বিগত সালের প্রশ্ন ও প্রশ্ন ব্যাংক

বিসিএস, ব্যাংক, প্রাথমিক শিক্ষক ও সকল সরকারি চাকরির বিগত সালের প্রশ্ন ও অধ্যায়ভিত্তিক নির্ভুল সমাধান

মোট ৮৮৩৩৫+ প্রশ্ন
বিষয় ও অধ্যায়সমূহ লোড হচ্ছে...
কোন বিষয় বা অধ্যায় খুঁজে পাওয়া যায়নি
কোন পরীক্ষা বা ট্যাগ পাওয়া যায়নি
সক্রিয় ফিল্টার:
সঠিক উত্তর C (ভীষণ বিপদ)
ব্যাখ্যা:

- ‘অথৈ জল’ বাগধারার অর্থ ‘ভীষণ বিপদ’ । - অন্ধকার দেখা- হতবুদ্ধি; - অগ্নিপরীক্ষা- কঠিন পরীক্ষা।

সঠিক উত্তর B (হতভাগ্য)
ব্যাখ্যা:

• আট কপালে / অষ্টকপাল / ঊনপাঁজুরে / হার হাভাতে - হতভাগ্য।
• অদৃষ্টের পরিহাস - ভাগ্যের বিড়ম্বনা;
• অলক্ষ্মীর দশা - শ্রীহীনতা / দারিদ্র্য;
• হালছাড়া - হতাশ হওয়া।

আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- আকাশ কুসুম বাগধারার অর্থ- অবাস্তব কল্পনা।
- 'ইঁচড়ে পাকা' বাগধারাটির অর্থ- অকালপক্ব।
- অমাবস্যার চাঁদ বাগধারার অর্থ- দুর্লভ বস্তু বা বিরল বস্তু।
- আষাঢ়ে গল্প বাগধারার অর্থ- আজগুবি কাহিনি।
- 'অগ্নি পরীক্ষা' বাগধারাটির অর্থ- কঠিন পরীক্ষা।
- 'অদৃষ্টের পরিহাস' বাগধারাটির অর্থ- ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা।
- 'আঁধার ঘরের মানিক' বাগধারটির অর্থ - অত্যন্ত প্রিয়জন।
সঠিক উত্তর A (মুলতবি রাখা)
ব্যাখ্যা:

- বাগধারায় শব্দগুলো তাদের আক্ষরিক অর্থের বাইরে গিয়ে প্রতীকী বা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে থাকে।
- 'শিকায় তোলা' বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ কোনো কিছু শিকাতে তুলে রাখা হলেও, এর প্রকৃত ও আলংকারিক অর্থ হলো কোনো কাজ মুলতবি রাখা বা স্থগিত করে রাখা।

• উদাহরণ: ছুটির কারণে অফিসের সব কাজ এখন শিকায় তোলা আছে।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- সর্বনাশ করা: এর অর্থ সবকিছু ধ্বংস করা বা ক্ষতিসাধন করা (যেমন: ভরাডুবি)।
- বিগড়ে দেওয়া: এর অর্থ নষ্ট করা বা স্বভাব খারাপ করা।
- গোপন করা: এর অর্থ লুকিয়ে রাখা বা চেপে যাওয়া (যেমন: ধামাচাপা দেওয়া)।

সঠিক উত্তর B (জলপানি)
ব্যাখ্যা:

- 'জলপানি' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ খাবার জল ও নাস্তা হলেও, বাগধারা হিসেবে এটি ছাত্রবৃত্তি বা মেধাবী ছাত্রদের দেওয়া মাসিক আর্থিক সাহায্য অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- আগের দিনে ভালো ফল করা শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে যে বৃত্তি দেওয়া হতো, তাকেই জলপানি বলা হতো।

• উদাহরণ: সেবার পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করে ছেলেটি সরকারি জলপানি পেয়েছিল।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- জলযোগ: এর অর্থ হালকা খাবার বা নাস্তা গ্রহণ করা।
- দানাপানি: এর অর্থ আহার বা অন্নজল।
- অনুদান: এর অর্থ সাহায্য বা চাঁদা।

