বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক

বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান

মোট ৮৮৩৫৫+ প্রশ্ন
বিষয় ও অধ্যায়সমূহ লোড হচ্ছে...
কোন বিষয় বা অধ্যায় খুঁজে পাওয়া যায়নি
কোন পরীক্ষা বা ট্যাগ পাওয়া যায়নি
সক্রিয় ফিল্টার:
সঠিক উত্তর C (কাজী নজরুল ইসলাম)
সঠিক উত্তর C (পদ্মা নদীর মাঝি)
ব্যাখ্যা:

ঔপন্যাসিক মানিক  বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাসগুলোর মধ্যে সর্বাধিক পঠিত আলোচিত ও একাধিক বিদেশী ভাষায় অনূদিত জনপ্রিয় একটি উপন্যাস পদ্মানদীর মাঝি ।এ উপন্যাসের নায়িকা কপিলা ।

সঠিক উত্তর A (সিকান্দার আবু জাফর)
ব্যাখ্যা:

সিকান্দার আবু জাফরের ঐতিহাসিক নাটক ‘সিরাজউদ্দৌলা’ (১৯৬৫)। তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য নাটক—শকুন্ত উপাখ্যান (১৯৫২), মাকড়সা (১৯৬০), মহাকবি আলাওল (১৯৬৬)।

সঠিক উত্তর C (ব্রজাঙ্গনা কাব্য)
ব্যাখ্যা:

ব্রজাঙ্গনা কাব্য (১৮৬১) মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ গীতি-কাব্য। বৈষ্ণব পদাবলির রাধা-কৃষ্ণ বিষয়ক উপাখ্যান অবলম্বনে রচিত হলেও, কবি এখানে চিরাচরিত ধারা থেকে বেরিয়ে এসে রাধার বিরহকে আধুনিক পাশ্চাত্য কাব্যরীতির আঙ্গিকে উপস্থাপন করেছেন। এটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করে।

সঠিক উত্তর C (তাহারেই পড়ে মনে)
সঠিক উত্তর B (মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়)
সঠিক উত্তর B (সুরেশ ও অচলা)
ব্যাখ্যা:

বাংলা সাহিত্যের ‘অপরাজেয় কথাশিল্পী’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। তাঁর ‘গৃহদাহ’ (১৯২০) উপন্যাসে ত্রিভুজ প্রেমের চিত্র ফুটে উঠেছে। অচলার প্রতি মহিম ও সুরেশের আকর্ষণ এবং অচলার উভয়ের প্রতি টানাপোড়েন উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় বিষয়। উল্লেখযোগ্য উপন্যাস: পণ্ডিতমশাই, পল্লীসমাজ, দেবদাস, শ্রীকান্ত, বড়দিদি, বামুনের মেয়ে, শেষ প্রশ্ন, দেনাপাওনা, পথের দাবী ইত্যাদি।

সঠিক উত্তর B (বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়)
ব্যাখ্যা:

“আধুনিক সভ্যতা দিয়েছে বেগ, নিয়েছে আবেগ” — কথাটি বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায় তাঁর ‘দৃষ্টিপাত’ (১৯৪৭) গ্রন্থে বলেছেন। অন্যান্য গ্রন্থ: জনান্তিকে (১৯৫২) ঝিলম নদীর তীরে (১৯৫৪) লঘুকরণ (১৯৬৪) হ্রস্ব ও দীর্ঘ যখন বৃষ্টি নাম (১৯৮৩)

সঠিক উত্তর B (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
ব্যাখ্যা:

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উল্লেখযোগ্য ছোটগল্পের চরিত্র— শাস্তি — চন্দরা। ছুটি — ফটিক ।পোস্টমাস্টার — রতন  । সমাপ্তি — মৃন্ময়ী ।নষ্টনীড় — চারু ।একরাত্রি — সুরবালা  । জীবিত ও মৃত — কাদম্বিনী । কাবুলিওয়ালা — রহমত ও খুকী । অপরিচিতা — কল্যাণী । হৈমন্তী — হৈমন্তী (অপু নয়)

সঠিক উত্তর C (লালসালু)
ব্যাখ্যা:

লালসালু উপন্যাসের বিদ্রোহী বালিকা-বধূ চরিত্র—জমিলা। রচয়িতা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ। 

সঠিক উত্তর B (পুতুলনাচের ইতিকথা)
ব্যাখ্যা:

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’ (১৯৩৬) উপন্যাসের প্রধান চরিত্র ডাক্তার শশী, কুসুম ও যাদব পণ্ডিত। তাঁর প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়; তিনি (১৯ মে ১৯০৮–৩ ডিসেম্বর ১৯৫৬) ভারতীয় বাঙালি কথাসাহিত্যিক। উল্লেখযোগ্য উপন্যাস: জননী (১৯৩৫), দিবারাত্রির কাব্য (১৯৩৫), পদ্মানদীর মাঝি (১৯৩৬), পুতুলনাচের ইতিকথা (১৯৩৬), শহরতলী, চিহ্ন, চতুষ্কোণ, সার্বজনীন, আরোগ্য। গল্পগ্রন্থ: অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প, প্রাগৈতিহাসিক, সরীসৃপ, সমুদ্রের স্বাদ, হলুদ পোড়া, আজ কাল পরশুর গল্প, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রেষ্ঠ গল্প, ফেরিওয়ালা।

সঠিক উত্তর C (শ্রীকান্ত)
ব্যাখ্যা:

'নতুনদা' শ্রীকান্ত উপন্যাসের চরিত্র । নতুনদার হাস্যরসাত্মক কাহিনীর পটভূমি ভাগলপুর ।

সঠিক উত্তর C (মোহাম্মদ নজিবর রহমান)
ব্যাখ্যা:

মোহাম্মদ নজিবর রহমানের প্রথম ও জনপ্রিয় উপন্যাস ‘আনোয়ারা’ (১৯১৪)। এতে মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের বিকাশ ও জীবনচিত্র তুলে ধরা হয়েছে। উল্লেখযোগ্য চরিত্র: আনোয়ারা, নুরুল ইসলাম, খাদেম, আজিমুল্লাহ, গোলাপজান।

সঠিক উত্তর B (প্রবন্ধ)
ব্যাখ্যা:

নীলিমা ইব্রাহিমের গবেষণাধর্মী গ্রন্থ ‘আমি বীরাঙ্গনা বলছি’ (১৯৯৫)।  মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনীর নির্যাতনের শিকার নারীদের সত্যকাহিনি ও অভিজ্ঞতা অবলম্বনে রচিত। অন্যান্য প্রবন্ধগ্রন্থ: শরৎ প্রতিভা, বাংলার কবি মধুসূদন, ঊনবিংশ শতাব্দীর বাঙালী সমাজ ও বাংলার নাটক, অগ্নিস্নাত বঙ্গবন্ধুর ভস্মাচ্ছাদিত কন্যা আমি।

সঠিক উত্তর C (প্রমথ চৌধুরী)
ব্যাখ্যা:

প্রমথ চৌধুরী রচিত কাব্যঃ সনেট পঞ্চশৎ, পদচারণ ইত্যাদি। গল্পগ্রন্থঃ চার ইয়ারী কথা, আহুতি, নীললোহিত ও গল্পসমগ্র।

সঠিক উত্তর C (অমিয় চক্রবর্তী)
ব্যাখ্যা:

অমিয় চক্রবর্তীর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ—কবিতাবলী, উপহার, খসড়া, এক মুঠো, মাটির দেওয়াল, অভিজ্ঞান বসন্ত, পারাপার, পালাবদল, ঘরে ফেরার দিন, হারানো অর্কিড, পুষ্পিত ইমেজ, অমরাবতী, অনিঃশেষ, নতুন কবিতা ইত্যাদি।

সঠিক উত্তর A (অন্নদাশঙ্কর রায়)
ব্যাখ্যা:

অন্নদাশঙ্কর রায়ের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস—অসমাপিকা, আগুন নিয়ে খেলা, পুতুল নিয়ে খেলা, সত্যাসত্য ইত্যাদি।

