মোতাহের হোসেন চৌধুরী: ‘শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব’— প্রবন্ধ। বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন ও মুসলিম সাহিত্য সমাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বিখ্যাত গ্রন্থ: সংস্কৃতি-কথা, সুখ, সভ্যতা। তিনটি গ্রন্থই মৃত্যুর পর প্রকাশিত। সভ্যতা— ক্লাইভ বেলের The Civilization-এর অনুবাদ। সুখ— বার্ট্রান্ড রাসেলের The Conquest of Happiness-এর অনুবাদ।
বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
জহির রায়হান: ‘একুশের গল্প’— প্রবন্ধ। প্রথম উপন্যাস: শেষ বিকেলের মেয়ে (১৯৬০); হাজার বছর ধরে (১৯৬৪)— গ্রামীণ বাংলার জীবনভিত্তিক আখ্যান; আরেক ফাল্গুন (১৯৬৮)— ভাষা আন্দোলনভিত্তিক;বরফ গলা নদী (১৯৬৯)। বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার: ১৯৭২। একুশে পদক: ১৯৭৭ (মরণোত্তর)। স্বাধীনতা পুরস্কার: ১৯৯২ (মরণোত্তর)।
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ- প্রথম গল্পগ্রন্থ: নয়নচারা (১৯৪৫); প্রথম গল্প: ‘নয়নচারা’ পটভূমি: ১৯৪৩-এর মন্বন্তর ও দুর্ভিক্ষ। মূল বিষয়: ক্ষুধা, হাহাকার ও দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষের জীবনচিত্র।
খোয়াবনামা (১৯৯৬): গ্রাম বাংলার নিম্নবিত্ত শ্রমজীবী মানুষের জীবন এবং ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ, আসামের ভূমিকম্প, তেভাগা আন্দোলন, ১৯৪৩-এর মন্বন্তর, পাকিস্তান আন্দোলন ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা নিয়ে রচিত।
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়: উপন্যাস— চৈতালী ঘূর্ণি (১৯৩১), ধাত্রীদেবতা (১৯৩৯), কালিন্দী (১৯৪০), জলসাঘর, কবি (১৯৪২), গণদেবতা (১৯৪২), হাঁসুলী বাঁকের উপকথা (১৯৪৭)।
সৈয়দ আলী আহসান এর কাব্যগ্রন্থ: অনেক আকাশ (১৯৫৯), একক সন্ধ্যায় বসন্ত (১৯৬৪), সহসা সচকিত (১৯৬৫), উচ্চারণ (১৯৬৮)।
জীবনানন্দ দাশ-কাব্যগ্রন্থ: বেলা অবেলা কালবেলা অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ: ঝরাপালক, ধূসর, সাতটি তারার তিমির, পাণ্ডুলিপি, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, রূপসী বাংলা।
বন্দে আলী মিয়া- কাব্যগ্রন্থ: ময়নামতির চর, অনুরাগ । শিশুতোষ: চোর জামাই, ডাইনি বউ । কর্মজীবন: ইসলাম দর্শন পত্রিকায় প্রথম সাংবাদিক হিসেবে যোগ দেন।
ইছামতী— লেখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখযোগ্য উপন্যাস— পথের পাঁচালী, আরণ্যক, অশনি সংকেত।
'অভিযাত্রিক” বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি ভ্রমণ কাহিনী।
হুমায়ুন আজাদ- কাব্যগ্রন্থ: অলৌকিক ইস্টিমার, জ্বলো চিতাবাঘ, সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে। উপন্যাস: ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল, সব কিছু ভেঙে পড়ে, রাজনৈতিক, ফালি ফালি ক’রে কাটা চাঁদ, পাক সার জমিন সাদ বাদ। ভাষাবিজ্ঞান ও প্রবন্ধ: বাক্যতত্ত্ব, লাল নীল দীপাবলি, কতো নদী সরোবর, নারী, দ্বিতীয় লিঙ্গ।
সধবার একাদশী: বাংলা গদ্য সাহিত্যের আদি নিদর্শন; এটি একটি সামাজিক প্রহসন। রচয়িতা: দীনবন্ধু মিত্র।
