২০২৩ সালে বাংলাদেশে পুরুষের কর্মসংস্থানের হার ছিল ৭৭ দশমিক ৯ শতাংশ, নারীর ৪০ দশমিক ২ শতাংশ। অর্থাৎ কর্মসংস্থান হারের ব্যবধান ৩৭ দশমিক ৭ শতাংশীয় পয়েন্ট। কর্মরত নারীদের মাত্র ১৯ শতাংশ মজুরিভিত্তিক কর্মী। পুরুষদের ক্ষেত্রে এই হার ৪৮ শতাংশ।শিক্ষার ক্ষেত্রেও বৈপরীত্য দেখা যায়। দেশের উচ্চশিক্ষিত জনগোষ্ঠীর প্রায় ৩৫ শতাংশ নারী। এই উচ্চশিক্ষিত নারীদের মধ্যে কর্মজীবী বা অন্যান্য আয়ভিত্তিক কাজের মধ্যে আছেন মাত্র ৫ শতাংশ নারী।সূত্রঃ প্রথম আলো
বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
বগুড়ার কাহালুতে গড়ে উঠছে দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক অ্যাগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্প ‘সুখের খামার অ্যাগ্রো লিমিটেড’। বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলার পাইকড় ইউনিয়নের বাগইল গ্রামে এ প্রকল্পের অবস্থান।ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) ত্রয়োদশ এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ারের এ প্রকল্পের নকশা উন্মোচন করা হয়।সূত্রঃ প্রথম আলো
রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প ক্রয়ব্যবস্থার সংস্থান যুগোপযোগী করতে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।সরকারি ক্রয় আইন সংশোধনের মাধ্যমে দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষা; ক্রয়কার্যে অধিক প্রতিযোগিতা সৃষ্টি, ক্রয় চুক্তি পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট বিধান সম্প্রসারণ করার বিধান রাখা হয়েছে।সূত্রঃ আমার দেশ
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (BBS) ICT Access and Use Survey 2025-26 অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিল–জুন সময়ে পরিবার পর্যায়ে ৯৯% পরিবারের অন্তত একটি মোবাইল ফোনে প্রবেশাধিকার রয়েছে। স্মার্টফোন ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে ৭৫.১% পরিবারের, যা আগের বছর ছিল ৭৪.৮%। এছাড়া ৫৮.২% পরিবারের ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে।সূত্রঃ TBS
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ২৬ জুন ১৮৩৮ চব্বিশ পরগণার কাঁঠালপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলা সার্থক উপন্যাসের স্থপতি ও পাশ্চাত্যরীতিতে উপন্যাস রচনার পথিকৃৎ। তাঁর ‘দুর্গেশনন্দিনী’ (১৮৬৫) বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। উল্লেখযোগ্য উপন্যাস—কপালকুণ্ডলা, মৃণালিনী, ইন্দিরা। বাংলা উপন্যাস রচনার পথিকৃৎ—প্যারীচাঁদ মিত্র ,বাংলা গদ্যের জনক—ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ,বাংলা ছোটগল্পের জনক—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর , বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক—প্রমথ চৌধুরী।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কপালকুণ্ডলা’ (১৮৬৬) বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক ও দ্বিতীয় সার্থক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত। এর প্রধান চরিত্র কপালকুণ্ডলা, নবকুমার ও কাপালিক। কাপালিকের পালিতা কন্যা কপালকুণ্ডলার সঙ্গে নবকুমারের বিবাহ এবং সমাজের বন্ধনের সঙ্গে তাদের দ্বন্দ্বই উপন্যাসের মূল কাহিনি।
সৈয়দ শামসুল হকের কাব্যনাট্য ‘নূরলদীনের সারা জীবন’-এ ১৭৮৩ সালের রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের কৃষক বিদ্রোহ ও নূরলদীনের সংগ্রাম তুলে ধরা হয়েছে। রাজস্ব আদায়ে কৃষকদের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদে এ বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। নাটকের বিখ্যাত উক্তি—“জাগো বাহে, কোনঠে সবায়”। অন্যান্য নাটক: পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক), গণনায়ক, ঈর্ষা।
শামসুদ্দীন আবুল কালাম বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক। উপন্যাস: জায়জঙ্গল, দুই মহল, নবান্ন, সমুদ্রবাসর, কাঞ্চনমালা, কাশবনের কন্যা ইত্যাদি। গল্পগ্রন্থ: অনেক দিনের আশা, দুই হৃদয়ের তীর, পথ জানা নেই ইত্যাদি।
শহীদুল্লাহ কায়সারের মহাকাব্যিক উপন্যাস ‘সংশপ্তক’-এর নাম মহাভারত থেকে নেওয়া; অর্থ—জীবন-মরণ পণ করে যুদ্ধে লড়ে এমন সৈনিক। এতে হিন্দু-মুসলিমের সম্মিলিত জীবন, অসাম্প্রদায়িকতা, বিশ্বযুদ্ধ, দাঙ্গা, দুর্ভিক্ষ ও সাম্প্রদায়িকতার চিত্র উঠে এসেছে। উল্লেখযোগ্য চরিত্র—রাবু, জাহেদ, সেকেন্দার, মালু, হুরমতি, লেকু, রমজান, রামদয়াল। শহীদুল্লাহ কায়সার: ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯২৭ ফেনীতে জন্ম; পুরো নাম আবু নঈম মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ। তিনি জহির রায়হানের সহোদর ভাই। উপন্যাস: সারেং বৌ, কৃষ্ণচূড়া মেঘ, তিমির বলয়, দিগন্তে ফুলের আগুন, সমুদ্র ও তৃষ্ণা, সংশপ্তক, চন্দ্রভানের কন্যা, কবে পোহাবে বিভাবরী (অসমাপ্ত)।
হাসান আজিজুল হক বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান কথাসাহিত্যিক, বিশেষত ছোটগল্পকার হিসেবে পরিচিত। গল্পগ্রন্থ: আত্মজা ও একটি করবী গাছ, নামহীন গোত্রহীন, পাতালে হাসপাতালে, সমুদ্রের স্বপ্ন, শীতের অরণ্য, জীবন ঘষে আগুন। উপন্যাস: আগুনপাখি, সাবিত্রী উপাখ্যান, শামুক, শিউলি, বৃত্তায়ন। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ: একাত্তর: করতলে ছিন্নমাথা।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৮২৪–১৮৭৩) বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি। তাঁর সাহিত্যচর্চার শুরু ইংরেজি ভাষায়। তিনি— বাংলা ভাষায় সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক বাংলা নাটকের পথিকৃৎ বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকবি হিসেবে পরিচিত আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত তাঁর প্রথম পূর্ণাঙ্গ জীবনীগ্রন্থ রচনা করেন যোগীন্দ্রনাথ বসু।