- আবুল কালাম শামসুদ্দিন ছিলেন একাধারে সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও রাজনীতিক। - তিনি ছিলেন দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদক। - তার আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থটির নাম 'অতীত দিনের স্মৃতি' (১৯৬৮)। এটি বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়। - তার রচিত ভ্রমনকাহিনী 'ইলিয়ড' বেশ জনপ্রিয়। • আবুল কালাম শামসুদ্দিন রচিত অন্যান্য গ্রন্থসমূহ: - অনুবাদ: পলাশী থেকে পাকিস্তান, মরু-ভাস্কর (সিরাত গ্রন্থ)। - প্রবন্ধ ও অন্যান্য: দৃষ্টিভঙ্গি, সাহিত্য ও সংস্কৃতি, ত্রিস্রোতা। • গুরুত্বপূর্ণ বিভ্রান্তি নিরসন (Confusion Clearance): বাংলা সাহিত্যে প্রায় একই রকম নামের দুইজন লেখক রয়েছেন, যা নিয়ে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়। - আবুল কালাম শামসুদ্দিন: ইনি বিখ্যাত সাংবাদিক ও 'অতীত দিনের স্মৃতি'র লেখক। - শামসুদ্দিন আবুল কালাম: ইনি বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক এবং 'কাশবনের কন্যা' উপন্যাসের রচয়িতা। • একই ধরনের আত্মজীবনী বা স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ: - জীবনস্মৃতি: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। - আত্মচরিত: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। - আমার জীবন: রাসসুন্দরী দেবী (প্রথম বাংলা আত্মজীবনী)। - আত্মকথা: আবুল মনসুর আহমদ।
বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
- ‘আগুনমুখার মেয়ে’ গ্রন্থটি মূলত নূরজাহান বোস-এর লেখা একটি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।এই বইয়ে তিনি তাঁর নিজের জীবনের সংগ্রাম, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং সামাজিক পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরেছেন। নূরজাহান বোস ছিলেন একজন সমাজকর্মী এবং জন্মসূত্রে তিনি বরিশালের আগুন্মুখা অঞ্চলের মানুষ ছিলেন, সেখান থেকেই বইটির নামকরণ।
১৯০২ সালে রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের প্রথম গল্প 'পিপাসা' প্রকাশিত হয় 'নবনূর' পত্রিকায়।৩ মে, ১৯০৯ সালে স্বামীর মৃত্যুর পর ১৯১০ সালে কলকাতায় গমন করেন এবং নারী মুক্তির লক্ষ্যে তিনি 'সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল' (১৬ মার্চ, ১৯১১) ও 'আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম' (মুসলিম মহিলা সমিতি)- ১৯১৬ প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ৯ ডিসেম্বর, ১৯৩২ সালে কলকাতায় মারা যান। তার রচিত "মতিচুর", "অবরোধবাসিনী" ও "সুলতানার স্বপ্ন" উপন্যাসগুলি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা। বেগম রোকেয়ার উলেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে: মতিচূর (প্রবন্ধ, ২ খন্ড: ১ম খন্ড ১৯০৪, ২য় খন্ড ১৯২২), Sultana’s Dream (নকশাধর্মী রচনা, ১৯০৮), পদ্মরাগ (উপন্যাস, ১৯২৪), অবরোধবাসিনী (নকশাধর্মী গদ্যগ্রন্থ, ১৯৩১) প্রভৃতি।