সঠিক উত্তর C (অনর্গল কথা)
ব্যাখ্যা:

- 'কথার তুবড়ি' বাগধারাটির অর্থ হলো অনর্গল কথা বলা বা অবিরাম কথা বলে যাওয়া।
- তুবড়ি বাজি যেমন একটানা ফুলকি ছড়াতে থাকে, তেমনি যে ব্যক্তি বিরতিহীনভাবে বকবক করে তাকে 'কথার তুবড়ি' বলা হয়।

• উদাহরণ: মেয়েটি একবার কথা শুরু করলে যেন কথার তুবড়ি ছোটায়, তাকে থামানোই মুশকিল।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- অকাট্য যুক্তি: এর অর্থ যে যুক্তি খণ্ডন করা বা কাটানো যায় না।
- মিথ্যা কথা: এর অর্থ অসত্য বা বানানো কথা।
- অন্তরে জটিলতা: এর অর্থ মনে প্যাঁচ বা কুটিলতা (যেমন: জিলাপির প্যাঁচ)।

সঠিক উত্তর B (অশোভন বিদ্রুপ করা)
ব্যাখ্যা:

‘বক দেখানো’ বাগধারাটির অর্থ বকের মুখ ও গলার মতো হাত বাকিয়ে অশোভনভাবে বিদ্রূপ করা।

সঠিক উত্তর B (ভূমিকা)
ব্যাখ্যা:

- 'গৌরচন্দ্রিকা' বাগধারাটির অর্থ হলো ভূমিকা বা উপক্রমণিকা।
- বৈষ্ণব পদাবলিতে শ্রীকৃষ্ণলীলা গাওয়ার আগে শ্রীচৈতন্যদেবের (গৌরাঙ্গের) বন্দনাগান করার রীতি ছিল, যাকে গৌরচন্দ্রিকা বলা হতো। কালক্রমে যেকোনো কাজের বা কথার শুরুতে দীর্ঘ ভূমিকা বোঝাতে এই বাগধারাটির প্রয়োগ শুরু হয়।

• উদাহরণ: আসল কথা বল, খামোখা এতো গৌরচন্দ্রিকা করছ কেন?

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- বেহিসাবি: এর অর্থ যে হিসাব করে চলে না বা অমিতব্যয়ী (যেমন: ভূতের বাপের শ্রাদ্ধ)।
- অলস: এর অর্থ কর্মবিমুখ বা কুঁড়ে (যেমন: গোঁফ-খেজুরে)।
- অপদার্থ: এর অর্থ অযোগ্য বা অকেজো (যেমন: আমড়া কাঠের ঢেঁকি)।

সঠিক উত্তর D (ক্ষণস্থায়ী বা সুসময়ের বন্ধু)
ব্যাখ্যা:

শরতের শিশির/দুধের মাছি/সুখের পায়রা,লক্ষ্মীর বরযাত্রী,বসন্তের কোকিল সবগুলো বাগধারার অর্থ সুসময়ের বন্ধু।

সঠিক উত্তর C (সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি)
ব্যাখ্যা:

নিরানব্বইয়ের ধাক্কা - সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি ; শিরে সংক্রান্তি - আসন্ন বিপদ; যখন-তখন অবস্থা - মুমূর্ষু অবস্থা ।

সঠিক উত্তর C (সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি)
ব্যাখ্যা:

'নিরানব্বইয়ের ধাক্কা' বাগধারাটির অর্থ হলো সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি বা টাকা জমানোর প্রবল ঝোঁক। একশ টাকা পূর্ণ করতে গিয়ে যখন নিরানব্বই টাকায় পৌঁছায়, তখন মানুষের মধ্যে আরও সঞ্চয় করার যে প্রবল আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়, তাকেই রূপকার্থে এটি বোঝানো হয়।

