বগুড়ার কাহালুতে গড়ে উঠছে দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক অ্যাগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্প ‘সুখের খামার অ্যাগ্রো লিমিটেড’। বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলার পাইকড় ইউনিয়নের বাগইল গ্রামে এ প্রকল্পের অবস্থান।ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) ত্রয়োদশ এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের এ প্রকল্পের নকশা উন্মোচন করা হয়।সূত্রঃ প্রথম আলো
বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প ক্রয়ব্যবস্থার সংস্থান যুগোপযোগী করতে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।সরকারি ক্রয় আইন সংশোধনের মাধ্যমে দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষা; ক্রয়কার্যে অধিক প্রতিযোগিতা সৃষ্টি, ক্রয় চুক্তি পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট বিধান সম্প্রসারণ করার বিধান রাখা হয়েছে।সূত্রঃ আমার দেশ
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (BBS) ICT Access and Use Survey 2025-26 অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিল–জুন সময়ে পরিবার পর্যায়ে ৯৯% পরিবারের অন্তত একটি মোবাইল ফোনে প্রবেশাধিকার রয়েছে। স্মার্টফোন ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে ৭৫.১% পরিবারের, যা আগের বছর ছিল ৭৪.৮%। এছাড়া ৫৮.২% পরিবারের ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে।সূত্রঃ TBS
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ২৬ জুন ১৮৩৮ চব্বিশ পরগণার কাঁঠালপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলা সার্থক উপন্যাসের স্থপতি ও পাশ্চাত্যরীতিতে উপন্যাস রচনার পথিকৃৎ। তাঁর ‘দুর্গেশনন্দিনী’ (১৮৬৫) বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। উল্লেখযোগ্য উপন্যাস—কপালকুণ্ডলা, মৃণালিনী, ইন্দিরা। বাংলা উপন্যাস রচনার পথিকৃৎ—প্যারীচাঁদ মিত্র ,বাংলা গদ্যের জনক—ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ,বাংলা ছোটগল্পের জনক—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর , বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক—প্রমথ চৌধুরী।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কপালকুণ্ডলা’ (১৮৬৬) বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক ও দ্বিতীয় সার্থক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত। এর প্রধান চরিত্র কপালকুণ্ডলা, নবকুমার ও কাপালিক। কাপালিকের পালিতা কন্যা কপালকুণ্ডলার সঙ্গে নবকুমারের বিবাহ এবং সমাজের বন্ধনের সঙ্গে তাদের দ্বন্দ্বই উপন্যাসের মূল কাহিনি।
সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্য ‘নূরলদীনের সারা জীবন’-এ ১৭৮৩ সালের রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের কৃষক বিদ্রোহ ও নূরলদীনের সংগ্রাম তুলে ধরা হয়েছে। রাজস্ব আদায়ে কৃষকদের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদে এ বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। নাটকের বিখ্যাত উক্তি—“জাগো বাহে, কোনঠে সবায়”। অন্যান্য নাটক: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক), গণনায়ক, ঈর্ষা।
শামসুদ্দীন আবুল কালাম বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক। উপন্যাস: জায়জঙ্গল, দুই মহল, নবান্ন, সমুদ্রবাসর, কাঞ্চনমালা, কাশবনের কন্যা ইত্যাদি। গল্পগ্রন্থ: অনেক দিনের আশা, দুই হৃদয়ের তীর, পথ জানা নেই ইত্যাদি।
শহীদুল্লাহ কায়সারের মহাকাব্যিক উপন্যাস ‘সংশপ্তক’-এর নাম মহাভারত থেকে নেওয়া; অর্থ—জীবন-মরণ পণ করে যুদ্ধে লড়ে এমন সৈনিক। এতে হিন্দু-মুসলিমের সম্মিলিত জীবন, অসাম্প্রদায়িকতা, বিশ্বযুদ্ধ, দাঙ্গা, দুর্ভিক্ষ ও সাম্প্রদায়িকতার চিত্র উঠে এসেছে। উল্লেখযোগ্য চরিত্র—রাবু, জাহেদ, সেকেন্দার, মালু, হুরমতি, লেকু, রমজান, রামদয়াল। শহীদুল্লাহ কায়সার: ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯২৭ ফেনীতে জন্ম; পুরো নাম আবু নঈম মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ। তিনি জহির রায়হানের সহোদর ভাই। উপন্যাস: সারেং বৌ, কৃষ্ণচূড়া মেঘ, তিমির বলয়, দিগন্তে ফুলের আগুন, সমুদ্র ও তৃষ্ণা, সংশপ্তক, চন্দ্রভানের কন্যা, কবে পোহাবে বিভাবরী (অসমাপ্ত)।
হাসান আজিজুল হক বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান কথাসাহিত্যিক, বিশেষত ছোটগল্পকার হিসেবে পরিচিত। গল্পগ্রন্থ: আত্মজা ও একটি করবী গাছ, নামহীন গোত্রহীন, পাতালে হাসপাতালে, সমুদ্রের স্বপ্ন, শীতের অরণ্য, জীবন ঘষে আগুন। উপন্যাস: আগুনপাখি, সাবিত্রী উপাখ্যান, শামুক, শিউলি, বৃত্তায়ন। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ: একাত্তর: করতলে ছিন্নমাথা।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৮২৪–১৮৭৩) বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি। তাঁর সাহিত্যচর্চার শুরু ইংরেজি ভাষায়। তিনি— বাংলা ভাষায় সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক বাংলা নাটকের পথিকৃৎ বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকবি হিসেবে পরিচিত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত তাঁর প্রথম পূর্ণাঙ্গ জীবনীগ্রন্থ রচনা করেন যোগীন্দ্রনাথ বসু।