যেমন রোগ তেমন রোজা — রাজকৃষ্ণ দত্ত। The Lady of the Lake → প্রভাবতী — কালীপদ ভট্টাচার্য।
অদ্বৈত মল্লবর্মণ: সাদা হাওয়া— রাজনৈতিক ও একমাত্র নাগরিক উপন্যাস। সুবিখ্যাত উপন্যাস: তিতাস একটি নদীর নাম।
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়: প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়; বাংলা সাহিত্যে ‘কলম-পেশা মজুর’ নামে পরিচিত। গল্পগ্রন্থ: সরীসৃপ, ছোট বকুলপুরের যাত্রী, অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প, প্রাগৈতিহাসিক, মিহি ও মোটা কাহিনী, আত্মহত্যার অধিকার, সমুদ্রের স্বাদ, আজকাল পরশুর গল্প।
মীর মশাররফ হোসেন: ঔপন্যাসিক, নাট্যকার ও গদ্যরচয়িতা। উপন্যাস: বিষাদ-সিন্ধু, রত্নাবতী (প্রথম উপন্যাস), নিয়তি কি অবনতি। নাটক: বসন্তকুমারী নাটক, জমীদার দর্পণ। গ্রন্থ: উদাসীন পথিকের মনের কথা, গাজী মিয়াঁর বস্তানী। একমাত্র প্রহসন: এর উপায় কি?
পুষ্পরতি তৎসম সমাসের উদাহরণ।
শওকত ওসমান: প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান; জন্ম সবল সিংহপুর, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ। নাটক: পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা, আমলার মামলা, কাঁকর মণি, বাগদাদের কবি, তস্কর লস্কর।
সূর্য দীঘল বাড়ী: আবু ইসহাকের উপন্যাস (১৯৫৫); এ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ১৯৭৯ সালের চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের প্রথম সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র।
ঘরে বাইরে: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চলিত ভাষায় লেখা প্রথম উপন্যাস (১৯১৬); প্রকাশিত হয় সবুজপত্রে। প্রধান চরিত্র— নিখিলেশ, বিমলা, সন্দীপ।