আর্কটিক অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড দখলে নিতে প্রয়োজনবোধে সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিকল্পটিও যুক্তরাষ্ট্র সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।৫৭ হাজার মানুষের এই দ্বীপটিতে মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের ইঙ্গিতকে ন্যাটোর আদর্শ ও বিশ্বশান্তির জন্য বড় হুমকি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক
একক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদক—এ ক্ষেত্রে অন্য সবার চেয়ে তারা অনেকটাই এগিয়ে। যুক্তরাষ্ট্র যে তেল উৎপাদন করে, তা মূলত হালকা ও অপরিশোধিত ধরনের। কিন্তু তাদের বেশির ভাগ তেল পরিশোধনাগারের যে সক্ষমতা, তাতে তাদের ভারী ও অপরিশোধিত তেল প্রয়োজন।সূত্রঃ প্রথম আলো
বর্তমানে মার্কিন সরকারের অনুমতির আওতায় ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি পিডিভিএসএর প্রধান যৌথ অংশীদার শেভরন যুক্তরাষ্ট্রে তেল সরবরাহের পুরো বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করছে। ভেনেজুয়েলার তেলে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ২০২২ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের কাছ থেকে বিশেষ লাইসেন্স পায় শেভরন।বর্তমানে ভেনেজুয়েলার মোট তেল উত্তোলনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ উত্তোলন করছে শেভরন।সূত্রঃ প্রথম আলো
পশ্চিমের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আফ্রিকায় সামরিক অভ্যুত্থানকে ‘ভাইরাসের মতো’ ছড়িয়ে পড়া হিসেবে দেখছেন। ২০২০ সালের পর থেকে অর্থাৎ, গত ৫ বছরে আফ্রিকার ৯ দেশ সরাসরি সেনাশাসনে গিয়েছে। এই সেনা-শাসিত দেশগুলোকে সংবাদ বিশ্লেষকরা ‘ক্যু-বেল্ট’ হিসেবে পরিচিতি দিয়েছেন। বর্তমানে পশ্চিমে আটলন্টিকের তীরবর্তী গিনি ও গিনি-বিসাউ থেকে শুরু করে পুবে সীমান্তবর্তী মালি, নাইজার, শাদ ও সুদান হয়ে লোহিত সাগর পর্যন্ত পুরো অঞ্চল সেনা-শাসিত। সূত্রঃ The Daily Star