বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ১৯২০ সালে প্রকাশিত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস ‘গৃহদাহ’-এ মহিম ও সুরেশের প্রতি অচলার মানসিক টানাপোড়েন এবং আদর্শ হিন্দু বিধবা মৃণালের চরিত্র চিত্রিত হয়েছে। ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলির দেবানন্দপুরে জন্মগ্রহণকারী এই কথাসাহিত্যের রূপকার ১৯০৩ সালে ‘মন্দির’ গল্পের জন্য কুন্তলীন পুরস্কার পান এবং ১৯০৭ সালে ‘বড়দিদি’ উপন্যাসের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করেন। তাঁর অন্যান্য কালজয়ী উপন্যাসের মধ্যে দেবদাস, পরিণীতা, চরিত্রহীন, পথের দাবী ও দেনা-পাওনা অন্যতম।
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস অবলম্বনে সত্যজিৎ রায় পরিচালিত ‘পথের পাঁচালী’ (১৯৫৫) পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রযোজিত একটি কালজয়ী বাংলা চলচ্চিত্র। সত্যজিৎ রায়ের প্রথম পরিচালিত এই ছবিটি তাঁর বিখ্যাত অপু ত্রয়ী-র প্রথম পর্ব, যেখানে মুখ্য চরিত্র অপুর (সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়) শৈশবের মধ্য দিয়ে ১৯২০-এর দশকের বাংলার এক গ্রাম্য জীবনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত রোমান্টিক গীতিকবিতা ‘বনলতা সেন’ (১৯৪২) এডগার অ্যালান পোর ‘টু হেলেন’ কবিতা অনুসরণে রচিত। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ঝরাপালক (১৯২৮), ধূসর পাণ্ডুলিপি (১৯৩৬), বনলতা সেন (১৯৪২), সাতটি তারার তিমির (১৯৪৮) ও রূপসী বাংলা (১৯৫৭)।
পদ্মানদীর মাঝি ঔপন্যাসিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি উপন্যাস। প্রকাশকালের আনুমানিক হিসাবে পুতুলনাচের ইতিকথাকে তৃতীয় উপন্যাস ধরলে পদ্মানদীর মাঝি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চতুর্থ উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯৩৪ সাল থেকে পূর্বাশা পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হতে থাকে এবং ১৯৩৬ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।