• উদাহরণ: তার এখন নিরানব্বইয়ের ধাক্কা, তাই খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে কেবল টাকা জমাচ্ছে।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- শেষ অবস্থা: বাগধারা হিসেবে 'মুমূর্ষু অবস্থা' বা 'যখন-তখন অবস্থা' বোঝায়।
- শেষ থেকে সামান্য দূরে: এটি আক্ষরিক অর্থ, কিন্তু বাগধারার প্রকৃত অর্থ নয়।
- দুর্বলতা: শারীরিক বা মানসিক অক্ষমতা বোঝায়।

সঠিক উত্তর D (গম্ভীর)
ব্যাখ্যা:

'রাশভারী' বাগধারাটির অর্থ হলো গম্ভীর প্রকৃতির বা গম্ভীর মেজাজের মানুষ। যে ব্যক্তির ব্যক্তিত্ব অনেক দৃঢ় এবং যিনি সহজে উচ্ছ্বাস বা চপলতা প্রকাশ করেন না, তাঁকে রাশভারী বলা হয়।
শব্দতাত্ত্বিক অর্থে 'রাশ' (ঘোড়ার লাগাম বা নিয়ন্ত্রণ) এবং 'ভারী' (ওজনদার) মিলে এমন এক ব্যক্তিত্বকে বোঝায় যাকে সহজে টলানো বা প্রভাবিত করা যায় না।

• উদাহরণ: আমাদের নতুন প্রধান শিক্ষক বেশ রাশভারী মানুষ, সবাই তাঁকে সমীহ করে চলে।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
- কৃপণের কড়ি: অত্যন্ত কৃপণ ব্যক্তির জমানো সম্পদ বা যক্ষের ধন।
- চির অশান্তি: 'রাবণের চিতা' বাগধারা দিয়ে চির অশান্তি বোঝায়।
- উপযুক্ত মিলন: 'সোনায় সোহাগা' বা 'মণিকাঞ্চন যোগ' দিয়ে উপযুক্ত মিলন বোঝায়।

সঠিক উত্তর D (মোসাহেব)
ব্যাখ্যা:

গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- আক্কেল সেলামি অর্থ : বোকামির শাস্তি/নির্বুদ্ধিতার দণ্ড

- সপ্তকাণ্ড রামায়ণ অর্থ : বৃহৎ বিষয় -গড্ডলিকা প্রবাহ 
– এর গড্ডল অর্থ কী : ভেড়া 
- শরতের শিশির অর্থ : ক্ষণস্থায়ী
- শিবরাত্রির সলতে অর্থ : একমাত্র সন্তান / বংশধর
- ঢাকের কাঠি অর্থ : তোষামুদে/মোসাহেব/লেজুড়বৃত্তি
- গাছপাথর অর্থ : হিসাব নিকাশ
- রামগরুড়ের ছানা : গোমড়ামুখো লোক ( গরুড় অর্থ – পক্ষিরাজ, বিষ্ণুর বাহন)
- চাঁদের হাট অর্থ : আনন্দের প্রাচুর্য , প্রিয়জনের সমাগম
- ব্যাঙের সর্দি : অসম্ভব ব্যাপার
- রাবণের চিতা : চির অশান্তি
- ঢাকের বায়া : মূল্যহীন / অপ্রয়োজনীয়
- গোঁফ খেজুরে : নিতান্ত অলস / অত্যন্ত কুঁড়ে
- বক ধার্মিক : ভণ্ড সাধু
- বিড়াল তপস্বী : ভণ্ড লোক
সঠিক উত্তর C (মাথার দিব্যি)
ব্যাখ্যা:

• একই শব্দকে বিভিন্ন বাক্যে বিভিন্ন অর্থে ব্যবহার করা যায়।
• উপরিউক্ত বাক্যে ‘মাথা’ শব্দটি ‘ফাঁকি দেয়া’ অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে।
• ‘মাথা’ শব্দটির আরো কিছু ব্যবহার হলো- অঙ্গবিশেষ-তার মাথার চুল কাল।
• জ্ঞান- ছাত্রটির অংকে ভালো মাথা আছে।
• মনের অবস্থা- রাগের মাথায় কোনো কাজ করা ঠিক নয়।
• দিব্যি দেয়া- মাথা খাও, চিঠি দিতে ভুল করো না।
• আস্কারা পাওয়া- ছেলেটি আদর পেয়ে একেবারে মাথায় উঠেছে।