প্রমথ চৌধুরীর মতে পৃথিবীতে শ্রেণিভেদ নেই খেলার ময়দানে। প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক। তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।' প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এ গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান। বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন। • তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থঃতেল নুন লকড়ি, বীরবলের হালখাতা, নানাকথা,আমাদের শিক্ষা, রায়তের কথা, নানাচর্চা, আত্মকথা,প্রবন্ধসংগ্রহ ইত্যাদি। সনেট পঞ্চাশৎ ও পদচারণ তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ। তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থঃ চার ইয়ারী কথা, আহুতি, নীললোহিত।
সহস্র জীবন ও সম্ভ্রমের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকায় পরাজিত শক্তি শকুনদের লোলুপ দৃষ্টি এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে পাক বাহিনী কর্তৃক বাঙালি নর-নারীদের ওপর নির্মম নির্যাতনের চিত্র রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত 'বাতাসে লাশের গন্ধ ' কবিতায় ফুটে উঠেছে । তাঁর রচিত কবিতাঃ - উপদ্রুত উপকূল (১৯৭৯), - ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম (১৯৮১), - মানুষের মানচিত্র (১৯৮৬), - ছোবল (১৯৮৬), - গল্প (১৯৮৭), - দিয়েছিলে সকল আকাশ (১৯৮৮), - মৌলিক মুখোশ (১৯৯০) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- ১৯০৬ সালের ১৫ ডিসেম্বর পাবনা জেলার রাধানগর গ্রামে বন্দে আলী মিয়ার জন্ম। - তিনি পাবনার মজুমদার একাডেমী থেকে এন্ট্রান্স (১৯২৩) পাস করে কলকাতার ইন্ডিয়ান আর্ট একাডেমীতে চিত্রবিদ্যায় (১৯২৭) শিক্ষালাভ করেন। - বন্দে আলী মিয়া কবিতা, উপন্যাস, নাটক, জীবনী, শিশুসাহিত্য প্রভৃতি মাধ্যমে গ্রন্থ রচনা করেন। - তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা হলো: কাব্য ময়নামতীর চর (১৯৩০), অনুরাগ (১৯৩২), পদ্মানদীর চর (১৯৫৩), মধুমতীর চর (১৯৫৩), ধরিত্রী (১৯৭৫); উপন্যাস বসন্ত জাগ্রত দ্বারে (১৯৩১), শেষ লগ্ন (১৯৪১), অরণ্য গোধূলি (১৯৪৯), নীড়ভ্রষ্ট (১৯৫৮); গল্পগ্রন্থ তাসের ঘর (১৯৫৪); নাটক মসনদ (১৯৩১); শিশুসাহিত্য চোর জামাই (১৯২৭), মেঘকুমারী (১৯৩২), বাঘের ঘরে ঘোগের বাসা (১৯৩২), সোনার হরিণ (১৯৩৯), শিয়াল পন্ডিতের পাঠশালা (১৯৫৬), কুঁচবরণ কন্যা (১৯৬১), সাত রাজ্যের গল্প (১৯৭৭) এবং জীবনী কামাল আতাতুর্ক (১৯৩৭), শরৎচন্দ্র, ছোটদের নজরুল (১৯৫৮) ইত্যাদি।
আহসান হাবীব 'ছায়াহরিণ' (১৯৬২) কাব্যে বণিক সভ্যতার রুদ্র রুপ দেখিয়েছেন।
অমিয় চক্রবর্তী রচিত কাব্যগ্রন্থ- কবিতাবলী, উপহার, খসড়া, এক মুঠো, মাটির দেওয়াল, অভিজ্ঞান বসন্ত, পারাপার, পালাবদল, ঘরে ফেরার দিন, হারানো অর্কিড, পুষ্পিত ইমেজ, অমরাবতী, অনিঃশেষ, নতুন কবিতা ইত্যাদি। সূত্রঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য
- শামসুর রাহমান ২৪ অক্টোবর, (পারিবারিক হিসেবে ২৩ অক্টোবর) ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দে পুরান ঢাকার মাহুতটুলিতে জন্মগ্রহণ করেন। - পৈতৃক নিবাস নরসিংদী জেলার রায়পুরার পাড়াতলি গ্রাম। - শামসুর রাহমানের ডাকনাম- বাচ্চু। - ১৯৫৭ সালে সাংবাদিক হিসেবে 'দৈনিক মর্নিং নিউজ'- এ কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৬৪ সালে 'দৈনিক পাকিস্তান' পত্রিকায় যোগদান করেন। পরবর্তীতে এটি 'দৈনিক বাংলা' নামে নামকরণ হয়। ১৯৭৭ সালে 'দৈনিক বাংলা' ও সাপ্তাহিক 'বিচিত্রা'র সম্পাদক নিযুক্ত হন। ১৯৮৭ সালে