বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
- শামসুর রাহমান ২৪ অক্টোবর, (পারিবারিক হিসেবে ২৩ অক্টোবর) ১৯২৯ খ্রিষ্টাব্দে পুরান ঢাকার মাহুতটুলিতে জন্মগ্রহণ করেন। - পৈতৃক নিবাস নরসিংদী জেলার রায়পুরার পাড়াতলি গ্রাম। - শামসুর রাহমানের ডাকনাম- বাচ্চু। - ১৯৫৭ সালে সাংবাদিক হিসেবে 'দৈনিক মর্নিং নিউজ'- এ কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৬৪ সালে 'দৈনিক পাকিস্তান' পত্রিকায় যোগদান করেন। পরবর্তীতে এটি 'দৈনিক বাংলা' নামে নামকরণ হয়। ১৯৭৭ সালে 'দৈনিক বাংলা' ও সাপ্তাহিক 'বিচিত্রা'র সম্পাদক নিযুক্ত হন। ১৯৮৭ সালে সরকার পরিচালিত 'দৈনিক বাংলা' থেকে পদত্যাগ করেন। - মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি কলকাতার 'দেশ' পত্রিকায় 'মজলুম আদিব' ছদ্মনামে কবিতা লিখতেন। - তিনি বিভিন্ন পত্রিকায় সিন্দাবাদ, চক্ষুষ্মান, লিপিকার, নেপথ্যে, জনান্তিকে, মৈনাক প্রভৃতি ছদ্মনামে সম্পাদকীয় ও উপসম্পাদকীয় লিখতেন। - শামসুর রাহমান 'নাগরিক কবি' হিসেবে খ্যাত। - তিনি ১৯৬৩ সালে 'আদমজী সাহিত্য পুরস্কার', ১৯৬৯ সালে 'বাংলা একাডেমি পুরস্কার', ১৯৭৭ সালে 'একুশে পদক' এবং ১৯৯১ সালে 'স্বাধীনতা পুরস্কার' লাভ করেন। - তিনি ১৭ আগস্ট, ২০০৬ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকার পিজি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। • তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো- তাঁর মোট কাব্য ৬৫টি। - 'প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে' (১৯৬০): এটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ। - 'বন্দী শিবির থেকে' (১৯৭২): এ কাব্যে স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন আবেগ ও প্রত্যাশা প্রাধান্য পেয়েছে। এ কাব্যের মাধ্যমে তিনি কবি খ্যাতি অর্জন করেন। - 'বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে' (১৯৭৭), - 'উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ' (১৯৮২) - 'রৌদ্র করোটিতে' (১৯৬৩), - 'বিধ্বস্ত নীলিমা' (১৯৬৭), - 'নিরালোকে দিব্যরথ' (১৯৬৮), - 'নিজ বাসভূমে' (১৯৭০), - 'দুঃসময়ের মুখোমুখি' (১৯৭৩), - 'ফিরিয়ে নাও ঘাতককাটা' (১৯৭৪), - 'আদিগন্ত নগ্ন পদধ্বনি' (১৯৭৪), - 'এক ধরনের অহংকার' (১৯৭৫), - 'আমি অনাহারী' (১৯৭৬), - 'শূন্যতায় তুমি শোকসভা' (১৯৭৭), - 'প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে' (১৯৭৮), - 'প্রেমের কবিতা' (১৯৮১), - 'ইকারুসের আকাশ' (১৯৮২), - 'এক ফোঁটা কেমন অনল' (১৯৮৬), - 'বুক তাঁর বাংলাদেশের হৃদয়' (১৯৮৮), - 'হরিণের হাড়' (১৯৯৩), - 'তুমিই নিঃশ্বাস, তুমিই হৃদস্পন্দন' (১৯৯৬), - 'হেমন্ত সন্ধ্যায় কিছুকাল' (১৯৯৭), - 'না বাস্তব না দুঃস্বপ্ন' (২০০৬)। • তাঁর উপন্যাসসমূহঃ - 'অক্টোপাস' (১৯৮৩), - 'অদ্ভুত আঁধার এক' (১৯৮৫), - 'নিয়ত মন্তাজ' (১৯৮৫), - 'এলো সে অবেলায়' (১৯৯৪)।
• শামসুর রাহমানের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থসমূহ: - তাঁর মোট কাব্য ৬৫টি। - 'প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে' (১৯৬০): এটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ। - 'বন্দী শিবির থেকে' (১৯৭২): এ কাব্যে স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন আবেগ ও প্রত্যাশা প্রাধান্য পেয়েছে। এ কাব্যের মাধ্যমে তিনি কবি খ্যাতি অর্জন করেন। - 'বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে' (১৯৭৭), - 'উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ' (১৯৮২) - 'রৌদ্র করোটিতে' (১৯৬৩), - 'বিধ্বস্ত নীলিমা' (১৯৬৭), - 'নিরালোকে