বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
ঔপন্যাসিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাসগুলোর মধ্যে সর্বাধিক পঠিত আলোচিত ও একাধিক বিদেশী ভাষায় অনূদিত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস পদ্মানদীর মাঝি ।এ উপন্যাসের নায়িকা কপিলা ।
সিকান্দার আবু জাফরের ঐতিহাসিক নাটক ‘সিরাজউদ্দৌলা’ (১৯৬৫)। তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য নাটক—শকুন্ত উপাখ্যান (১৯৫২), মাকড়সা (১৯৬০), মহাকবি আলাওল (১৯৬৬)।
ব্রজাঙ্গনা কাব্য (১৮৬১) মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ গীতি-কাব্য। বৈষ্ণব পদাবলির রাধা-কৃষ্ণ বিষয়ক উপাখ্যান অবলম্বনে রচিত হলেও, কবি এখানে চিরাচরিত ধারা থেকে বেরিয়ে এসে রাধার বিরহকে আধুনিক পাশ্চাত্য কাব্যরীতির আঙ্গিকে উপস্থাপন করেছেন। এটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করে।
বাংলা সাহিত্যের ‘অপরাজেয় কথাশিল্পী’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। তাঁর ‘গৃহদাহ’ (১৯২০) উপন্যাসে ত্রিভুজ প্রেমের চিত্র ফুটে উঠেছে। অচলার প্রতি মহিম ও সুরেশের আকর্ষণ এবং অচলার উভয়ের প্রতি টানাপোড়েন উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় বিষয়। উল্লেখযোগ্য উপন্যাস: পণ্ডিতমশাই, পল্লীসমাজ, দেবদাস, শ্রীকান্ত, বড়দিদি, বামুনের মেয়ে, শেষ প্রশ্ন, দেনাপাওনা, পথের দাবী ইত্যাদি।
“আধুনিক সভ্যতা দিয়েছে বেগ, নিয়েছে আবেগ” — কথাটি বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় তাঁর ‘দৃষ্টিপাত’ (১৯৪৭) গ্রন্থে বলেছেন। অন্যান্য গ্রন্থ: জনান্তিকে (১৯৫২) ঝিলম নদীর তীরে (১৯৫৪) লঘুকরণ (১৯৬৪) হ্রস্ব ও দীর্ঘ যখন বৃষ্টি নাম (১৯৮৩)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উল্লেখযোগ্য ছোটগল্পের চরিত্র— শাস্তি — চন্দরা। ছুটি — ফটিক ।পোস্টমাস্টার — রতন । সমাপ্তি — মৃন্ময়ী ।নষ্টনীড় — চারু ।একরাত্রি — সুরবালা । জীবিত ও মৃত — কাদম্বিনী । কাবুলিওয়ালা — রহমত ও খুকী । অপরিচিতা — কল্যাণী । হৈমন্তী — হৈমন্তী (অপু নয়)
লালসালু উপন্যাসের বিদ্রোহী বালিকা-বধূ চরিত্র—জমিলা। রচয়িতা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’ (১৯৩৬) উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ডাক্তার শশী, কুসুম ও যাদব পণ্ডিত। তাঁর প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়; তিনি (১৯ মে ১৯০৮–৩ ডিসেম্বর ১৯৫৬) ভারতীয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক। উল্লেখযোগ্য উপন্যাস: জননী (১৯৩৫), দিবারাত্রির কাব্য (১৯৩৫), পদ্মানদীর মাঝি (১৯৩৬), পুতুলনাচের ইতিকথা (১৯৩৬), শহরতলী, চিহ্ন, চতুষ্কোণ, সার্বজনীন, আরোগ্য। গল্পগ্রন্থ: অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প, প্রাগৈতিহাসিক, সরীসৃপ, সমুদ্রের স্বাদ, হলুদ পোড়া, আজ কাল পরশুর গল্প, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ গল্প, ফেরিওয়ালা।
'নতুনদা' শ্রীকান্ত উপন্যাসের চরিত্র । নতুনদার হাস্যরসাত্মক কাহিনীর পটভূমি ভাগলপুর ।
মোহাম্মদ নজিবর রহমানের প্রথম ও জনপ্রিয় উপন্যাস ‘আনোয়ারা’ (১৯১৪)। এতে মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের বিকাশ ও জীবনচিত্র তুলে ধরা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য চরিত্র: আনোয়ারা, নুরুল ইসলাম, খাদেম, আজিমুল্লাহ, গোলাপজান।
নীলিমা ইব্রাহিমের গবেষণাধর্মী গ্রন্থ ‘আমি বীরাঙ্গনা বলছি’ (১৯৯৫)। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর নির্যাতনের শিকার নারীদের সত্যকাহিনি ও অভিজ্ঞতা অবলম্বনে রচিত। অন্যান্য প্রবন্ধগ্রন্থ: শরৎ প্রতিভা, বাংলার কবি মধুসূদন, ঊনবিংশ শতাব্দীর বাঙালী সমাজ ও বাংলার নাটক, অগ্নিস্নাত বঙ্গবন্ধুর ভস্মাচ্ছাদিত কন্যা আমি।
প্রমথ চৌধুরী রচিত কাব্যঃ সনেট পঞ্চশৎ, পদচারণ ইত্যাদি। গল্পগ্রন্থঃ চার ইয়ারী কথা, আহুতি, নীললোহিত ও গল্পসমগ্র।
অমিয় চক্রবর্তীর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ—কবিতাবলী, উপহার, খসড়া, এক মুঠো, মাটির দেওয়াল, অভিজ্ঞান বসন্ত, পারাপার, পালাবদল, ঘরে ফেরার দিন, হারানো অর্কিড, পুষ্পিত ইমেজ, অমরাবতী, অনিঃশেষ, নতুন কবিতা ইত্যাদি।
অন্নদাশঙ্কর রায়ের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস—অসমাপিকা, আগুন নিয়ে খেলা, পুতুল নিয়ে খেলা, সত্যাসত্য ইত্যাদি।