'কবি ও বৈজ্ঞানিক' কাজী মোতাহার হোসেন রচিত একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ (যা তাঁর 'সঞ্চরণ' প্রবন্ধগ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত)।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: ‘রচনার শিল্পগুণ’— কঠিন বিষয়কে সহজ ও স্পষ্ট করতে উপযোগী শব্দ ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। জন্ম: ২৬ জুন ১৮৩৮, কাঁঠালপাড়া, চব্বিশ পরগনা। বঙ্গদর্শন— ১৮৭২ সালে সম্পাদনা করেন। উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ: লোকরহস্য, বিজ্ঞানরহস্য, কমলাকান্তের দপ্তর, বিবিধ সমালোচনা, সাম্য, কৃষ্ণচরিত্র, বিবিধ প্রবন্ধ।
নবনাট্য আন্দোলন: অন্য নাম— থার্ড থিয়েটার । নবান্ন (১৯৪৪): নাটকটির জন্য তিনি খ্যাতি অর্জন করেন। নাটকের উপজীব্য: সমাজের নিচের তলার মানুষের জীবনচিত্র। প্রধান মতবাদ: মার্কসবাদ।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: দ্বিতীয় উপন্যাস— কপালকুণ্ডলা; বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক উপন্যাস। চরিত্র— কপালকুণ্ডলা, নবকুমার, কাপালিক। অন্যান্য উপন্যাস— দুর্গেশনন্দিনী, বিষবৃক্ষ, চন্দ্রশেখর, রজনী, মৃণালিনী, কৃষ্ণকান্তের উইল, রাজসিংহ। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: চরিত্রহীন, পরিণীতা, গৃহদাহ।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়: উল্লেখযোগ্য উপন্যাস— পথের পাঁচালী, অপরাজিত, আরণ্যক, ইছামতী, অশনি সংকেত। অপু ও দুর্গা— পথের পাঁচালী উপন্যাসের দুটি চরিত্র।
অন্নদাশঙ্কর রায়: প্রথম গ্রন্থ— তিনটি প্রশ্ন। প্রথম উপন্যাস— অসমাপিকা । উপন্যাস— কঙ্কাবতী, যার যেথা দেশ, অজ্ঞাতবাস । ছোটগল্প— কামিনী-কাঞ্চন । প্রবন্ধ— বিনুর বই । ভ্রমণকাহিনী— পথে প্রবাসে।
'বাঙলা' ২০০৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত শহীদুল ইসলাম খোকন পরিচালিত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে আহমেদ ছফা রচিত বিখ্যাত উপন্যাস 'ওঙ্কার' অবলম্বনে এই চলচ্চিত্রটি রচিত হয়।
ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ কবিতাটি আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত মানচিত্র কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
‘লোক-লোকান্তর’ কবির আত্মপরিচিতিমূলক কবিতা। এই কবিতাটি আল মাহমুদের লোক লোকান্তর কাব্যের নাম-কবিতা ।কবি চিত্রকল্পের মালা গেঁথে তাঁর কাব্য চেতনাকে মূর্ত করে তুলতে চান,এ কবিতায় এক সুগভীর বিচ্ছিন্নতাবোধের যন্ত্রনা কবিকে কাতর করে , আহত করে । তবু কবি সৃষ্টির আনন্দকে উপভোগ করতে আগ্রহী। তাঁর সুষ্টির বিজয় অবশ্যম্ভাবী এই প্রত্যয় তাঁর বিচ্ছিন্নতাবোধের বেদনাকে প্রশমিত করে।
আবুল হাসান বাংলাদেশের একজন আধুনিক কবি যিনি ষাটের দশকের সঙ্গে চিহ্নিত।কবিতাপুস্তক: রাজা যায় রাজা আসে, যে তুমি হরণ করো, পৃথক পালঙ্ক। গল্প: আবুল হাসান গল্প-সংগ্রহ। কাব্যনাট্য: ওরা কয়েকজন। সংকলন: আবুল হাসান রচনা সমগ্র। তিনি ১৯৭৫ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ও ১৯৮২ সালে মরণোত্তর একুশে পদক লাভ করেন।