সঠিক উত্তর C (ভিজা বিড়াল)
ব্যাখ্যা:

- ‘ভিজে বিড়াল’ বাগধারার অর্থ কপটচারী।
- তুলসী বনের বাঘ, বিড়াল তপস্বী ও বকধার্মিক বাগধারার অর্থ ভণ্ড সাধু।

সঠিক উত্তর C (হাতে হাতে)
ব্যাখ্যা:

- 'দস্ত-ব-দস্ত' একটি ফারসি ভাষার শব্দগুচ্ছ, যা বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
- এর আক্ষরিক বা প্রচলিত অর্থ হলো 'হাতে-হাতে' বা তাৎক্ষণিকভাবে (Cash or hand-to-hand)।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- বন্ধু বনাম বন্ধু: ফারসি 'দোস্ত' মানে বন্ধু, তবে 'দস্ত' মানে হাত। তাই এটি ভুল।
- খেতে খেতে, আস্তে আস্তে: এগুলো সম্পূর্ণ অর্থহীন ও অপ্রাসঙ্গিক অপশন।

সঠিক উত্তর A (পুনরায় শুরু করা)
ব্যাখ্যা:

- 'কেঁচে গণ্ডুষ' বাগধারাটির অর্থ প্রথম থেকে বা পুনরায় শুরু করা।
- গণ্ডুষ অর্থ চূলক বা এক কোষ জল। হিন্দু রীতি অনুযায়ী পূজার শুরুতে জল নিয়ে গণ্ডুষ করতে হয়। পূজায় ভুল হলে আগের সবকিছু বাতিল (কেঁচে) করে আবার নতুন করে গণ্ডুষ করতে হয়। সেখান থেকেই পুনরায় শুরু করার অর্থটি এসেছে।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- অভিষেক: মস্তকে জল সিঞ্চন বা পদে আসীন হওয়া।
- সমাপ্তি: কোনো কাজের শেষ।
- ভূমিকা করা: কোনো কিছুর প্রারম্ভিক কথা বলা।

সঠিক উত্তর A (একমাত্র সন্তান)
ব্যাখ্যা:

'শিব রাত্রির সলতে' বলতে বুঝায়- পিতা মাতার এক মাত্র জীবিত সন্তান , এক মাত্র সন্তান, এক মাত্র অবলম্বন, একমাত্র বংশধর।

সঠিক উত্তর B (সৌভাগ্য)
ব্যাখ্যা:

- 'পোয়া বারো' বাগধারাটির অর্থ অতিরিক্ত সৌভাগ্য, সুসময় বা লাভবান অবস্থা।
- পাশা খেলায় সবচেয়ে বড় বা ফলপ্রসূ দানের নাম 'পোয়া বারো'। সেখান থেকে বাগধারাটি বাংলায় সুসময় অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- সমার্থক বাগধারা: একাদশে বৃহস্পতি, কপাল ফেরা।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- দুর্ভাগ্য: এর বিপরীত অর্থ (যেমন: আট কপালে, কাজী ভক্ষণ)।
- প্রশংসা ও নিন্দা: এগুলো সৌভাগ্যের সাথে সম্পর্কিত নয়।

সঠিক উত্তর C (কদরহীন লোক)
ব্যাখ্যা:

'ফেকলু পার্টি' বাগধারার অর্থ- আজেবাজে লোক, কদরহীন লোক, সামান্য মানুষ।

সঠিক উত্তর D (আরাম প্রিয় মানুষ)
ব্যাখ্যা:

বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে প্রিয় গৃহপালিত প্রাণী বিড়াল একটি শ্বাপদ বর্গের অন্তর্গত স্তন্যপায়ী প্রাণী।  এর বৈজ্ঞানিক নাম Felis silvestris catus বা Felis catus)। এরা খুবই আরামপ্রিয়। বাংলাদেশের প্রচলিত লোককথায় বিড়ালকে বাঘের মাসি বলে ডাকা হয়। 

