বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে কার্বন ক্রেডিট অর্জন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ঢাকার আমিনবাজার ল্যান্ডফিলে বাস্তবায়নাধীন দেশের প্রথম বড় আকারের বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে এই কার্বন ক্রেডিট পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ল্যান্ডফিলের বর্জ্য থেকে ৪২ দশমিক ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের এই প্রকল্প বাস্তবায়নে চীনের সাথে ইতোমধ্যে অর্থায়ন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ২০২৮ সালে এই প্রকল্প থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে এবং দেশবাসী এর সুফল পাবে।সূত্রঃ যুগান্তর
বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক
বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান
বিষয় ও অধ্যায়সমূহ লোড হচ্ছে...
কোন বিষয় বা অধ্যায় খুঁজে পাওয়া যায়নি
কোন পরীক্ষা বা ট্যাগ পাওয়া যায়নি
সক্রিয় ফিল্টার:
সঠিক উত্তর
C (৪২ .৫ মেগাওয়াট)
ব্যাখ্যা:
সঠিক উত্তর
B (পুলিশের অন্যূন অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক)
ব্যাখ্যা:
স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-এর মহাপরিচালক পদে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির নাম এখনো ঘোষণা করা হয়নি। তবে পাস হওয়া এসআরবি আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশ পুলিশের অন্তত অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজি) পদের একজন কর্মকর্তা এই পদে সরকারের মাধ্যমে নিয়োগ পাবেন।সূত্রঃDhaka Tribune
সঠিক উত্তর
B (সফলতা লাভ)
সঠিক উত্তর
B (অবজ্ঞাসূচক)
ব্যাখ্যা:
'তুমি আমার কাঁচকলা করবে' বাক্যটিতে 'কাঁচকলা' শব্দটি একটি বাগধারা হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। আক্ষরিক অর্থে 'কাঁচকলা' বলতে কাঁচা কলা বা সবজিবিশেষ বোঝালেও, বাগধারা হিসেবে এর অর্থ হলো কিছুই করতে না পারা বা অনিষ্ট করতে অক্ষম হওয়া।
সঠিক উত্তর
A (কোনো কথা উত্থাপন করা)
ব্যাখ্যা:
'কানে তোলা' একটি বাগধারা, যার অর্থ হলো কোনো কথা উত্থাপন করা বা কারো গোচরীভূত করা (কারো কানে কথাটি পৌঁছানো)।
সঠিক উত্তর
B (হাত গুটান)
ব্যাখ্যা:
'কার্যে বিরতি' বা কাজ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেওয়া অর্থে 'হাত গুটান' বা 'হাত গুটানো' বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর
C (চিনে জোঁক)
সঠিক উত্তর
D (অক্ষম ব্যক্তির বৃথা আস্ফালন)
ব্যাখ্যা:
বিষ নেই তার কুলোপনা চক্কর একটি বহুল প্রচলিত বাংলা বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ হলো, যে সাপের বিষ নেই কিন্তু সে ফণা তুলে ভয় দেখানোর চেষ্টা করে। এর অন্তর্নিহিত বা সঠিক অর্থ হলো অক্ষম ব্যক্তির বৃথা আস্ফালন বা যার কোনো ক্ষমতা নেই তার অযথা অহংকার প্রদর্শন।
সঠিক উত্তর
C (ব্যাঙের আধুলি - ব্যাঙের সর্দি)
সঠিক উত্তর
C (তাসের ঘর)
ব্যাখ্যা:
প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে তাসের ঘর বাগধারাটির অর্থ ভিন্ন। এর অর্থ হলো ক্ষণস্থায়ী বস্তু বা যা সহজেই ভেঙে যায়।
সঠিক উত্তর
B (শরতের শিশির)
সঠিক উত্তর
C (ছা-পোষা)
ব্যাখ্যা:
এখানে ছা-পোষা বাগধারাটির অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন। এর অর্থ হলো অত্যন্ত গরিব বা যে ব্যক্তি কেবল সন্তান-সন্ততি পালন করেই দিনাতিপাত করে (যেমন: ছা-পোষা কেরানি)।
সঠিক উত্তর
C (বকধার্মিক, বিড়াল তপস্বী)
সঠিক উত্তর
D (পোয়া বারো)
ব্যাখ্যা:
প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে পোয়া বারো বাগধারাটির অর্থ হলো অতিরিক্ত লাভ বা সুসময়, যা মূলত একটি ইতিবাচক অর্থ বহন করে।
সঠিক উত্তর
D (দীর্ঘসূত্রতা)
ব্যাখ্যা:
'হচ্ছে হবে' বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো দীর্ঘসূত্রতা বা কোনো কাজে অকারণে দেরি করা। যে কাজে অযথা সময়ক্ষেপণ করা হয় বা 'আজ নয় কাল' বলে ফেলে রাখা হয়, তা বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর
B (নিরেট মূর্খ)
সঠিক উত্তর
D (গৃহহীন)
সঠিক উত্তর
A (হতভাগ্য)
ব্যাখ্যা:
'হাড় হাভাতে' বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো হতভাগ্য বা চরম দুর্ভাগ্যবান। যার ভাগ্য এতটাই খারাপ যে সর্বদা অভাব-অনটন লেগেই থাকে, এমন দুর্দশাগ্রস্ত ব্যক্তিকে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর
B (নিতান্ত শিশু)
ব্যাখ্যা:
- শুঁড় বার করা – লোভ করা, - হাঁটুর বয়স – নিতান্ত শিশু, - হ-য-ব-র-ল – বিশৃঙ্খলা, - সুবিধা করা – হালে পানি পাওয়া।
সঠিক উত্তর
C (কৃপণ)
সঠিক উত্তর
A (কৃপণ স্বভাব)
ব্যাখ্যা:
'হাল বায় না তেড়ে গুঁতোয়' বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো কুকাজে পটুত্ব বা খারাপ কাজে পারদর্শী হওয়া। অর্থাৎ, যে ব্যক্তি আসল বা কাজের কাজ না করে অকাজে বা ক্ষতিকর কাজে বেশি উৎসাহ দেখায়, তাকে বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর
A (কৃপণ স্বভাব)
ব্যাখ্যা:
'হাত টান' একটি সুপরিচিত বাংলা বাগধারা। এর সঠিক অর্থ হলো চুরির অভ্যাস বা অন্যের জিনিস না বলে নিয়ে নেওয়ার বদভ্যাস। শব্দার্থ ও ব্যবহার: এখানে 'হাত' শব্দটি কাজ বা কর্মের প্রতীক এবং 'টান' বলতে নিজের দিকে টেনে নেওয়া বা চুরি করাকে বোঝানো হয়েছে। যার একটু সুযোগ পেলেই অন্যের জিনিস সরিয়ে ফেলার প্রবণতা আছে, তার ক্ষেত্রে বলা হয় 'লোকটার হাত টান আছে'।
সঠিক উত্তর
A (কর্মব্যস্ত থাকা)
ব্যাখ্যা:
'হাত জোড়া থাকা' বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো কর্মব্যস্ত থাকা বা কাজের মধ্যে সম্পূর্ণ যুক্ত থাকা। শব্দার্থ ও ব্যবহার: যখন কোনো ব্যক্তির হাতে এত বেশি কাজ থাকে যে নতুন কোনো কাজ করার বা অন্য দিকে মনোযোগ দেওয়ার মতো সময় থাকে না, তখন এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়। এখানে 'জোড়া' বলতে হাতের ব্যস্ততা বা কাজে আটকে থাকাকে বোঝানো হয়েছে। যেমন: 'এখন আমাকে ডাকবে না, আমার হাত জোড়া।'
সঠিক উত্তর
D (কোনটিই নয়)
প্যাকেজ প্রয়োজন