বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক

বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান

মোট ৮৮৩০৯+ প্রশ্ন
বিষয় ও অধ্যায়সমূহ লোড হচ্ছে...
কোন বিষয় বা অধ্যায় খুঁজে পাওয়া যায়নি
কোন পরীক্ষা বা ট্যাগ পাওয়া যায়নি
সক্রিয় ফিল্টার:
সঠিক উত্তর A (New Yalu River Bridge)
ব্যাখ্যা:

উত্তর কোরিয়া চীনের সঙ্গে নির্মাণাধীন New Yalu River Bridge-এর কাজ প্রায় শেষ করেছে। ১২ বছর ধরে স্থবির থাকা প্রায় ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতুটির উত্তর কোরিয়া অংশের কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন স্থাপনার কাজও সেপ্টেম্বরের শুরুতে প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। স্যাটেলাইট ছবি বিশ্লেষণকারী SI Analytics জানিয়েছে, মাত্র ৪ মাসে কাজটি দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেতুটি চালু হলে চীন ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে ভ্রমণ ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ আরও বাড়বে।সূত্র: Reuters

সঠিক উত্তর A (সার্কাডিয়ান ছন্দ)
ব্যাখ্যা:

খাবার শুধু কী খাচ্ছি তার ওপর নয়, কখন খাচ্ছি তার ওপরও স্বাস্থ্য অনেকটা নির্ভর করে। শরীরের ২৪ ঘণ্টার জৈবিক ছন্দকে সার্কাডিয়ান ছন্দ বা বায়োলজিকাল ক্লক বলা হয়। ঘুম থেকে ওঠার ৩০ মিনিটের মধ্যে আঁশ, আমিষ ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাটযুক্ত নাশতা এবং দিনের শুরুতে বেশি ক্যালরি গ্রহণ হজম, বিপাকক্রিয়া ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক। অন্যদিকে রাতে ভারী, চর্বিযুক্ত ও শর্করাজাতীয় খাবার এড়িয়ে হালকা খাবার খাওয়া এবং প্রতিদিন একই সময়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস হজম ও ঘুম ভালো রাখতে সাহায্য করে।সূত্র: বণিক বার্তা

