দেশে নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের মোট উৎপাদনক্ষমতা ১,৬৯৮ মেগাওয়াট, যার মধ্যে সৌরবিদ্যুতের সক্ষমতা ১,৪০৫ মেগাওয়াট—১,০২৮ মেগাওয়াট সরাসরি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত এবং ৩৭৭ মেগাওয়াট অফগ্রিডে। গ্রিডভিত্তিক মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ২৮,৯১৯ মেগাওয়াটের মধ্যে নবায়নযোগ্যের জ্বালানির অংশ মাত্র ৩.৬৯%, আর সৌরবিদ্যুতের অংশ মাত্র ২.৬৯%। সূত্রঃ বণিক বার্তা
জ্বালানি তেলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাহিদা ডিজেলের। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি ছিল ৪৩.৫ লাখ টন। পেট্রলের মোট চাহিদার ১৬% জোগান দিয়েছে সরকারি ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল), বাকি ৮৪% বেসরকারি শোধনাগার থেকে । মোট পেট্রল বিক্রি হয়েছে ৪.৬২ লাখ টন। সূত্রঃ প্রথম আলো
বাংলাদেশের প্রথম ব্যাংক হিসেবে ট্রেজারি বন্ডের বিপরীতে কনজিউমার ঋণ বিতরণের মাইলফলক অর্জন করেছে প্রাইম ব্যাংক পিএলসি।বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ২ এপ্রিল এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা পাওয়ার পর, পরবর্তী দিন সকালে প্রথম ঋণ বিতরণ সম্পন্ন করা হয়। সূত্রঃ বণিক বার্তা
দেশে গ্যাস, কয়লা, জ্বালানি তেল, আমদানি ও নবায়নযোগ্য উৎস মিলিয়ে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ২৯ হাজার মেগাওয়াট। চলতি বছরে (২০২৬ ) সর্বোচ্চ চাহিদার প্রাক্কলন ১৮ হাজার মেগাওয়াট হলেও জ্বালানির সংস্থান না থাকায় কয়লা, গ্যাস ও তেলভিত্তিক কেন্দ্রের সক্ষমতার বড় অংশই বসিয়ে রাখতে হচ্ছে। সূত্রঃ বণিক বার্তা