বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (ছদ্মনাম ‘অনিলা দেবী’) বাংলা সাহিত্যের ‘অপরাজেয় কথাশিল্পী’।তাঁর কালজয়ী উপন্যাস ‘গৃহদাহ’ (১৯২০) অচলা, মহিম ও সুরেশের মনস্তাত্ত্বিক ত্রিভুজ প্রেমের আখ্যান।অন্যান্য উপন্যাস: বড়দিদি (১৯১৩), পরিণীতা (১৯১৪), দেবদাস (১৯১৭), শ্রীকান্ত (১৯১৭-১৯৩৩), পথের দাবী (১৯২৬ - রাজনৈতিক উপন্যাস) ও শেষ প্রশ্ন (১৯৩১)।
শ্রীকান্ত চরিত্রটি ঔপন্যাসিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সৃষ্টি।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর শ্রেষ্ঠ রচনা হিসেবে বিবেচিত উপন্যাস ‘শ্রীকান্ত’ (১৯১৭–১৯৩৩)। এটি চার খণ্ডে (পর্বে) রচিত তাঁর একটি প্রখ্যাত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস।
-
প্রধান চরিত্রসমূহ: শ্রীকান্ত, রাজলক্ষ্মী, ইন্দ্রনাথ, অভয়া, কমললতা ও সুনন্দা।
চিলেকোঠার সেপাই বাংলাদেশি কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত প্রথম উপন্যাস। ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে রচিত এটি একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস। এই উপন্যাসের জন্য তিনি ১৯৮৭ সালে আলাওল সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।
কপালকুণ্ডলা সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দ্বিতীয় উপন্যাস। স ১৮৬৬ খ্রিষ্টাব্দে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। গিরিশচন্দ্র ঘোষ এই উপন্যাসের একটি নাট্যরূপ দেন (১৮৭৩)এবং দামোদর মুখোপাধ্যায় এই উপন্যাসের একটি উপসংহার উপন্যাস রচনা করেন এবং নামকরণ করেন মৃন্ময়ী (১৮৭৪)। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি কাব্যধর্মী উপন্যাস।
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত ‘মিলির হাতে স্টেনগান’ একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোটগল্প। বাংলা সাহিত্যে মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতা ও চেতনাকে কেন্দ্র করে রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গল্পের মধ্যে রয়েছে শাহরিয়ার কবিরের ‘একাত্তরের যীশু’, শওকত ওসমানের ‘জন্ম যদি তব বঙ্গে’, হাসান আজিজুল হকের ‘নামহীন গোত্রহীন’ এবং বিপ্রদাস বড়ুয়ার ‘বীরাঙ্গনার প্রেম’।
''কবর'' নাটকের রচয়িতা--মুনির চৌধুরী । মুনীর চৌধুরী ১৯৫৩ সালে কারাবন্দী অবস্থায় ''কবর'' নাটকটি রচনা করেন।
''বসন্তকুমারী'' নাটক মীর মশাররফ হোসেন রচিত প্রথম নাটক এবং তৃতীয় গ্রন্থ। এটি ১৮৭৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। ''বসন্তকুমারী'' নাটক বাংলা সাহিত্য মুসলমান নাট্যকার রচিত প্রথম সার্থক নাটক।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর শেক্সপিয়ারের নাটককে প্রথম সফল বাংলা গদ্যে রূপান্তর করেন। তিনি উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত নাটক ‘The Comedy of Errors’-এর অনুসরণে রচনা করেন ‘ভ্রান্তিবিলাস’ (১৮৬৯)।
রামনারায়ণ তর্করত্ন (১৮১২–১৮৮৬) বাংলা সাহিত্যের অন্যতম পথিকৃৎ নাট্যকার। বাংলা ভাষায় প্রথাগত ও বিধিবদ্ধ নাটক রচনার জন্য তিনি ‘নাটুকে রামনারায়ণ’ নামে পরিচিত ছিলেন।তাঁর বিখ্যাত রচনা ‘কুলীনকুলসর্বস্ব’ (১৮৫৪) বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক নাটক ও সামাজিক সামাজিক কুপ্রথার বিরুদ্ধে রচিত প্রথম প্রহসন।
নীল দর্পণ হল দীনবন্ধু মিত্র কর্তৃক ১৮৬০ খ্রি. রচিত একটি বাংলা সামাজিক নাটক। এই নাটকের পটভূমি নীল চাষের জন্য সাধারণ কৃষকদের উপর ইংরেজ শাসকদের অত্যাচার ও নিপীড়ন।
মুনীর চৌধুরী রচিত ‘কবর’ (১৯৫৩) কালজয়ী ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক।১৯৫৩ সালে কারাবন্দী অবস্থায় ''কবর''নাটকটি রচনা করেন। - ১৯৫৫ সালের আগস্ট মাসে ‘সংবাদ’ পত্রিকার আজাদী সংখ্যায় কবর প্রথম প্রকাশিত হয়। এর ১০ বছর পর হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ সংকলনের দ্বিতীয় সংস্করণে নাটকটি পুনর্মুদ্রিত হয়।
''সাজাহান'' দ্বিজেন্দ্রলাল রায় রচিত একটি বিখ্যাত নাটক।
বাংলা মৌলিক নাটকের যাত্রা শুরু হয় ১৮৫২ সালে, যোগেন্দ্রচন্দ্র গুপ্তের ''কীর্তিবিলাস'' ও তারাচরণ সিকদারের ''ভদ্রার্জুন'' নাটকের মাধ্যমে। নাটকদ্বয় ১৮৫২ সালে প্রকাশিত হয়।
১৭৫৩ সালে ইংরেজরা কলকাতার লালবাজারের উত্তর-পূর্ব কোণে 'ওল্ড প্লে হাউস' নামে রঙ্গালয় প্রতিষ্ঠা করেন।
নাটকের উৎপত্তি হয় গ্রীসে।
হেরাসিম লেবেডফ বাংলা নাট্যচর্চা, অনুবাদ ও পেশাদার মঞ্চায়নের পথিকৃৎ রুশ নাট্যানুরাগী। ১৭৯৫ সালের ২৭ নভেম্বর তিনি কলকাতার ডোমেতলায় ‘বেঙ্গল থিয়েটার’ প্রতিষ্ঠা করে প্রথম বাংলা নাটক মঞ্চস্থ করেন। তিনি রিচার্ড জডরেলের ইংরেজি নাটক ‘The Disguise’ অনুবাদ করে ‘কাল্পনিক সংবদল’ নামে রূপান্তর করেন, যা বাংলা আধুনিক নাট্যমঞ্চায়নের সূচনা করে।