সঠিক উত্তর A (যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়)
ব্যাখ্যা:
বাঘা যতীন (যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়) ছিলেন ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সাহসী বিপ্লবী। তিনি কুষ্টিয়ার কয়াগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য পছন্দ করতেন। একটি বাঘকে ছুরি দিয়ে পরাজিত করার পর তিনি ‘বাঘা যতীন’ নামে পরিচিত হন। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের পর তিনি গুপ্ত বিপ্লবী কর্মকাণ্ড ও সশস্ত্র সংগ্রামে সক্রিয় হন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানি থেকে অস্ত্র সংগ্রহের পরিকল্পনা ‘জার্মান প্লট’ নামে পরিচিত। ব্রিটিশ পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে বালেশ্বরের বুড়িবালাম নদীর তীরে তিনি গুরুতর আহত হন এবং ১০ সেপ্টেম্বর ১৯১৫ বালেশ্বর হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।সূত্রঃ Bangla News 24
সঠিক উত্তর C (বাংলা কিউআর)
ব্যাখ্যা:
বাংলাদেশে ‘এক দেশ, এক কিউআর’ ব্যবস্থা চালুর পর বাংলা কিউআরের মাধ্যমে ডিজিটাল লেনদেন দ্রুত বাড়ছে। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ১২০ কোটি টাকা এবং সপ্তাহে ৭০০ কোটি টাকার বেশি লেনদেন হচ্ছে। জুলাইয়ের শুরুতে দৈনিক লেনদেন ছিল ১ লাখ ৭৮ হাজার, যা আগস্টের মাঝামাঝি বেড়ে ৩ লাখ ৩ হাজারে পৌঁছেছে। একই সময়ে দৈনিক লেনদেনের অর্থমূল্য ৩৭ কোটি ৩৩ লাখ টাকা থেকে বেড়ে ১১০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা হয়েছে। বাংলা কিউআর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীর সংখ্যা ১৬ লাখ থেকে বেড়ে ৩০ লাখের বেশি হয়েছে। একটি কিউআর দিয়ে বিভিন্ন ব্যাংক ও এমএফএস হিসাব থেকে অর্থ পরিশোধের সুযোগ থাকায় ভোগান্তি ও নগদ অর্থ বহনের ঝুঁকি কমেছে।সূত্রঃ যুগান্তর
সঠিক উত্তর B (সুকুমার রায়)
ব্যাখ্যা:
প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক সুকুমার রায় বাংলা সাহিত্যে ‘ননসেন্স ছড়া’র প্রবর্তক। তিনি ১৮৮৭ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী এবং পুত্র ছিলেন বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়। তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা ‘আবোল-তাবোল’, ‘হ-য-ব-র-ল’, ‘পাগলা দাশু’ ও ‘চলচ্চিত্তচঞ্চরী’। পিতার মৃত্যুর পর তিনি ‘সন্দেশ’ পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্ব নেন। ১৯২৩ সালের ১০ সেপ্টেম্বর মাত্র ৩৭ বছর বয়সে কালাজ্বরে তাঁর মৃত্যু হয়।সূত্রঃ আমাদের সময়
সঠিক উত্তর C (১২৩ অনুচ্ছেদ)
ব্যাখ্যা:
ঠাকুরগাঁও-১ আসনে আগামী ২৯ অক্টোবর উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জয়ী হন। তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় তাঁর সংসদীয় আসনটি শূন্য হয়। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ২৭ সেপ্টেম্বর মনোনয়নপত্র জমা, ২৯ সেপ্টেম্বর বাছাই, ৭ অক্টোবর প্রার্থিতা প্রত্যাহার এবং ৮ অক্টোবর প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। উপনির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী দেলাওয়ার হোসেন। গত নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ২,৩৮,৮৩৬ ভোট এবং দেলাওয়ার হোসেন ১,৪১,০১৭ ভোট পেয়েছিলেন। সূত্রঃ প্রথম আলো
সঠিক উত্তর D (ধূর্ত লোকের ফলপ্রাপ্তি)
ব্যাখ্যা:
'নেপোয় মারে দই' বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো ধূর্ত লোকের ফলপ্রাপ্তি বা অন্যের পরিশ্রমের ফল ধূর্ত লোকের ভোগ করা। প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো - 'নেপো' শব্দটি দ্বারা একজন ধূর্ত, চালাক বা সুবিধাবাদী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়, যে নিজে পরিশ্রম না করে অন্যের তৈরি করা সুযোগ ভোগ করে। - আক্ষরিক অর্থে, দুধ জ্বাল দিয়ে দই পাতার কষ্ট একজন করে, কিন্তু সেই দই তৈরি হলে তা 'নেপো' নামের সুবিধাবাদী ব্যক্তি খেয়ে ফেলে। - ভাবার্থ: পরিশ্রম করে একজন, আর চালাকি করে ফল ভোগ করে আরেকজন। বাংলা একাডেমি ও এনসিটিবি (NCTB) অনুমোদিত পাঠ্যবই অনুসারে এটি ধূর্ত লোকের অন্যের কষ্টার্জিত ফল ভোগের সমার্থক। • উদাহরণ: সারা বছর দিন-রাত খেটে প্রজেক্টটা আমি দাঁড় করালাম, আর বসের কাছে গিয়ে ক্রেডিট নিল রায়হান সাহেব। একেই বলে— 'নেপোয় মারে দই'।
সঠিক উত্তর D (অহংকার প্রকাশ)
ব্যাখ্যা:
- ‘নথ নাড়া’ বাগধারাটির অর্থ অহংকার প্রকাশ. গুরুত্বপূর্ণ কিছু বাগধারা: - শাকের তেলে মাছ ভাজা - পরে পরে কার্যোদ্ধার - ঘাটের মরা - অতি বৃদ্ধ - সপ্তকাণ্ড রামায়ণ অর্থ : বৃহৎ বিষয় -গড্ডলিকা প্রবাহ - শরতের শিশির অর্থ : ক্ষণস্থায়ী - ঢাকের কাঠি অর্থ : তোষামুদে/মোসাহেব/লেজুড়বৃত্তি - গাছপাথর অর্থ : হিসাব নিকাশ - রামগরুড়ের ছানা : গোমড়ামুখো লোক ( গরুড় অর্থ – পক্ষিরাজ, বিষ্ণুর বাহন) - চাঁদের হাট অর্থ : আনন্দের প্রাচুর্য , প্রিয়জনের সমাগম - ব্যাঙের সর্দি : অসম্ভব ব্যাপার - রাবণের চিতা : চির অশান্তি
সঠিক উত্তর A (অশুভ দৃষ্টিতে পড়া)
ব্যাখ্যা:
'নজর লাগা' বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো অশুভ দৃষ্টিতে পড়া। প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো - কোনো ভালো জিনিস বা সুন্দর ব্যক্তির প্রতি অন্যের খারাপ বা ঈর্ষাপূর্ণ দৃষ্টি পতিত হয়ে তার ক্ষতিসাধন হওয়ার আশঙ্কাই হলো 'নজর লাগা'। - লোকসমাজে বিশ্বাস করা হয় যে, কুৎসিত বা পরশ্রীকাতর দৃষ্টির প্রভাবে ভালো জিনিসের ক্ষতি হতে পারে। - বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুযায়ী এর অর্থ কুনজর বা অশুভ দৃষ্টি পতিত হওয়া। • উদাহরণ: নতুন কেনা গাড়িটা দ্বিতীয় দিনেই দুর্ঘটনার শিকার হলো, মনে হয় কারও নজর লেগেছে।
সঠিক উত্তর C (পরিপাটি)
ব্যাখ্যা:

- 'কেতা/ধোপ দুরস্ত' বাগধারার অর্থ 'পরিপাটি।  - কলুর বলদ অর্থ নির্বিকারে পরিশ্রম করা । - কাকভুষণ্ডী অর্থ দীর্ঘজীবী।

সঠিক উত্তর A (অলীক কল্পনা)
ব্যাখ্যা:
'দিবাস্বপ্ন' বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো অলীক কল্পনা বা ভিত্তিহীন স্বপ্ন। প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো - 'দিবাস্বপ্ন' বলতে এমন বিষয়কে বোঝায় যার বাস্তবে কোনো রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা নেই বা যা অবাস্তব। - আক্ষরিক অর্থে দিনের বেলায় দেখা স্বপ্ন বাস্তব হয় না বলে এই ধারণা থেকে বাগধারাটির সৃষ্টি হয়েছে। - বাংলা একাডেমি অভিধান অনুযায়ী এর রূপকার্থ হলো অবাস্তব বা অলীক কল্পনা। • উদাহরণ: বিনা পরিশ্রমে রাতারাতি বড়লোক হওয়ার চিন্তা করা দিবাস্বপ্ন ছাড়া আর কিছুই নয়।
সঠিক উত্তর C (উৎখাত)
ব্যাখ্যা:
- 'দূর্বা গজানো' বাগধারাটির অর্থ হলো উৎখাত বা সমূলে ধ্বংস হয়ে যাওয়া। - যখন কোনো বসতবাড়ি বা স্থান দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত থাকে এবং সেখানে ঘাস বা দূর্বা জন্মায়, তখন সেটিকে ধ্বংস বা উৎখাত হওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়। • উদাহরণ: - শত্রুরা এমনভাবে আক্রমণ করল যে তাদের ভিটায় দূর্বা গজিয়েছে।
সঠিক উত্তর B (অহিনকুল)
ব্যাখ্যা:
• 'দহরম মহরম- এর বিপরীত বাগধারা 'অহিনকুল'। • দহরম মহরম অর্থ মাখামাখি 'বন্ধুত্ব'। • দুধের মাছির অর্থ সুসময়ের বন্ধু। • বসন্তের কোকিল অর্থ ও সুসময়ের বন্ধু।
সঠিক উত্তর B (মনে আনন্দের হিল্লোল জাগা)
ব্যাখ্যা:
- 'দক্ষিণে হাওয়া দেওয়া' বাগধারাটির আলংকারিক অর্থ হলো মনে আনন্দের হিল্লোল জাগা বা আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি হওয়া। - বসন্তের শুরুতে দক্ষিণ দিক থেকে বয়ে আসা আরামদায়ক বাতাস যেমন প্রকৃতিতে সজীবতা আনে, তেমনি মানুষের মনে প্রশান্তি বা আনন্দের সঞ্চার করাকে এই বাগধারা দিয়ে বোঝানো হয়। - বাগধারা ভাষার একটি বিশেষ অঙ্গ যা শাব্দিক অর্থের বাইরে একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। • উদাহরণ: - দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সুখবরটি শুনে তার মনে যেন দক্ষিণে হাওয়া দিয়ে গেল।
সঠিক উত্তর B (কৃত্রিম হাসি)
ব্যাখ্যা:
- 'দেঁতো হাসি' বাগধারাটির অর্থ হলো কৃত্রিম হাসি বা কপট হাসি। - মনে আনন্দ না থাকা সত্ত্বেও লোক দেখানোভাবে দাঁত বের করে জোর করে হাসার ভান করা বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়, যা অনেকটা 'কাষ্ঠ হাসি'-এর সমার্থক। • উদাহরণ: - ভেতরে এত রাগ, তার মুখে আবার দেঁতো হাসি!
সঠিক উত্তর B (নজির দেখানো)
ব্যাখ্যা:
- 'দোহাই মানা' বাগধারাটির অর্থ হলো নজির দেখানো বা প্রমাণ হিসেবে কারো নাম বা কোনো দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করা। - কোনো বিষয়ে নিজের অবস্থান শক্ত করতে বা পরিস্থিতি নিজের অনুকূলে আনতে যখন অন্য কোনো ঘটনার বা ব্যক্তির দোহাই বা নজির দেওয়া হয়, তখন তা বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়। • উদাহরণ: - বারবার আইনের দোহাই মেনে সে নিজের অপরাধ ঢাকতে চাইছে।
সঠিক উত্তর B (লজ্জা পাওয়া)
ব্যাখ্যা:
- 'দাঁতে আঙুল কাটা' বাগধারাটির অর্থ হলো লজ্জা পাওয়া বা অপ্রস্তুত হওয়া। - নিজের কোনো ভুল বা বোকামি বুঝতে পেরে লজ্জাবোধ করার মানসিক অবস্থাকে প্রকাশ করতে গ্রামীণ বা সামাজিক প্রেক্ষাপটে এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়। • উদাহরণ: - নিজের ভুল বুঝতে পেরে সে লজ্জায় দাঁতে আঙুল কাটল।
সঠিক উত্তর B (স্থির করা)
ব্যাখ্যা:
- 'তয়নাত করা' বাগধারাটির অর্থ হলো 'স্থির করা' বা নিযুক্ত করা। ফারসি শব্দ 'তৈনাত' থেকে এর উৎপত্তি, যার অর্থ কোনো কাজে বা স্থানে কাউকে নিযুক্ত করা বা বহাল করা। • উদাহরণ: পাহারাদার হিসেবে তাকে সদর দরজায় তয়নাত করা হয়েছে।
সঠিক উত্তর A (অর্থের কুপ্রভাব)
ব্যাখ্যা:
বাগধারা বাংলা ব্যাকরণের অর্থতত্ত্ব অংশে আলোচনা করা হয়। কিছু গুরুত্তপুর্ণ বাগধারাঃ - 'বিড়াল তপস্বী', 'বক ধার্মিক' বাগধারার অর্থ ভণ্ড সাধু, - 'তুলসী বনের বাঘ' বাগধারার অর্থ ভণ্ড। - ভূষন্ডির কাক বাগধারার অর্থ দীর্ঘকালের অভিজ্ঞ ব্যক্তি - 'মুণ্ডুপাত করা' বাগধারার অর্থ গালমন্দ করা, - 'ভক্তবিটেল' বাগধারার অর্থ ভণ্ড। - অদৃষ্টের পরিহাস বাগধারার অর্থ ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা। - ছা-পােষা বাগধারার অর্থ পোষ্য- ভারাক্রান্ত - উড়নচণ্ডী বাগধারার অর্থ অমিতব্যয়ী - 'ভুসিমাল' বাগধারার অর্থ বাজে জিনিস, - 'তালপাতার সেপাই' বাগধারার অর্থ অতিশয় দুর্বল।
সঠিক উত্তর A (ভণ্ড)
ব্যাখ্যা:

'তুলসী বনের বাগ' বাগধারাটির অর্থ ভণ্ড, সুবেশে দুর্বৃত্ত, শয়তান ।

সঠিক উত্তর A (উভয়সংকট)
ব্যাখ্যা:
ত্রিশঙ্কু অবস্থা’ বাগধারার অর্থ - মধ্যাবস্থা/উভয়সংকট। এরকম সমার্থক অর্থে ব্যবহৃত বাগধারাগুলো হলো: • ‘শ্যাম রাখি না কুল রাখি’ বাগধারার অর্থ - উভয়সংকট। • ‘শাঁখের করাত’ বাগধারার অর্থ - উভয়সংকট। • ‘দুই নৌকায় পা’ বাগধারার অর্থ - উভয়সংকট।
সঠিক উত্তর B (বেতাল হওয়া)
ব্যাখ্যা:
- 'তাল কানা' বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো 'বেতাল হওয়া' বা কাণ্ডজ্ঞানহীন হওয়া। যে ব্যক্তি স্থান, কাল বা পরিস্থিতি বুঝতে পারে না বা কাজের ধারাবাহিকতা হারিয়ে ফেলে, তাকে তাল কানা বলা হয়। • উদাহরণ: লোকটা এমন তাল কানা, শোকের বাড়িতে গিয়ে হাসাহাসি করছে।
সঠিক উত্তর B (সগর্ব উক্তি)
ব্যাখ্যা:
- 'তাল ঠোকা' বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো 'সগর্ব উক্তি', আস্ফালন করা বা লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হওয়া। কুস্তিগিররা লড়াইয়ের আগে নিজের বাহুতে বা ঊরুতে চাপড় মেরে যে আস্ফালন করে, সেখান থেকে এই বাগধারার উৎপত্তি। • উদাহরণ: প্রতিপক্ষের সামনে শুধু তাল ঠুকলে হবে না, ময়দানে কাজেও প্রমাণ করতে হবে।
প্যাকেজ প্রয়োজন