সরকার পরিচালিত 'দৈনিক বাংলা' থেকে পদত্যাগ করেন। - মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি কলকাতার 'দেশ' পত্রিকায় 'মজলুম আদিব' ছদ্মনামে কবিতা লিখতেন। - তিনি বিভিন্ন পত্রিকায় সিন্দাবাদ, চক্ষুষ্মান, লিপিকার, নেপথ্যে, জনান্তিকে, মৈনাক প্রভৃতি ছদ্মনামে সম্পাদকীয় ও উপসম্পাদকীয় লিখতেন। - শামসুর রাহমান 'নাগরিক কবি' হিসেবে খ্যাত। - তিনি ১৯৬৩ সালে 'আদমজী সাহিত্য পুরস্কার', ১৯৬৯ সালে 'বাংলা একাডেমি পুরস্কার', ১৯৭৭ সালে 'একুশে পদক' এবং ১৯৯১ সালে 'স্বাধীনতা পুরস্কার' লাভ করেন। - তিনি ১৭ আগস্ট, ২০০৬ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকার পিজি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। • তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো- তাঁর মোট কাব্য ৬৫টি। - 'প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে' (১৯৬০): এটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ। - 'বন্দী শিবির থেকে' (১৯৭২): এ কাব্যে স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন আবেগ ও প্রত্যাশা প্রাধান্য পেয়েছে। এ কাব্যের মাধ্যমে তিনি কবি খ্যাতি অর্জন করেন। - 'বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে' (১৯৭৭), - 'উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ' (১৯৮২) - 'রৌদ্র করোটিতে' (১৯৬৩), - 'বিধ্বস্ত নীলিমা' (১৯৬৭), - 'নিরালোকে দিব্যরথ' (১৯৬৮), - 'নিজ বাসভূমে' (১৯৭০), - 'দুঃসময়ের মুখোমুখি' (১৯৭৩), - 'ফিরিয়ে নাও ঘাতককাটা' (১৯৭৪), - 'আদিগন্ত নগ্ন পদধ্বনি' (১৯৭৪), - 'এক ধরনের অহংকার' (১৯৭৫), - 'আমি অনাহারী' (১৯৭৬), - 'শূন্যতায় তুমি শোকসভা' (১৯৭৭), - 'প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে' (১৯৭৮), - 'প্রেমের কবিতা' (১৯৮১), - 'ইকারুসের আকাশ' (১৯৮২), - 'এক ফোঁটা কেমন অনল' (১৯৮৬), - 'বুক তাঁর বাংলাদেশের হৃদয়' (১৯৮৮), - 'হরিণের হাড়' (১৯৯৩), - 'তুমিই নিঃশ্বাস, তুমিই হৃদস্পন্দন' (১৯৯৬), - 'হেমন্ত সন্ধ্যায় কিছুকাল' (১৯৯৭), - 'না বাস্তব না দুঃস্বপ্ন' (২০০৬)। • তাঁর উপন্যাসসমূহঃ - 'অক্টোপাস' (১৯৮৩), - 'অদ্ভুত আঁধার এক' (১৯৮৫), - 'নিয়ত মন্তাজ' (১৯৮৫), - 'এলো সে অবেলায়' (১৯৯৪)।
• শামসুর রাহমানের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থসমূহ: - তাঁর মোট কাব্য ৬৫টি। - 'প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে' (১৯৬০): এটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ। - 'বন্দী শিবির থেকে' (১৯৭২): এ কাব্যে স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন আবেগ ও প্রত্যাশা প্রাধান্য পেয়েছে। এ কাব্যের মাধ্যমে তিনি কবি খ্যাতি অর্জন করেন। - 'বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে' (১৯৭৭), - 'উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ' (১৯৮২) - 'রৌদ্র করোটিতে' (১৯৬৩), - 'বিধ্বস্ত নীলিমা' (১৯৬৭), - 'নিরালোকে দিব্যরথ' (১৯৬৮), - 'নিজ বাসভূমে' (১৯৭০), - 'দুঃসময়ের মুখোমুখি' (১৯৭৩), - 'ফিরিয়ে নাও ঘাতককাটা' (১৯৭৪), - 'আদিগন্ত নগ্ন পদধ্বনি' (১৯৭৪), - 'এক ধরনের অহংকার' (১৯৭৫), - 'আমি অনাহারী' (১৯৭৬), - 'শূন্যতায় তুমি শোকসভা' (১৯৭৭), - 'প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে' (১৯৭৮), - 