দিব্যরথ' (১৯৬৮), - 'নিজ বাসভূমে' (১৯৭০), - 'দুঃসময়ের মুখোমুখি' (১৯৭৩), - 'ফিরিয়ে নাও ঘাতককাটা' (১৯৭৪), - 'আদিগন্ত নগ্ন পদধ্বনি' (১৯৭৪), - 'এক ধরনের অহংকার' (১৯৭৫), - 'আমি অনাহারী' (১৯৭৬), - 'শূন্যতায় তুমি শোকসভা' (১৯৭৭), - 'প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে' (১৯৭৮), - 'প্রেমের কবিতা' (১৯৮১), - 'ইকারুসের আকাশ' (১৯৮২), - 'এক ফোঁটা কেমন অনল' (১৯৮৬), - 'বুক তাঁর বাংলাদেশের হৃদয়' (১৯৮৮), - 'হরিণের হাড়' (১৯৯৩), - 'তুমিই নিঃশ্বাস, তুমিই হৃদস্পন্দন' (১৯৯৬), - 'হেমন্ত সন্ধ্যায় কিছুকাল' (১৯৯৭), - 'না বাস্তব না দুঃস্বপ্ন' (২০০৬)। • তাঁর উপন্যাসসমূহঃ - 'অক্টোপাস' (১৯৮৩), - 'অদ্ভুত আঁধার এক' (১৯৮৫), - 'নিয়ত মন্তাজ' (১৯৮৫), - 'এলো সে অবেলায়' (১৯৯৪)।
● শামসুর রাহমান রচিত কাব্যগ্রন্থ ‘রৌদ্র করোটিতে (১৯৬৩)। - এ কাব্যের কবিতাগুলোর মূল বিষয় মৃত্যু ও অন্ধকার। - আইয়ুব খানের শাসনামলে সামরিক শাসনের কারণে পূর্ব পাকিস্তানে বিরাজিত অন্ধকার সময়কে তিনি এ কাব্যে উপস্থাপন করেছেন। • শামসুর রাহমানের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থসমূহ: - তাঁর মোট কাব্য ৬৫টি। - 'প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে' (১৯৬০): এটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ। - 'বন্দী শিবির থেকে' (১৯৭২): এ কাব্যে স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন আবেগ ও প্রত্যাশা প্রাধান্য পেয়েছে। এ কাব্যের মাধ্যমে তিনি কবি খ্যাতি অর্জন করেন। - 'বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে' (১৯৭৭), - 'উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ' (১৯৮২), - 'বিধ্বস্ত নীলিমা' (১৯৬৭), - 'নিরালোকে দিব্যরথ' (১৯৬৮), - 'নিজ বাসভূমে' (১৯৭০), - 'দুঃসময়ের মুখোমুখি' (১৯৭৩), - 'ফিরিয়ে নাও ঘাতককাটা' (১৯৭৪), - 'আদিগন্ত নগ্ন পদধ্বনি' (১৯৭৪), - 'এক ধরনের অহংকার' (১৯৭৫), - 'আমি অনাহারী' (১৯৭৬), - 'শূন্যতায় তুমি শোকসভা' (১৯৭৭), - 'প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে' (১৯৭৮), - 'প্রেমের কবিতা' (১৯৮১), - 'ইকারুসের আকাশ' (১৯৮২), - 'এক ফোঁটা কেমন অনল' (১৯৮৬), - 'বুক তাঁর বাংলাদেশের হৃদয়' (১৯৮৮), - 'হরিণের হাড়' (১৯৯৩), - 'তুমিই নিঃশ্বাস, তুমিই হৃদস্পন্দন' (১৯৯৬), - 'হেমন্ত সন্ধ্যায় কিছুকাল' (১৯৯৭), - 'না বাস্তব না দুঃস্বপ্ন' (২০০৬)। • তাঁর উপন্যাসসমূহঃ - 'অক্টোপাস' (১৯৮৩), - 'অদ্ভুত আঁধার এক' (১৯৮৫), - 'নিয়ত মন্তাজ' (১৯৮৫), - 'এলো সে অবেলায়' (১৯৯৪)। অন্যদিকে, ● হাসান হাফিজুর রহমানের কাব্যগ্রন্থ ‘বিমুখ প্রান্তর' (১৯৬৩); ● সুকান্ত ভট্টাচার্যের কাব্যগ্রন্থ ‘ছাড়পত্র' (১৯৪৭); ● আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ রচিত কাব্য ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি' (১৯৮১)।
'প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে 'শামসুর রাহমানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ । এ ছাড়াও রৌদ্র করোটিতে , বিধ্বস্ত নীলিমা , বন্দী শিবির থেকে কাব্যগ্রন্থগুলো তিনি রচনা করেন।
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত রচিত মৌলিক কাব্য- বেলা শেষের গান। - জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ: - ‘ঝরাপালক' (১৯২৭), 'মহাপৃথিবী' (১৯৪৪), 'সাতটি তারার তিমির' (১৯৪৮), 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' (১৯৩৬), ‘বনলতা সেন' (১৯৪২), 'রূপসী বাংলা' (১৯৫৭), ‘বেলা অবেলা কালবেলা' (১৯৬১)।
- জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ: - ‘ঝরাপালক' (১৯২৭), 'মহাপৃথিবী' (১৯৪৪), 'সাতটি তারার তিমির' (১৯৪৮), 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' (১৯৩৬), ‘বনলতা সেন' (১৯৪২), 'রূপসী বাংলা' (১৯৫৭), ‘বেলা অবেলা কালবেলা' (১৯৬১)।
শামুকজাতীয় সামুদ্রিক প্রাণীর দলই হলো শঙ্খমালা। কিন্তু কবি জীবনানন্দ দাশ এই পৃথিবীতে এক স্থান আছে কবিতায় শঙ্খমালা বলতে পৌরাণিক / রূপকথার চরিত্রের কথা বলেছেন। কবিতায় কবি বিশ্বাস করেন, সুন্দর এ বিচিত্র পৃথিবীর যে রূপ-সৌন্দর্য তা অন্য কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। প্রকৃতির রূপ বর্ণনায় কবি শঙ্খমালা নামক পৌরাণিক চরিত্রের অবতারণা করেছেন।
রূপসী বাংলার ও নির্জনতার কবি জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯-১৯৫৪) জন্মগ্রহণ করেন বরিশাল জেলায় । তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হল : -মহাপৃথিবী , - ধূসর , - পাণ্ডুলিপি , - ঝরাপালক , - বনলতা সেন , - রুপসি বাংলা । উপন্যাস হল : - মাল্যবান , = সতীর্থ । 'কবিতার কথা ' হল উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ । অন্যদিকে প্ললিকবি জসীমউদ্দীনের উল্লখযোগ্য হল ঃ রাখালী ,নকশী কাথার মাঠ , বালুচর , সোজনবাদিয়ার ঘাট , ধানক্ষেত ,মাটির কান্না , মা যে জননী কান্দে ।
জীবনানন্দ দাশের আরো কিছু কাব্যগ্রন্থঃ - ঝরাপালক (১৯২৮), - ধুসর পানডুলিপি( ১৯৩৬), - বনলতা সেন(১৯৪২) , - মহাপৃথিবী (১৯৪৪), - সাতটি তারার তিমির (১৯৪৮), - রুপসি বাংলা(১৯৫৭)।
- জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ: ‘ঝরাপালক’ (১৯২৭), ‘মহাপৃথিবী’ (১৯৪৪), ‘সাতটি তারার তিমির' (১৯৪৮), 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' (১৯৩৬), 'বনলতা সেন' (১৯৪২), 'রূপসী বাংলা' (১৯৫৭), 'বেলা অবেলা কালবেলা' (১৯৬১)।
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের একজন অমর কথাশিল্পী। সঙ্গীতজ্ঞ হিসাবেও খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তার বিখ্যাত রচনা "শ্রীকান্ত" -তে দেখা যায় তিনি নিয়মিত 'রাজলক্ষী' নামের এক বাঈজির আসরে যাতায়ত করতেন। বন্ধুদের অনুরোধে তিনি বহুদিনের জন্য সঙ্গীতের আসরে অংশগ্রহন করতে চলে আসতেন।
মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে নিজেদের বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইতালি।লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করা বাব আল-মান্দেব প্রণালিটি ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যকার বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ততম নৌপথ। সুয়েজ খালে প্রবেশ ও বের হওয়ার ক্ষেত্রে তেল, গ্যাস ও কনটেইনারবাহী জাহাজের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রুট।ইয়েমেনকে আফ্রিকা মহাদেশের জিবুতি ও ইরিত্রিয়া থেকে পৃথক করা এই সংকীর্ণ প্রণালিটি দিয়ে বিশ্ব বাণিজ্যের প্রায় ১২ থেকে ১৫ শতাংশ পরিচালিত হয়। সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন সৌদি আরবের কাছে ৪৮টি অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন দিতে মার্কিন আইনপ্রণেতাদের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছে। এসব যুদ্ধবিমানের আনুমানিক মূল্য ২ হাজার ৪৩০ কোটি ডলার।সূত্রঃপ্রথম আলো
২০২৫ সালে বৈশ্বিক প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (FDI) প্রায় ১.৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে—যা আগের বছরের তুলনায় ৬% বেশি। টানা দুই বছর পতনের পর এটি ছিল প্রথমবারের মতো FDI বৃদ্ধির ঘটনা। (UNCTAD, World Investment Report 2026)