সঠিক উত্তর B (চীন)
ব্যাখ্যা:
মহাকাশ গবেষণায় নতুন সাফল্য অর্জন করেছে চীন। দেশটির তোংফেং বাণিজ্যিক মহাকাশ উদ্ভাবন পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে সাফল্যের সঙ্গে একসঙ্গে ৯টি কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশে পাঠানো হয়েছে। ‘লংমার্চ-১৮’ পরিবাহক রকেটের সাহায্যে উপগ্রহগুলো মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়। মহাকাশে পাঠানো এই উপগ্রহগুলোর মধ্যে রয়েছে-ছিনলিং স্যাটেলাইট ০১ ও ০২, পুচিয়াং-৪ স্যাটেলাইট, পেংছেং ফার্স্ট স্যাটেলাইট, তিথিং ০১ গ্রুপ এ/বি/সি স্যাটেলাইট, সুপারকম্পিউটিং-১ স্যাটেলাইট এবং ইউনশিয়াও পাথফাইন্ডার স্যাটেলাইট। সূত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন
সঠিক উত্তর B (ইতালি)
ব্যাখ্যা:
ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি দেশটির স্কুলগুলোতে বোরকা ও নিকাব নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছেন। একই সঙ্গে শ্রেণিকক্ষে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা সীমিত করা এবং ইতালীয় শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে মানিয়ে নিতে সমস্যায় পড়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ইতালীয় ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী বছর ইতালিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকায় অভিবাসন ইস্যু নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এর আগে জুলাইয়ে দেশটির ডানপন্থী ন্যাশনাল ফিউচার পার্টি স্কুলে বোরকার ওপর আরও কঠোর বিধিনিষেধের দাবি জানিয়েছিল। সূত্রঃ দৈনিক সংগ্রাম
সঠিক উত্তর C (চীন)
ব্যাখ্যা:
সমুদ্রের নিচে ড্রোন বা মানুষবিহীন ডুবোযান পরিচালনায় বিশ্বে প্রথম বিশালাকৃতির জাহাজ নির্মান করছে চীন। সামরিক বিশেষজ্ঞরা এই জলযানটিকে বিশ্বের প্রথম এ ধরনের ‘মাদারশিপ’ বা ড্রোনবহনকারী বড় জাহাজ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সূত্রঃbdnews 24
সঠিক উত্তর C (গোপন ব্যালটে ভোট)
ব্যাখ্যা:
অস্ট্রেলিয়া ২০২৯–৩০ মেয়াদের জন্য জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদে প্রার্থিতা ঘোষণা করেছে। প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের পাশে এ ঘোষণা দেন। অস্ট্রেলিয়ার সর্বশেষ নিরাপত্তা পরিষদে দুই বছরের মেয়াদ শেষ হয়েছিল ২০১৪ সালে। ২০২৯–৩০ মেয়াদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার পাশাপাশি ফিনল্যান্ড ওয়েস্টার্ন ইউরোপিয়ান অ্যান্ড আদার্স গ্রুপের প্রার্থী। অস্থায়ী সদস্য নির্বাচন ২০২৮ সালে গোপন ব্যালটে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। নিরাপত্তা পরিষদে মোট ১০টি অস্থায়ী সদস্য এবং ৫টি স্থায়ী সদস্য রয়েছে। অস্ট্রেলিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপদেশ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সমর্থন প্রত্যাশা করছে। সূত্রঃ The Financial Express
সঠিক উত্তর C (১৯৮১ সালে)
ব্যাখ্যা:
আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস প্রতিবছর ২১ সেপ্টেম্বর পালিত হয়। জাতিসংঘ ১৯৮১ সালে প্রথম দিবসটি উদযাপন করে। তবে ২০০২ সাল পর্যন্ত সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় মঙ্গলবার দিবসটি পালিত হতো; পরবর্তীতে ২১ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়। দিবসটির মূল উদ্দেশ্য হলো যুদ্ধ-সংঘাতের অবসান, যুদ্ধবিরতি ও মানবিক সহায়তার মাধ্যমে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা। এ উপলক্ষে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে শান্তির ঘণ্টা বাজানো হয়। ২০২৬ সালের প্রতিপাদ্য—‘শান্তিতে বিনিয়োগ করুন, সবার জন্য, সর্বত্র, প্রতিদিন’। এর মূল বক্তব্য হলো অস্ত্র ও যুদ্ধের পেছনে ব্যয় না করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, দারিদ্র্য বিমোচন, পরিবেশ রক্ষা ও বৈষম্য দূরীকরণে বিনিয়োগ করা। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। সূত্রঃ প্রথম আলো
সঠিক উত্তর C (১০ শতাংশ)
ব্যাখ্যা:
সিএমএসএমই খাতের চলতি মূলধন পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের আওতায় সব ফাইন্যান্স কোম্পানি পুনঃঅর্থায়ন গ্রহণের যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে। এখানে আবেদনকারী কোম্পানিগুলোর শ্রেণীকৃত ঋণের হার সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ হতে পারবে । এবং ন্যূনতম ৩ বছরের ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা থাকতে হবে । সূত্রঃ বণিক বার্তা
সঠিক উত্তর B (Standing Deposit Facility)
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে বর্তমানে তারল্য সংকটের পরিবর্তে অতিরিক্ত তারল্য দেখা দিয়েছে। আমানত বৃদ্ধি পেলেও অর্থনৈতিক স্থবিরতার কারণে বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা কম থাকায় ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগের সুযোগ সংকুচিত হয়েছে। ফলে ব্যাংকগুলো অতিরিক্ত অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের Standing Deposit Facility (SDF)-এ রাখছে। জুনে SDF-এ ব্যাংকগুলোর জমা ছিল প্রায় ১.৫০ ট্রিলিয়ন টাকা, যা ব্যাংকিং খাতের ইতিহাসে রেকর্ড। জুলাইয়ে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ৪.৬২%, যা দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন। একই সময়ে আমানত প্রবৃদ্ধি বেড়ে ১১.৩৬% হয়েছে। অতিরিক্ত তারল্যের কারণে ব্যাংকগুলো আমানতের সুদহার কমাচ্ছে এবং সরকারি ট্রেজারি বিলের ফলনও কমছে। তবে LC খোলার সংখ্যা ও পরিমাণ বাড়ায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। সূত্রঃ The Financial Express
প্যাকেজ প্রয়োজন