'অভিযাত্রিক” বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি ভ্রমণ কাহিনী।
বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
হুমায়ুন আজাদ- কাব্যগ্রন্থ: অলৌকিক ইস্টিমার, জ্বলো চিতাবাঘ, সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে। উপন্যাস: ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল, সব কিছু ভেঙে পড়ে, রাজনৈতিক, ফালি ফালি ক’রে কাটা চাঁদ, পাক সার জমিন সাদ বাদ। ভাষাবিজ্ঞান ও প্রবন্ধ: বাক্যতত্ত্ব, লাল নীল দীপাবলি, কতো নদী সরোবর, নারী, দ্বিতীয় লিঙ্গ।
সধবার একাদশী: বাংলা গদ্য সাহিত্যের আদি নিদর্শন; এটি একটি সামাজিক প্রহসন। রচয়িতা: দীনবন্ধু মিত্র।
'কবি ও বৈজ্ঞানিক' কাজী মোতাহার হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ (যা তাঁর 'সঞ্চরণ' প্রবন্ধগ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত)।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: ‘রচনার শিল্পগুণ’— কঠিন বিষয়কে সহজ ও স্পষ্ট করতে উপযোগী শব্দ ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। জন্ম: ২৬ জুন ১৮৩৮, কাঁঠালপাড়া, চব্বিশ পরগনা। বঙ্গদর্শন— ১৮৭২ সালে সম্পাদনা করেন। উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ: লোকরহস্য, বিজ্ঞানরহস্য, কমলাকান্তের দপ্তর, বিবিধ সমালোচনা, সাম্য, কৃষ্ণচরিত্র, বিবিধ প্রবন্ধ।
নবনাট্য আন্দোলন: অন্য নাম— থার্ড থিয়েটার । নবান্ন (১৯৪৪): নাটকটির জন্য তিনি খ্যাতি অর্জন করেন। নাটকের উপজীব্য: সমাজের নিচের তলার মানুষের জীবনচিত্র। প্রধান মতবাদ: মার্কসবাদ।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: দ্বিতীয় উপন্যাস— কপালকুণ্ডলা; বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক উপন্যাস। চরিত্র— কপালকুণ্ডলা, নবকুমার, কাপালিক। অন্যান্য উপন্যাস— দুর্গেশনন্দিনী, বিষবৃক্ষ, চন্দ্রশেখর, রজনী, মৃণালিনী, কৃষ্ণকান্তের উইল, রাজসিংহ। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: চরিত্রহীন, পরিণীতা, গৃহদাহ।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়: উল্লেখযোগ্য উপন্যাস— পথের পাঁচালী, অপরাজিত, আরণ্যক, ইছামতী, অশনি সংকেত। অপু ও দুর্গা— পথের পাঁচালী উপন্যাসের দুটি চরিত্র।
অন্নদাশঙ্কর রায়: প্রথম গ্রন্থ— তিনটি প্রশ্ন। প্রথম উপন্যাস— অসমাপিকা । উপন্যাস— কঙ্কাবতী, যার যেথা দেশ, অজ্ঞাতবাস । ছোটগল্প— কামিনী-কাঞ্চন । প্রবন্ধ— বিনুর বই । ভ্রমণকাহিনী— পথে প্রবাসে।
'বাঙলা' ২০০৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত শহীদুল ইসলাম খোকন পরিচালিত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে আহমেদ ছফা রচিত বিখ্যাত উপন্যাস 'ওঙ্কার' অবলম্বনে এই চলচ্চিত্রটি রচিত হয়।
ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ কবিতাটি আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত মানচিত্র কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