'প্রেমের কবিতা' (১৯৮১), - 'ইকারুসের আকাশ' (১৯৮২), - 'এক ফোঁটা কেমন অনল' (১৯৮৬), - 'বুক তাঁর বাংলাদেশের হৃদয়' (১৯৮৮), - 'হরিণের হাড়' (১৯৯৩), - 'তুমিই নিঃশ্বাস, তুমিই হৃদস্পন্দন' (১৯৯৬), - 'হেমন্ত সন্ধ্যায় কিছুকাল' (১৯৯৭), - 'না বাস্তব না দুঃস্বপ্ন' (২০০৬)। • তাঁর উপন্যাসসমূহঃ - 'অক্টোপাস' (১৯৮৩), - 'অদ্ভুত আঁধার এক' (১৯৮৫), - 'নিয়ত মন্তাজ' (১৯৮৫), - 'এলো সে অবেলায়' (১৯৯৪)।
● শামসুর রাহমান রচিত কাব্যগ্রন্থ ‘রৌদ্র করোটিতে (১৯৬৩)। - এ কাব্যের কবিতাগুলোর মূল বিষয় মৃত্যু ও অন্ধকার। - আইয়ুব খানের শাসনামলে সামরিক শাসনের কারণে পূর্ব পাকিস্তানে বিরাজিত অন্ধকার সময়কে তিনি এ কাব্যে উপস্থাপন করেছেন। • শামসুর রাহমানের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থসমূহ: - তাঁর মোট কাব্য ৬৫টি। - 'প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে' (১৯৬০): এটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ। - 'বন্দী শিবির থেকে' (১৯৭২): এ কাব্যে স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন আবেগ ও প্রত্যাশা প্রাধান্য পেয়েছে। এ কাব্যের মাধ্যমে তিনি কবি খ্যাতি অর্জন করেন। - 'বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে' (১৯৭৭), - 'উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ' (১৯৮২), - 'বিধ্বস্ত নীলিমা' (১৯৬৭), - 'নিরালোকে দিব্যরথ' (১৯৬৮), - 'নিজ বাসভূমে' (১৯৭০), - 'দুঃসময়ের মুখোমুখি' (১৯৭৩), - 'ফিরিয়ে নাও ঘাতককাটা' (১৯৭৪), - 'আদিগন্ত নগ্ন পদধ্বনি' (১৯৭৪), - 'এক ধরনের অহংকার' (১৯৭৫), - 'আমি অনাহারী' (১৯৭৬), - 'শূন্যতায় তুমি শোকসভা' (১৯৭৭), - 'প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে' (১৯৭৮), - 'প্রেমের কবিতা' (১৯৮১), - 'ইকারুসের আকাশ' (১৯৮২), - 'এক ফোঁটা কেমন অনল' (১৯৮৬), - 'বুক তাঁর বাংলাদেশের হৃদয়' (১৯৮৮), - 'হরিণের হাড়' (১৯৯৩), - 'তুমিই নিঃশ্বাস, তুমিই হৃদস্পন্দন' (১৯৯৬), - 'হেমন্ত সন্ধ্যায় কিছুকাল' (১৯৯৭), - 'না বাস্তব না দুঃস্বপ্ন' (২০০৬)। • তাঁর উপন্যাসসমূহঃ - 'অক্টোপাস' (১৯৮৩), - 'অদ্ভুত আঁধার এক' (১৯৮৫), - 'নিয়ত মন্তাজ' (১৯৮৫), - 'এলো সে অবেলায়' (১৯৯৪)। অন্যদিকে, ● হাসান হাফিজুর রহমানের কাব্যগ্রন্থ ‘বিমুখ প্রান্তর' (১৯৬৩); ● সুকান্ত ভট্টাচার্যের কাব্যগ্রন্থ ‘ছাড়পত্র' (১৯৪৭); ● আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ রচিত কাব্য ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' (১৯৮১)।
'প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে 'শামসুর রাহমানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ । এ ছাড়াও রৌদ্র করোটিতে , বিধ্বস্ত নীলিমা , বন্দী শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থগুলো তিনি রচনা করেন।
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত রচিত মৌলিক কাব্য- বেলা শেষের গান। - জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ: - ‘ঝরাপালক' (১৯২৭), 'মহাপৃথিবী' (১৯৪৪), 'সাতটি তারার তিমির' (১৯৪৮), 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' (১৯৩৬), ‘বনলতা সেন' (১৯৪২), 'রূপসী বাংলা' (১৯৫৭), ‘বেলা অবেলা কালবেলা' (১৯৬১)।