সঠিক উত্তর D (শক্তি)
ব্যাখ্যা:

- বাংলা একটি সমৃদ্ধ ভাষা হওয়ায় এ ভাষায় একই শব্দ বাক্যের মধ্যে বিভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে থাকে।
- 'যত বড় মুখ নয় তত বড় কথা' প্রবচনটিতে 'মুখ' শব্দটি আক্ষরিক অর্থ (প্রত্যঙ্গ) না বুঝিয়ে শক্তি বা স্পর্ধা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
- অর্থাৎ, নিজের শক্তি বা যোগ্যতার চেয়ে বড় বা অহংকারী কথা বলাকে এখানে বোঝানো হয়েছে।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- অনুভূতি: এখানে 'মুখ' দিয়ে অনুভূতি প্রকাশ পাচ্ছে না।
- গালি: এখানে গালি দেওয়া অর্থে শব্দটি ব্যবহৃত হয়নি।
- প্রত্যঙ্গ: আক্ষরিক অর্থে 'মুখ' মানবদেহের প্রত্যঙ্গ হলেও, এই বাক্যে তা লাক্ষণিক অর্থে (শক্তি/স্পর্ধা) ব্যবহৃত হয়েছে।

সঠিক উত্তর D (কার্যে বিরতি)
ব্যাখ্যা:

- 'হাত গুটানো' একটি বিশিষ্টার্থক শব্দ বা বাগধারা যার অর্থ কাজ থেকে বিরত থাকা বা কার্যে বিরতি।
- বাংলা ভাষায় শব্দের প্রয়োগভেদে অর্থের পরিবর্তন ঘটে। এখানে 'হাত' শব্দটি অঙ্গ অর্থে ব্যবহৃত না হয়ে কর্ম বা কাজ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

• উদাহরণ: দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে হাত গুটিয়ে বসে থাকলে চলবে না।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- দক্ষতা: দক্ষতা বোঝাতে 'হাত থাকা' বা 'হাত আসা' ব্যবহৃত হয় (যেমন: তার লেখার হাত ভালো)।
- আয়ত্তে আনা: এর অর্থ 'হাত করা'।
- হস্তচ্যুত হওয়া: এর অর্থ 'হাতছাড়া হওয়া' বা নিয়ন্ত্রণ হারানো।

সঠিক উত্তর D (Hot weather)
ব্যাখ্যা:

Dog Days হলো একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি Idiom বা বাগধারা।
⇒ এর অর্থ হলো বছরের সবচেয়ে উষ্ণ বা তীব্র গরমের সময়কাল।
⇒ প্রাচীন রোমানদের বিশ্বাস অনুযায়ী 'Dog Star' (Sirius)-এর উদয়ের সাথে গ্রীষ্মের এই প্রচণ্ড গরমের সম্পর্ক ছিল।
⇒ সুতরাং, অপশনগুলোর মধ্যে Hot weather হলো এর সঠিক অর্থ।

সঠিক উত্তর D (ঢাকের বায়া)
ব্যাখ্যা:

- 'ঢাকের বাঁয়া' বাগধারাটির অর্থ হলো অপ্রয়োজনীয় বস্তু বা যার কোন মূল্য নেই।
- ঢাক বাজানোর সময় বাঁয়া বা ছোট ঢাকটির খুব একটা প্রয়োজন পড়ে না, সেখান থেকেই এই বাগধারাটির উৎপত্তি।

• উদাহরণ: সংসারে তার মত ঢাকের বাঁয়া দিয়ে কোনো কাজ হবে না।

• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ
- ডাকাবুকা: অত্যন্ত সাহসী বা দুরন্ত স্বভাবের।
- তুলসি বনের বাঘ: ভণ্ড সাধু বা সাধু হিসেবে পরিচিত প্রকৃত দুর্জন।
- তামার বিষ: অর্থের কুপ্রভাব বা অহংকার।

প্যাকেজ প্রয়োজন