ঢাকা সেনানিবাসে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দুই দিনব্যাপী (২৬ ও ২৭ জানুয়ারি) ৯ম ল্যান্ড ফোর্সেস টকস -২০২৬ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আলোচনায় নানাবিধ বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রযুক্তিগত সহায়তা ও প্রস্তুতির উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়, যা ভবিষ্যতে আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র অষ্টম ল্যান্ড ফোর্সেস টকস (LFT) অনুষ্ঠিত হয়েছিল।সূত্রঃকালের কণ্ঠ
চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক অংশীদার। বাংলাদেশ-চীন কৌশলগত সহযোগিতায় বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্র, বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র (বিআইসিসি), চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে দেশের প্রথম টানেল, ঢাকার প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, দাশেরকান্দির দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় পয়ঃশোধনাগার, আটটি বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু, প্রথম আইভি টিয়ার ডেটা সেন্টার এবং পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্প।। চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো বিদ্যুত্ খাতেও (পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট ও বাঁশখালী ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুেকন্দ্র) বড় বিনিয়োগ করেছে। সূত্রঃকালের কণ্ঠ
সাফের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্ট সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। সাফের সূত্রে জানা গেছে ভুটান ছাড়া ছয় দেশ সাফ আয়োজন করতে চায়। ছয় দেশের মধ্যে ভারত থাকলেও তারা গত সাফ আয়োজন করেছে। ভারতের সঙ্গে নেপাল, বাংলাদেশ, মালদ্বীপ এগিয়ে রয়েছে।বাংলাদেশ সব শেষ সাফ আয়োজন করেছিল ২০১৮ সালে। আগামী সাফ আয়োজনে বাংলাদেশের আগ্রহ আছে বলে জানা যায় । সূত্রঃদৈনিক ইত্তেফাক
ড্রোন উৎপাদন ও সংযোজন কারখানা স্থাপন এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সরকার-থেকে-সরকার (জিটুজি) পর্যায়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ২৭ জানুয়ারি ,২০২৬ বিমানবাহিনী সদর দপ্তরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী (বিএএফ) ও চায়না ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি গ্রুপ করপোরেশন ইন্টারন্যাশনালের (সিইটিসি) প্রতিনিধিরা এ চুক্তি সই করেন। সূত্রঃThe Daily Star