'বটতলার উপন্যাস' গ্রন্থের লেখকের নাম রাজিয়া খান ।
বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর বিখ্যাত রঙ্গব্যঙ্গ রচনা সংকলন ‘কমলাকান্তের দপ্তর’ (১৮৭৫)। তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে সাম্য, কৃষ্ণ চরিত্র ও বিবিধ প্রবন্ধ।উল্লেখযোগ্য উপন্যাস: দুর্গেশনন্দিনী, কপালকুণ্ডলা, মৃণালিনী, বিষবৃক্ষ, কৃষ্ণকান্তের উইল, চন্দ্রশেখর, রজনী, ইন্দিরা, রাধারানী, যুগলাঙ্গুরীয় এবং রাজসিংহ।
আবু ইসহাক (১৯২৬–২০০৩) বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও রূপকধর্মী প্রামাণ্য সমাজচিত্রের লেখক। তাঁর বিখ্যাত প্রথম উপন্যাস ‘সূর্য-দীঘল বাড়ী’ (১৯৫৫) ৫০-এর মন্বন্তরের পটভূমিতে রচিত, যা অবলম্বনে বাংলাদেশের প্রথম সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়।
তাঁর অন্য দুটি উপন্যাস হলো চরাঞ্চলের শ্রমজীবী মানুষের সংগ্রামের কাহিনী ‘পদ্মার পলিদ্বীপ’ এবং গোয়েন্দা অভিজ্ঞতার আলোকে রচিত ‘জাল’। এছাড়া তাঁর রয়েছে গল্পগ্রন্থ ‘হারেম’ ও ‘মহাপতঙ্গ’ এবং একমাত্র নাটক ‘জয়ধ্বনি’
দোভাষী বাংলায় রচিত পুঁথি সাহিত্যকে বটতলার পুঁথি বলা হত, কারণ এগুলো কলকাতার সস্তা প্রেস থেকে বের হতো।
হুমায়ূন আহমেদ-এর প্রথম উপন্যাস ‘নন্দিত নরকে’ (১৯৭২)। ১৯৭০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রাবস্থায় রচিত এ উপন্যাসটি সাহিত্যিক আহমদ ছফার উদ্যোগে প্রকাশিত হয় এবং এর ভূমিকা লেখেন অধ্যাপক আহমদ শরীফ। এর অন্যতম প্রধান চরিত্র ‘রাবেয়া’।
সুকান্ত ভট্টাচার্য (১৯২৬–১৯৪৭) বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী ‘কিশোর কবি’। তিনি মার্কসবাদী ভাবধারায় বিশ্বাসী এবং প্রগতিশীল চেতনার অধিকারী ছিলেন।
তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘ছাড়পত্র’ (১৯৪৭)-এর শিরোনাম কবিতা ‘ছাড়পত্র’ থেকে সংগৃহীত অমর পঙক্তিদ্বয়:
“এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি / নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।”
কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯–১৯৭৬) বাংলা সাহিত্যের ‘বিদ্রোহী কবি’ ও বাংলাদেশের জাতীয় কবি। উল্লিখিত পঙক্তি দুটি তাঁর বিখ্যাত ‘জীবন-বন্দনা’ কবিতার অংশবিশেষ।
তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে অগ্নিবীণা (১৯২২), বিষের বাঁশি (১৯২৪) এবং সাম্যবাদী (১৯২৫)।
আলোচ্য কবিতাংশটুকুর রচয়িতা পল্লিকবি জসীমউদ্দীন। এ অংশটুকু তাঁর অবিস্মরণীয় ‘কবর’ কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে। এটি কবির ‘রাখালী’ কাব্যগ্রন্হের অন্তর্ভুক্ত কবিতা। তাঁর উল্লেখ্যযোগ্য গ্রন্হ – নকশী কাঁথার মাঠ, সোজন বাদিয়ার ঘাট, হাসু প্রভৃতি।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১–১৯৪১) একাধারে কবি, নোবেলজয়ী সাহিত্যিক ও দার্শনিক। উদ্ধৃতাংশটি তাঁর ‘সোনার তরী’ কাব্যের অন্তর্ভুক্ত। পণ্ডিত ব্রহ্মবান্ধব উপাধ্যায় তাঁকে ‘বিশ্বকবি’ এবং মহাত্মা গান্ধী তাঁকে ‘গুরুদেব’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: কবিকাহিনী, বনফুল, গীতাঞ্জলি, পূরবী, সেঁজুতি ও শেষ লেখা।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (ছদ্মনাম ‘অনিলা দেবী’) বাংলা সাহিত্যের ‘অপরাজেয় কথাশিল্পী’।তাঁর কালজয়ী উপন্যাস ‘গৃহদাহ’ (১৯২০) অচলা, মহিম ও সুরেশের মনস্তাত্ত্বিক ত্রিভুজ প্রেমের আখ্যান।অন্যান্য উপন্যাস: বড়দিদি (১৯১৩), পরিণীতা (১৯১৪), দেবদাস (১৯১৭), শ্রীকান্ত (১৯১৭-১৯৩৩), পথের দাবী (১৯২৬ - রাজনৈতিক উপন্যাস) ও শেষ প্রশ্ন (১৯৩১)।
শ্রীকান্ত চরিত্রটি ঔপন্যাসিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সৃষ্টি।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর শ্রেষ্ঠ রচনা হিসেবে বিবেচিত উপন্যাস ‘শ্রীকান্ত’ (১৯১৭–১৯৩৩)। এটি চার খণ্ডে (পর্বে) রচিত তাঁর একটি প্রখ্যাত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস।
-
প্রধান চরিত্রসমূহ: শ্রীকান্ত, রাজলক্ষ্মী, ইন্দ্রনাথ, অভয়া, কমললতা ও সুনন্দা।
চিলেকোঠার সেপাই বাংলাদেশি কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত প্রথম উপন্যাস। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত এটি একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস। এই উপন্যাসের জন্য তিনি ১৯৮৭ সালে আলাওল সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।
কপালকুণ্ডলা সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস। স ১৮৬৬ খ্রিষ্টাব্দে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। গিরিশচন্দ্র ঘোষ এই উপন্যাসের একটি নাট্যরূপ দেন (১৮৭৩)এবং দামোদর মুখোপাধ্যায় এই উপন্যাসের একটি উপসংহার উপন্যাস রচনা করেন এবং নামকরণ করেন মৃন্ময়ী (১৮৭৪)। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি কাব্যধর্মী উপন্যাস।
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত ‘মিলির হাতে স্টেনগান’ একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোটগল্প। বাংলা সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতা ও চেতনাকে কেন্দ্র করে রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গল্পের মধ্যে রয়েছে শাহরিয়ার কবিরের ‘একাত্তরের যীশু’, শওকত ওসমানের ‘জন্ম যদি তব বঙ্গে’, হাসান আজিজুল হকের ‘নামহীন গোত্রহীন’ এবং বিপ্রদাস বড়ুয়ার ‘বীরাঙ্গনার প্রেম’।
''কবর'' নাটকের রচয়িতা--মুনির চৌধুরী । মুনীর চৌধুরী ১৯৫৩ সালে কারাবন্দী অবস্থায় ''কবর'' নাটকটি রচনা করেন।