‘লোক-লোকান্তর’ কবির আত্মপরিচিতিমূলক কবিতা। এই কবিতাটি আল মাহমুদের লোক লোকান্তর কাব্যের নাম-কবিতা ।কবি চিত্রকল্পের মালা গেঁথে তাঁর কাব্য চেতনাকে মূর্ত করে তুলতে চান,এ কবিতায় এক সুগভীর বিচ্ছিন্নতাবোধের যন্ত্রনা কবিকে কাতর করে , আহত করে । তবু কবি সৃষ্টির আনন্দকে উপভোগ করতে আগ্রহী। তাঁর সুষ্টির বিজয় অবশ্যম্ভাবী এই প্রত্যয় তাঁর বিচ্ছিন্নতাবোধের বেদনাকে প্রশমিত করে।
আবুল হাসান বাংলাদেশের একজন আধুনিক কবি যিনি ষাটের দশকের সঙ্গে চিহ্নিত।কবিতাপুস্তক: রাজা যায় রাজা আসে, যে তুমি হরণ করো, পৃথক পালঙ্ক। গল্প: আবুল হাসান গল্প-সংগ্রহ। কাব্যনাট্য: ওরা কয়েকজন। সংকলন: আবুল হাসান রচনা সমগ্র। তিনি ১৯৭৫ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ও ১৯৮২ সালে মরণোত্তর একুশে পদক লাভ করেন।
ঔপন্যাসিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাসগুলোর মধ্যে সর্বাধিক পঠিত আলোচিত ও একাধিক বিদেশী ভাষায় অনূদিত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস পদ্মানদীর মাঝি ।এ উপন্যাসের নায়িকা কপিলা ।
সিকান্দার আবু জাফরের ঐতিহাসিক নাটক ‘সিরাজউদ্দৌলা’ (১৯৬৫)। তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য নাটক—শকুন্ত উপাখ্যান (১৯৫২), মাকড়সা (১৯৬০), মহাকবি আলাওল (১৯৬৬)।
ব্রজাঙ্গনা কাব্য (১৮৬১) মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ গীতি-কাব্য। বৈষ্ণব পদাবলির রাধা-কৃষ্ণ বিষয়ক উপাখ্যান অবলম্বনে রচিত হলেও, কবি এখানে চিরাচরিত ধারা থেকে বেরিয়ে এসে রাধার বিরহকে আধুনিক পাশ্চাত্য কাব্যরীতির আঙ্গিকে উপস্থাপন করেছেন। এটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করে।
বাংলা সাহিত্যের ‘অপরাজেয় কথাশিল্পী’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। তাঁর ‘গৃহদাহ’ (১৯২০) উপন্যাসে ত্রিভুজ প্রেমের চিত্র ফুটে উঠেছে। অচলার প্রতি মহিম ও সুরেশের আকর্ষণ এবং অচলার উভয়ের প্রতি টানাপোড়েন উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় বিষয়। উল্লেখযোগ্য উপন্যাস: পণ্ডিতমশাই, পল্লীসমাজ, দেবদাস, শ্রীকান্ত, বড়দিদি, বামুনের মেয়ে, শেষ প্রশ্ন, দেনাপাওনা, পথের দাবী ইত্যাদি।
“আধুনিক সভ্যতা দিয়েছে বেগ, নিয়েছে আবেগ” — কথাটি বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় তাঁর ‘দৃষ্টিপাত’ (১৯৪৭) গ্রন্থে বলেছেন। অন্যান্য গ্রন্থ: জনান্তিকে (১৯৫২) ঝিলম নদীর তীরে (১৯৫৪) লঘুকরণ (১৯৬৪) হ্রস্ব ও দীর্ঘ যখন বৃষ্টি নাম (১৯৮৩)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উল্লেখযোগ্য ছোটগল্পের চরিত্র— শাস্তি — চন্দরা। ছুটি — ফটিক ।পোস্টমাস্টার — রতন । সমাপ্তি — মৃন্ময়ী ।নষ্টনীড় — চারু ।একরাত্রি — সুরবালা । জীবিত ও মৃত — কাদম্বিনী । কাবুলিওয়ালা — রহমত ও খুকী । অপরিচিতা — কল্যাণী । হৈমন্তী — হৈমন্তী (অপু নয়)
লালসালু উপন্যাসের বিদ্রোহী বালিকা-বধূ চরিত্র—জমিলা। রচয়িতা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।